জ্বালানির ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রস্তুতি জানতে চেয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বিপিসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণের জন্য জ্বালানি তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নের সুপারিশ করেছে কমিটি।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘটে যাওয়া জ্বালানি সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। বিশেষ করে, গত এপ্রিলে সরবরাহ ব্যবস্থার তেমন বড় কোনো পরিবর্তন না হওয়া সত্ত্বেও কেবল দাম বাড়ানোর পর কীভাবে পাম্পগুলোর জ্বালানি সংকট কেটে গেল—সে বিষয়ে বিপিসির দেওয়া তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে কমিটি পরবর্তী বৈঠকে সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে।
বৈঠকে বিপিসির পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির সংকট তুলে ধরা হয়। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপিসি বেশ কয়েকটি বড় প্রস্তাব পেশ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
বিশ্ববাজারে দর বাড়লে গ্রাহকপর্যায়ে সহনীয় দাম বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরকারি ভর্তুকি দেওয়া।
সাময়িকভাবে জ্বালানি তেল আমদানিতে ইনভয়েস ভ্যালুর বদলে আগের মতো ট্যারিফ ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর পুনর্নির্ধারণ বা হ্রাস করা।
দীর্ঘমেয়াদে বাজারের ওঠানামা সামলাতে ‘ফুয়েল স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ গঠন করা।
যেকোনো আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশে টানা ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত সক্ষমতা নিশ্চিত করা।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও হুইপ মিঞা নুরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জ্বালানির ভবিষ্যৎ চাহিদা মোকাবিলায় বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের (বিপিসি) প্রস্তুতি জানতে চেয়েছে সরকারি প্রতিষ্ঠান-সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটি। আগামী বৈঠকে এ বিষয়ে বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেওয়ার জন্য বিপিসিকে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। একই সঙ্গে সাধারণ জনগণের জন্য জ্বালানি তেলের দাম সহনীয় পর্যায়ে রাখতে যুগোপযোগী ও বাস্তবসম্মত পরিকল্পনা প্রণয়নের সুপারিশ করেছে কমিটি।
আজ মঙ্গলবার (২৯ সেপ্টেম্বর) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত সংসদীয় কমিটির বৈঠকে এসব বিষয়ে আলোচনা হয়। বৈঠক শেষে সংসদ সচিবালয়ের এক বিজ্ঞপ্তিতে তথ্যটি নিশ্চিত করা হয়েছে।
কমিটির সভাপতি ও সংসদের চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই বৈঠকে বর্তমান সরকারের দায়িত্ব নেওয়ার পর ঘটে যাওয়া জ্বালানি সংকটের কারণ ব্যাখ্যা করতে বলা হয়। বিশেষ করে, গত এপ্রিলে সরবরাহ ব্যবস্থার তেমন বড় কোনো পরিবর্তন না হওয়া সত্ত্বেও কেবল দাম বাড়ানোর পর কীভাবে পাম্পগুলোর জ্বালানি সংকট কেটে গেল—সে বিষয়ে বিপিসির দেওয়া তাৎক্ষণিক ব্যাখ্যায় সন্তুষ্ট না হয়ে কমিটি পরবর্তী বৈঠকে সুনির্দিষ্ট ও বিস্তারিত তথ্য জমা দেওয়ার তাগিদ দিয়েছে।
বৈঠকে বিপিসির পক্ষ থেকে মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে তেলের মূল্যবৃদ্ধির সংকট তুলে ধরা হয়। এ পরিস্থিতি সামাল দিতে বিপিসি বেশ কয়েকটি বড় প্রস্তাব পেশ করে। এর মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো—
বিশ্ববাজারে দর বাড়লে গ্রাহকপর্যায়ে সহনীয় দাম বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় সরকারি ভর্তুকি দেওয়া।
সাময়িকভাবে জ্বালানি তেল আমদানিতে ইনভয়েস ভ্যালুর বদলে আগের মতো ট্যারিফ ভ্যালুর ভিত্তিতে শুল্ক-কর পুনর্নির্ধারণ বা হ্রাস করা।
দীর্ঘমেয়াদে বাজারের ওঠানামা সামলাতে ‘ফুয়েল স্ট্যাবিলাইজেশন ফান্ড’ গঠন করা।
যেকোনো আপৎকালীন পরিস্থিতি মোকাবিলায় দেশে টানা ৯০ দিনের জ্বালানি মজুত সক্ষমতা নিশ্চিত করা।
চিফ হুইপ নূরুল ইসলাম মনির সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এ গুরুত্বপূর্ণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন কমিটির সদস্য ও হুইপ মিঞা নুরুদ্দিন আহমেদ অপু, হুইপ মো. আখতারুজ্জামান মিয়া, মোছা. তাহসিনা রুশদীর, খোন্দকার আবু আশফাক, মোহাম্মদ কয়ছর আহমেদ, বিশ্বাস জাহাঙ্গীর আলম, মো. মুস্তাফিজুর রহমান ভূঁইয়া এবং মোহাম্মদ নাজিবুর রহমান।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন