Nagorik Somoy News

মালয়েশিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি সিটি হাসমাহর মহাপ্রয়াণ শতবর্ষের জীবনের অবসান



মালয়েশিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি সিটি হাসমাহর মহাপ্রয়াণ শতবর্ষের জীবনের অবসান
ছবি : সংগৃহীত

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ড. সিটি হাসমাহ মোহামাদ আলি আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০০ বছর।

সোমবার কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা 'বারনামা' তাঁর সন্তান মোখজানি মাহাথিরের সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রাজনীতির পাশে এক কোমল ব্যক্তিত্ব

মালয়েশিয়ার ইতিহাসে সিটি হাসমাহ এক অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় নাম। স্বামী মাহাথির মোহাম্মদের দৃঢ় ও কঠোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিপরীতে সিটি হাসমাহর মার্জিত আচরণ, উষ্ণ আন্তরিকতা এবং অসাধারণ রসবোধ তাঁকে জনগণের হৃদয়ে আলাদা স্থান করে দিয়েছিল।

জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা

কেবল প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী পরিচয়ই নয়, একজন চিকিৎসক হিসেবেও দেশের জনস্বাস্থ্য খাতে তিনি অনবদ্য অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে পরিবার পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য সচেতনতা এবং নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৪০-এর দশকের শেষভাগে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়ার সময়ই তৎকালীন সমাজে নারীদের জন্য শিক্ষার যে পথ তিনি তৈরি করেছিলেন, তাকে বহুবার প্রশংসায় ভরিয়েছেন মাহাথির মোহাম্মদ নিজেই।

৭০ বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পরিচয়ের পর গত আগস্টেই এই দম্পতি তাঁদের বিবাহবার্ষিকীর ৭০ বছর পূর্ণ করেন। মাহাথির প্রায়শই স্বীকার করেছেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সাফল্যের পেছনে প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেছেন সিটি হাসমাহ। তাঁদের সাত সন্তানের মধ্যে মোখজানি মাহাথির, মারিনা মাহাথির ও মুখরিজ মাহাথির মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত।

আপনার মতামত লিখুন

Nagorik Somoy News

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬


মালয়েশিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি সিটি হাসমাহর মহাপ্রয়াণ শতবর্ষের জীবনের অবসান

প্রকাশের তারিখ : ২৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬

featured Image

মালয়েশিয়ার সাবেক প্রধানমন্ত্রী মাহাথির মোহাম্মদের সহধর্মিণী ও বিশিষ্ট সমাজসেবক ড. সিটি হাসমাহ মোহামাদ আলি আর নেই। মৃত্যুকালে তাঁর বয়স হয়েছিল ১০০ বছর।

সোমবার কুয়ালালামপুরের ন্যাশনাল হার্ট ইনস্টিটিউটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় তিনি শেষ নিঃশ্বাস ত্যাগ করেন। মালয়েশিয়ার রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা 'বারনামা' তাঁর সন্তান মোখজানি মাহাথিরের সূত্রে এই তথ্য নিশ্চিত করেছে।

রাজনীতির পাশে এক কোমল ব্যক্তিত্ব

মালয়েশিয়ার ইতিহাসে সিটি হাসমাহ এক অত্যন্ত শ্রদ্ধেয় ও প্রিয় নাম। স্বামী মাহাথির মোহাম্মদের দৃঢ় ও কঠোর রাজনৈতিক ব্যক্তিত্বের বিপরীতে সিটি হাসমাহর মার্জিত আচরণ, উষ্ণ আন্তরিকতা এবং অসাধারণ রসবোধ তাঁকে জনগণের হৃদয়ে আলাদা স্থান করে দিয়েছিল।

জনস্বাস্থ্য ও সামাজিক উন্নয়নে ভূমিকা

কেবল প্রধানমন্ত্রীর স্ত্রী পরিচয়ই নয়, একজন চিকিৎসক হিসেবেও দেশের জনস্বাস্থ্য খাতে তিনি অনবদ্য অবদান রেখেছেন। বিশেষ করে পরিবার পরিকল্পনা, জনস্বাস্থ্য সচেতনতা এবং নারী শিক্ষার প্রসারে তাঁর ভূমিকা ছিল উল্লেখযোগ্য। ১৯৪০-এর দশকের শেষভাগে সিঙ্গাপুরে চিকিৎসাবিজ্ঞান পড়ার সময়ই তৎকালীন সমাজে নারীদের জন্য শিক্ষার যে পথ তিনি তৈরি করেছিলেন, তাকে বহুবার প্রশংসায় ভরিয়েছেন মাহাথির মোহাম্মদ নিজেই।

৭০ বছরের দীর্ঘ দাম্পত্য

বিশ্ববিদ্যালয় জীবনে পরিচয়ের পর গত আগস্টেই এই দম্পতি তাঁদের বিবাহবার্ষিকীর ৭০ বছর পূর্ণ করেন। মাহাথির প্রায়শই স্বীকার করেছেন, তাঁর দীর্ঘ রাজনৈতিক ও প্রশাসনিক সাফল্যের পেছনে প্রধান স্তম্ভ হিসেবে কাজ করেছেন সিটি হাসমাহ। তাঁদের সাত সন্তানের মধ্যে মোখজানি মাহাথির, মারিনা মাহাথির ও মুখরিজ মাহাথির মালয়েশিয়ার ব্যবসায়িক, সামাজিক ও রাজনৈতিক অঙ্গনে সুপরিচিত।


Nagorik Somoy News

সম্পাদক : মাসুদ রানা


© সর্বস্বত্ব স্বত্বাধিকার সংরক্ষিত, আমাদের প্রকাশিত সংবাদ, কলাম, তথ্য, ছবি, পূর্বানুমতি ছাড়া ব্যবহার অপরাধ।
মালয়েশিয়ার সাবেক ফার্স্ট লেডি সিটি হাসমাহর মহাপ্রয়াণ শতবর্ষের জীবনের অবসান
0:00 / 0:00
1x