Nagorik Somoy News

কাঁচপুরে খাস জমি দখল ও মাদক কারবারের অভিযোগ তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর



কাঁচপুরে খাস জমি দখল ও মাদক কারবারের অভিযোগ তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও স্থানীয় বিএনপি নেতা হাজী সেলিম হক রুমির ছোট ভাই পরিচয়ে খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল, অবৈধ দোকান নির্মাণ এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে এলাকায় তার এই অপকর্ম আরও বেড়ে গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কাঁচপুর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় সরকারি খাস জমি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে জবরদখল করে একের পর এক অবৈধ দোকান ও স্থাপনা তুলেছেন খোরশেদ। এসব দোকান দখল ও ভাড়া দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। রাতের আঁধারে প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সম্পত্তি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গোপন সূত্রে আরও জানা যায়, কাঁচপুরের চাংগাইল রোড সংলগ্ন ফ্যান ফ্যাক্টরি এলাকায় খোরশেদের একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। এলাকায় মাদক কারবারিদের সাথে তার গভীর সখ্য রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কাঁচপুর এলাকার বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা ক্যাশ লেনদেনে সহায়তা করা এবং খোরশেদের নিজস্ব বাড়িতেই বড় বড় মাদকের চালান মজুত রাখার নিরাপদ আস্তানা গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এসব অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই খোরশেদ আলমের অবৈধ দখলদারিত্ব, ভুয়া দলিল জালিয়াতি এবং মাদকের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

আপনার মতামত লিখুন

Nagorik Somoy News

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


কাঁচপুরে খাস জমি দখল ও মাদক কারবারের অভিযোগ তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর

প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬

featured Image

নারায়ণগঞ্জের সোনারগাঁ উপজেলার কাঁচপুর ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান পদপ্রার্থী ও স্থানীয় বিএনপি নেতা হাজী সেলিম হক রুমির ছোট ভাই পরিচয়ে খোরশেদ আলমের বিরুদ্ধে সরকারি খাস জমি দখল, অবৈধ দোকান নির্মাণ এবং মাদক ব্যবসার সাথে জড়িত থাকার চাঞ্চল্যকর অভিযোগ উঠেছে। ৫ আগস্টের রাজনৈতিক পটপরিবর্তনের পর থেকে এলাকায় তার এই অপকর্ম আরও বেড়ে গেছে বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেছে।

অনুসন্ধানে জানা যায়, কাঁচপুর বাস টার্মিনাল সংলগ্ন এলাকায় সরকারি খাস জমি ভুয়া দলিলের মাধ্যমে জবরদখল করে একের পর এক অবৈধ দোকান ও স্থাপনা তুলেছেন খোরশেদ। এসব দোকান দখল ও ভাড়া দেওয়ার নামে সাধারণ মানুষের কাছ থেকে লাখ লাখ টাকা হাতিয়ে নিচ্ছেন তিনি। রাতের আঁধারে প্রভাব খাটিয়ে সরকারি সম্পত্তি নিজের নিয়ন্ত্রণে নেওয়ার কারণে স্থানীয় সাধারণ মানুষের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ বিরাজ করছে।

গোপন সূত্রে আরও জানা যায়, কাঁচপুরের চাংগাইল রোড সংলগ্ন ফ্যান ফ্যাক্টরি এলাকায় খোরশেদের একাধিক বিলাসবহুল বাড়ি রয়েছে। এলাকায় মাদক কারবারিদের সাথে তার গভীর সখ্য রয়েছে বলে অভিযোগ রয়েছে। কাঁচপুর এলাকার বড় বড় মাদক ব্যবসায়ীদের কোটি কোটি টাকা ক্যাশ লেনদেনে সহায়তা করা এবং খোরশেদের নিজস্ব বাড়িতেই বড় বড় মাদকের চালান মজুত রাখার নিরাপদ আস্তানা গড়ে তোলা হয়েছে বলে অভিযোগকারীদের দাবি। ক্ষমতার প্রভাব দেখিয়ে স্থানীয় প্রশাসনকে বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে এসব অবৈধ কার্যক্রম চালিয়ে যাচ্ছেন তিনি।

স্থানীয় সচেতন মহল ও এলাকাবাসী অবিলম্বে এই খোরশেদ আলমের অবৈধ দখলদারিত্ব, ভুয়া দলিল জালিয়াতি এবং মাদকের নেটওয়ার্কের বিরুদ্ধে কঠোর আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার জন্য প্রশাসনের ঊর্ধ্বতন মহলের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।


Nagorik Somoy News

সম্পাদক : মাসুদ রানা


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
কাঁচপুরে খাস জমি দখল ও মাদক কারবারের অভিযোগ তদন্তের দাবি এলাকাবাসীর
0:00 / 0:00
1x