Nagorik Somoy News

ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন ও মাদকবিরোধী অভিযানে অবদান বিপিএম পদক পাচ্ছেন এসআই আবুল কালাম



ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন ও মাদকবিরোধী অভিযানে অবদান বিপিএম পদক পাচ্ছেন এসআই আবুল কালাম
এসআই আবুল কালাম

বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধী শনাক্ত, আসামি গ্রেপ্তার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ।

২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চারটি ক্যাটাগরিতে এবার মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে এই মর্যাদাপূর্ণ পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বীরত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের নির্বাচিত করা হয়।

প্রতি বছর বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সাহসিকতা, বীরত্ব ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ পদক প্রদান করা হয়। বার্ষিক পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে নির্বাচিত পুলিশ সদস্যদের হাতে এই পদক তুলে দেওয়া হয়।

এসআই আবুল কালাম আজাদ শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার আরশীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন তিনি। গত দুই বছর ধরে মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত রয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এর আগে ক্লু-লেস ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন, ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে ভূমিকা রাখায় মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবেও সম্মাননা পান।

তার উল্লেখযোগ্য অভিযানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের ছদ্মবেশে ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় অভিযান। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডিবির একটি দলের নেতৃত্ব দিয়ে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া একটি চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টার আরেকটি আলোচিত ঘটনাতেও তিনি নেতৃত্ব দেন।

মাদকবিরোধী অভিযানেও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ২০২৬ সালের মার্চে পদ্মা সেতু উত্তর থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ডিবির অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই আবুল কালাম আজাদ।

বিপিএম পদকের জন্য নির্বাচিত হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম। জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই স্বীকৃতি অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনকারী অন্য পুলিশ সদস্যদেরও উৎসাহিত করবে।

আপনার মতামত লিখুন

Nagorik Somoy News

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন ও মাদকবিরোধী অভিযানে অবদান বিপিএম পদক পাচ্ছেন এসআই আবুল কালাম

প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

বিভিন্ন চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন, অপরাধী শনাক্ত, আসামি গ্রেপ্তার এবং মাদকবিরোধী অভিযানে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখায় বাংলাদেশ পুলিশ পদক (বিপিএম)-এর জন্য নির্বাচিত হয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখা (ডিবি) পুলিশের উপপরিদর্শক (এসআই) আবুল কালাম আজাদ।

২০২৬ সালের প্রজ্ঞাপন অনুযায়ী, চারটি ক্যাটাগরিতে এবার মোট ৯২ জন পুলিশ সদস্যকে এই মর্যাদাপূর্ণ পদকের জন্য মনোনীত করা হয়েছে। ২০২৫ সালের ১ মার্চ থেকে ২০২৬ সালের ২৮ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়ে বীরত্বপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ দায়িত্ব পালনের স্বীকৃতি হিসেবে তাদের নির্বাচিত করা হয়।

প্রতি বছর বাংলাদেশ পুলিশ বাহিনীর সদস্যদের সাহসিকতা, বীরত্ব ও পেশাদারিত্বের স্বীকৃতিস্বরূপ বাংলাদেশ পুলিশ পদক প্রদান করা হয়। বার্ষিক পুলিশ সপ্তাহের অনুষ্ঠানে নির্বাচিত পুলিশ সদস্যদের হাতে এই পদক তুলে দেওয়া হয়।

এসআই আবুল কালাম আজাদ শরীয়তপুর জেলার সখিপুর থানার আরশীনগর ইউনিয়নের বাসিন্দা। ২০০৪ সালে বাংলাদেশ পুলিশে যোগ দেন তিনি। গত দুই বছর ধরে মুন্সিগঞ্জ জেলা গোয়েন্দা শাখায় কর্মরত রয়েছেন।

মুন্সিগঞ্জে দায়িত্ব পালনকালে একাধিক চাঞ্চল্যকর ও ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন, মাদকবিরোধী অভিযান এবং বিভিন্ন অপরাধী চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তারে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখেন তিনি। এর আগে ক্লু-লেস ডাকাতি মামলার রহস্য উদঘাটন, ডাকাত চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার এবং লুণ্ঠিত মালামাল উদ্ধারে ভূমিকা রাখায় মুন্সিগঞ্জ জেলার শ্রেষ্ঠ তদন্তকারী কর্মকর্তা হিসেবেও সম্মাননা পান।

তার উল্লেখযোগ্য অভিযানগুলোর মধ্যে রয়েছে ঢাকা-মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীর সদস্যের ছদ্মবেশে ডাকাতির প্রস্তুতির ঘটনায় অভিযান। চলতি বছরের জানুয়ারিতে ডিবির একটি দলের নেতৃত্ব দিয়ে ভুয়া ডিবি পুলিশ পরিচয়ে ডাকাতির প্রস্তুতি নেওয়া একটি চক্রের সদস্যদের গ্রেপ্তার করা হয়। এ ছাড়া মাওয়া এক্সপ্রেসওয়েতে প্রাইভেটকার থামিয়ে ডাকাতির চেষ্টার আরেকটি আলোচিত ঘটনাতেও তিনি নেতৃত্ব দেন।

মাদকবিরোধী অভিযানেও রয়েছে তার উল্লেখযোগ্য সাফল্য। ২০২৬ সালের মার্চে পদ্মা সেতু উত্তর থানার এলাকায় অভিযান চালিয়ে ২ হাজার ৫০০ পিস ইয়াবাসহ তিনজনকে গ্রেপ্তারের ঘটনায় ডিবির অভিযানে নেতৃত্ব দেন এসআই আবুল কালাম আজাদ।

বিপিএম পদকের জন্য নির্বাচিত হওয়ায় তাকে শুভেচ্ছা জানিয়েছেন মুন্সিগঞ্জ জেলা পুলিশ সুপার মো. মেনহাজুল আলম। জেলা পুলিশের সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, এই স্বীকৃতি অপরাধ দমন ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষায় দায়িত্ব পালনকারী অন্য পুলিশ সদস্যদেরও উৎসাহিত করবে।


Nagorik Somoy News

সম্পাদক : মাসুদ রানা


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
ক্লু-লেস মামলার রহস্য উদঘাটন ও মাদকবিরোধী অভিযানে অবদান বিপিএম পদক পাচ্ছেন এসআই আবুল কালাম
0:00 / 0:00
1x