নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে লোমহর্ষক ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা মামলার মূল রহস্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে মূল আসামি শাহিনুর ইসলাম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
এর আগে গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ওষুধ কারখানার পেছনের ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা ও বস্তাবন্দী অবস্থায় আইয়ুব আলীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোসাঃ মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের দ্রুত অভিযান ও রহস্য উদঘাটন
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘খ’ সার্কেল) দিপংকর ঘোষের নেতৃত্বে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচনে সক্ষম হয় পুলিশ।
পুলিশের তদন্ত ও আসামির স্বীকারোক্তিতে উঠে আসে:
পরিকল্পিত ফাঁদ: পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে সহযোগী শাহীনের মাধ্যমে আইয়ুব আলীকে একটি ভাঙারি দোকানে ডেকে নেওয়া হয়।
নৃশংস হত্যাকাণ্ড: ভাঙারি দোকানে নেওয়ার পর অত্যন্ত সুকৌশলে ও নির্মমভাবে আইয়ুব আলীকে হত্যা করা হয়। পরে হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দী করে লাশ ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পরিচয়
পুলিশের জালে ধরা পড়া দুই আসামি হলেন:
১. শাহিনুর ইসলাম (৩০) — পিতা: মানিক মিয়া, স্থায়ী সাং: মাস্টারপাড়া, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম (বর্তমান ঠিকানা: কাঁচপুর উত্তরপাড়া)। তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
২. জামির হোসেন (৫৭) — পিতা: মৃত ছাহাদ আলী, সাং: কাঁচপুর উত্তরপাড়া, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে পুলিশের চিরুনি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুরে লোমহর্ষক ভাঙারি ব্যবসায়ী আইয়ুব আলী হত্যা মামলার মূল রহস্য মাত্র ২৪ ঘণ্টার মধ্যেই উদঘাটন করেছে পুলিশ। এই ঘটনার সাথে জড়িত দুজনকে গ্রেপ্তার করা হয়েছে, যার মধ্যে মূল আসামি শাহিনুর ইসলাম আদালতে ১৬৪ ধারায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি প্রদান করেছেন।
এর আগে গত বুধবার (১৬ সেপ্টেম্বর) সকাল ১১টার দিকে কাঁচপুরের সোনাপুর এলাকায় একটি পরিত্যক্ত ওষুধ কারখানার পেছনের ডোবা থেকে হাত-পা বাঁধা ও বস্তাবন্দী অবস্থায় আইয়ুব আলীর রক্তাক্ত মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। মর্মান্তিক এই ঘটনায় নিহতের স্ত্রী মোসাঃ মাহফুজা আক্তার বাদী হয়ে সোনারগাঁ থানায় একটি হত্যা মামলা দায়ের করেন।
পুলিশের দ্রুত অভিযান ও রহস্য উদঘাটন
নারায়ণগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মোঃ হাবিবুর রহমানের নির্দেশনায় এবং অতিরিক্ত পুলিশ সুপার (‘খ’ সার্কেল) দিপংকর ঘোষের নেতৃত্বে সোনারগাঁ থানা পুলিশের একটি চৌকস দল তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তায় তদন্ত শুরু করে। মাত্র ২৪ ঘণ্টার ব্যবধানে হত্যাকাণ্ডের মূল রহস্য উন্মোচনে সক্ষম হয় পুলিশ।
পুলিশের তদন্ত ও আসামির স্বীকারোক্তিতে উঠে আসে:
পরিকল্পিত ফাঁদ: পূর্বপরিকল্পনার অংশ হিসেবে ১০টি ইয়াবা ট্যাবলেট ও টাকার প্রলোভন দেখিয়ে সহযোগী শাহীনের মাধ্যমে আইয়ুব আলীকে একটি ভাঙারি দোকানে ডেকে নেওয়া হয়।
নৃশংস হত্যাকাণ্ড: ভাঙারি দোকানে নেওয়ার পর অত্যন্ত সুকৌশলে ও নির্মমভাবে আইয়ুব আলীকে হত্যা করা হয়। পরে হাত-পা বেঁধে বস্তাবন্দী করে লাশ ডোবায় ফেলে দেওয়া হয়।
গ্রেপ্তারকৃত আসামিদের পরিচয়
পুলিশের জালে ধরা পড়া দুই আসামি হলেন:
১. শাহিনুর ইসলাম (৩০) — পিতা: মানিক মিয়া, স্থায়ী সাং: মাস্টারপাড়া, নাগেশ্বরী, কুড়িগ্রাম (বর্তমান ঠিকানা: কাঁচপুর উত্তরপাড়া)। তিনি আদালতে স্বেচ্ছায় স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছেন।
২. জামির হোসেন (৫৭) — পিতা: মৃত ছাহাদ আলী, সাং: কাঁচপুর উত্তরপাড়া, সোনারগাঁ, নারায়ণগঞ্জ।
সোনারগাঁ থানা পুলিশ জানিয়েছে, এই হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে আরও কয়েকজন জড়িত রয়েছে। পলাতক অন্যান্য আসামিদের গ্রেপ্তার এবং হত্যাকাণ্ডে ব্যবহৃত আলামত উদ্ধারে পুলিশের চিরুনি অভিযান ও তদন্ত কার্যক্রম জোরদার করা হয়েছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন