ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় ৮ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
র্যাব জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় একটি অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে গ্যারেজ মালিককে মারধরের প্রতিবাদ করেন এসআই আলতাফ হোসেন। এ সময় হামলাকারীদের সঙ্গে তাঁর ও তাঁর ছেলে আরিফুলের বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা আরও কয়েকজনকে ডেকে এনে একটি পোশাক কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে এসআই আলতাফ হোসেন ও তাঁর ছেলেকে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরপর গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় চার অভিযুক্ত—আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ ও ইমরানকে গ্রেফতার করে র্যাব-১০।
একই ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমিনবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত—নূর মোহাম্মদ রুদ্র, রাকিব মিয়া, ছাব্বির আহম্মেদ ও মোঃ ওয়াসিমকে গ্রেফতার করে র্যাব-৪।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঢাকার সাভারের আমিনবাজারে পুলিশের বিশেষ শাখার এসআই আলতাফ হোসেনকে পিটিয়ে হত্যার ঘটনায় এজাহারনামীয় ৮ অভিযুক্তকে গ্রেফতার করেছে র্যাব।
র্যাব জানায়, গত ৫ সেপ্টেম্বর রাতে আমিনবাজারের বরদেশী এলাকায় একটি অটোরিকশা রাখাকে কেন্দ্র করে গ্যারেজ মালিককে মারধরের প্রতিবাদ করেন এসআই আলতাফ হোসেন। এ সময় হামলাকারীদের সঙ্গে তাঁর ও তাঁর ছেলে আরিফুলের বাকবিতণ্ডা হয়।
একপর্যায়ে অভিযুক্তরা আরও কয়েকজনকে ডেকে এনে একটি পোশাক কারখানার ভেতরে প্রবেশ করে এসআই আলতাফ হোসেন ও তাঁর ছেলেকে লাঠিসোটা ও দেশীয় অস্ত্র দিয়ে মারধর করে। গুরুতর আহত অবস্থায় তাঁদের উদ্ধার করে শহীদ সোহরাওয়ার্দী মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নেওয়া হলে চিকিৎসক এসআই আলতাফ হোসেনকে মৃত ঘোষণা করেন।
এ ঘটনায় নিহতের স্ত্রী বাদী হয়ে সাভার মডেল থানায় ১৫ জনের নাম উল্লেখসহ অজ্ঞাতনামা ব্যক্তিদের বিরুদ্ধে হত্যা মামলা দায়ের করেন।
এরপর গত ৬ সেপ্টেম্বর রাতে মুন্সীগঞ্জ সদর থানার লঞ্চঘাট এলাকায় অভিযান চালিয়ে মামলার এজাহারনামীয় চার অভিযুক্ত—আলাউদ্দিন, আপন, জিহাদ ও ইমরানকে গ্রেফতার করে র্যাব-১০।
একই ঘটনায় তথ্যপ্রযুক্তির সহায়তা ও গোপন সংবাদের ভিত্তিতে আমিনবাজার এলাকায় অভিযান চালিয়ে আরও চার এজাহারনামীয় অভিযুক্ত—নূর মোহাম্মদ রুদ্র, রাকিব মিয়া, ছাব্বির আহম্মেদ ও মোঃ ওয়াসিমকে গ্রেফতার করে র্যাব-৪।
র্যাব জানিয়েছে, গ্রেফতারকৃতদের সংশ্লিষ্ট থানায় হস্তান্তরের প্রক্রিয়া চলছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন