মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে আরও বড় ধরনের সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা চালানোর গুঞ্জনের মধ্যেই ওই অঞ্চলে প্রায় ৯ হাজার অতিরিক্ত সেনা ও একটি নতুন (তৃতীয়) বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে পেন্টাগন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মার্কিন প্রশাসনিক সূত্রে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি ও সম্ভাব্য হামলা:
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, থিওডোর রুজভেল্ট এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও মেরিন সেনাদের সমন্বয়ে তৈরি এই বহর যোগ দিলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ ও সামরিক উপস্থিতি বহুগুণ বেড়ে যাবে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই নজিরবিহীন তোড়জোড় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে আরও জটিল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই বা পরপরই ইরানে মার্কিন হামলায় নতুন গতি আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দেন যে, নির্বাচনের পর ইরানে বড় ধরনের হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, যা তাঁর পূর্বের দ্রুত যুদ্ধ সমাপ্তির আশ্বাসের বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে।
ফ্লাইদুবাই ককপিট কাণ্ড ও ইরানের ওপর ট্রাম্পের হুমকি:
এদিকে সংঘাতের আগুনে নতুন করে ঘি ঢেলেছে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই বিমানের ককপিটে সংঘটিত এক নজিরবিহীন আক্রমণ। বুধবার উড্ডয়নরত অবস্থায় বিমানটির এক সহকারী পাইলট মূল ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। ইসরায়েলের দাবি, অভিযুক্ত সহকারী পাইলট উগ্র মতাদর্শে প্রভাবিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, এই ঘটনায় ইরানের কোনো হাত বা ইন্ধন রয়েছে কি না—তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, “প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এমন যোগসূত্রের বড় সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তদন্তে যদি ইরানের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে ইরানকে কঠোর মূল্য দিতে হবে। তারা চিন্তাও করতে পারবে না, কত বড় আঘাত তাঁদের ওপর আসতে যাচ্ছে।”
সম্ভাব্য আক্রমণ এবং বিমান কাণ্ডের তদন্ত মিলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন এক নতুন অগ্নিকুণ্ডে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০২ অক্টোবর ২০২৬
মধ্যপ্রাচ্যের চলমান উত্তপ্ত পরিস্থিতিতে আরও বড় ধরনের সামরিক সক্ষমতা বাড়াচ্ছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। ইরানে নতুন করে মার্কিন হামলা চালানোর গুঞ্জনের মধ্যেই ওই অঞ্চলে প্রায় ৯ হাজার অতিরিক্ত সেনা ও একটি নতুন (তৃতীয়) বিমানবাহী রণতরী পাঠাচ্ছে পেন্টাগন।
বৃহস্পতিবার (১ অক্টোবর) মার্কিন প্রশাসনিক সূত্রে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা অ্যাসোসিয়েটেড প্রেস (এপি) এই চাঞ্চল্যকর তথ্য নিশ্চিত করেছে।
সামরিক উপস্থিতি বৃদ্ধি ও সম্ভাব্য হামলা:
মার্কিন কর্মকর্তাদের মতে, থিওডোর রুজভেল্ট এয়ারক্রাফট ক্যারিয়ার স্ট্রাইক গ্রুপ ও মেরিন সেনাদের সমন্বয়ে তৈরি এই বহর যোগ দিলে মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন নৌ ও সামরিক উপস্থিতি বহুগুণ বেড়ে যাবে। বিশ্লেষকদের মতে, মার্কিন সামরিক বাহিনীর এই নজিরবিহীন তোড়জোড় মধ্যপ্রাচ্যের সংঘাতকে আরও জটিল ও অনিশ্চিত পরিস্থিতির দিকে ঠেলে দিচ্ছে।
আসন্ন মার্কিন মধ্যবর্তী নির্বাচনের আগেই বা পরপরই ইরানে মার্কিন হামলায় নতুন গতি আসতে পারে বলে ধারণা করা হচ্ছে। সম্প্রতি ট্রাম্প এক সাক্ষাৎকারে ইঙ্গিত দেন যে, নির্বাচনের পর ইরানে বড় ধরনের হামলা চালানোর সিদ্ধান্ত নেওয়া হতে পারে, যা তাঁর পূর্বের দ্রুত যুদ্ধ সমাপ্তির আশ্বাসের বিপরীত চিত্র তুলে ধরছে।
ফ্লাইদুবাই ককপিট কাণ্ড ও ইরানের ওপর ট্রাম্পের হুমকি:
এদিকে সংঘাতের আগুনে নতুন করে ঘি ঢেলেছে ইসরায়েলগামী ফ্লাইদুবাই বিমানের ককপিটে সংঘটিত এক নজিরবিহীন আক্রমণ। বুধবার উড্ডয়নরত অবস্থায় বিমানটির এক সহকারী পাইলট মূল ক্যাপ্টেনকে ছুরিকাঘাত করে বিমানটি বিধ্বস্ত করার চেষ্টা করেন। ইসরায়েলের দাবি, অভিযুক্ত সহকারী পাইলট উগ্র মতাদর্শে প্রভাবিত ছিলেন।
বৃহস্পতিবার হোয়াইট হাউসে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে প্রেসিডেন্ট ট্রাম্প বলেন, এই ঘটনায় ইরানের কোনো হাত বা ইন্ধন রয়েছে কি না—তা গভীরভাবে খতিয়ে দেখা হচ্ছে।
সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে ট্রাম্প জোর দিয়ে বলেন, “প্রাথমিক তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে এমন যোগসূত্রের বড় সম্ভাবনা উড়িয়ে দেওয়া যায় না। তদন্তে যদি ইরানের সংশ্লিষ্টতা প্রমাণিত হয়, তবে ইরানকে কঠোর মূল্য দিতে হবে। তারা চিন্তাও করতে পারবে না, কত বড় আঘাত তাঁদের ওপর আসতে যাচ্ছে।”
সম্ভাব্য আক্রমণ এবং বিমান কাণ্ডের তদন্ত মিলে মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি এখন এক নতুন অগ্নিকুণ্ডে রূপ নেওয়ার আশঙ্কা সৃষ্টি করেছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন