সৌদি আরবের মদিনা শহরের মসজিদগুলোতে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশটির ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ এ অনুমোদন দিয়েছেন।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মদিনার বিভিন্ন মসজিদে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় নারীদের জন্য নির্ধারিত স্থান খোলা থাকবে। ঐতিহাসিক মসজিদের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ও বড় মসজিদও এ ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।
এর আগে মদিনার অনেক মসজিদে নারীদের নামাজের স্থান শুধু জুমা, তারাবিহ ও ঈদের নামাজ কিংবা ব্যস্ত মৌসুমে খোলা রাখা হতো। বছরের অন্যান্য সময়ে এসব স্থান বন্ধ থাকত। নতুন ব্যবস্থায় এখন থেকে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সময়ই নারীরা নির্ধারিত স্থানে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তের ফলে মদিনায় কেনাকাটা, চাকরি, ভ্রমণসহ বিভিন্ন কাজে বাইরে থাকা নারীদের নামাজের সময় বাড়িতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।
তবে মসজিদে নববী এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ছে না। সেখানে আগে থেকেই নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।
নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় নারী মাঠকর্মীরাও দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ঐতিহাসিক মসজিদগুলোতে নারীদের নামাজের স্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য ১১৫ জন নারীকে মসজিদ পরিদর্শক ও নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সৌদি আরবের মদিনা শহরের মসজিদগুলোতে নারীদের জন্য পৃথক নামাজের স্থান চালুর অনুমোদন দেওয়া হয়েছে। দেশটির ইসলামবিষয়ক মন্ত্রী শেখ ড. আবদুল লতিফ আল-শেখ এ অনুমোদন দিয়েছেন।
নতুন সিদ্ধান্ত অনুযায়ী, মদিনার বিভিন্ন মসজিদে প্রতিদিন পাঁচ ওয়াক্ত নামাজের সময় নারীদের জন্য নির্ধারিত স্থান খোলা থাকবে। ঐতিহাসিক মসজিদের পাশাপাশি শহরের বিভিন্ন এলাকার সাধারণ ও বড় মসজিদও এ ব্যবস্থার আওতায় থাকবে।
এর আগে মদিনার অনেক মসজিদে নারীদের নামাজের স্থান শুধু জুমা, তারাবিহ ও ঈদের নামাজ কিংবা ব্যস্ত মৌসুমে খোলা রাখা হতো। বছরের অন্যান্য সময়ে এসব স্থান বন্ধ থাকত। নতুন ব্যবস্থায় এখন থেকে পাঁচ ওয়াক্ত ফরজ নামাজের সময়ই নারীরা নির্ধারিত স্থানে নামাজ আদায় করতে পারবেন।
সৌদি কর্তৃপক্ষের এ সিদ্ধান্তের ফলে মদিনায় কেনাকাটা, চাকরি, ভ্রমণসহ বিভিন্ন কাজে বাইরে থাকা নারীদের নামাজের সময় বাড়িতে ফিরে যাওয়ার প্রয়োজন হবে না।
তবে মসজিদে নববী এ সিদ্ধান্তের আওতায় পড়ছে না। সেখানে আগে থেকেই নারীদের জন্য পৃথক নামাজের ব্যবস্থা রয়েছে।
নারীদের জন্য নির্ধারিত নামাজের স্থানগুলোর ব্যবস্থাপনা ও পরিচালনায় নারী মাঠকর্মীরাও দায়িত্ব পালন করছেন। পাশাপাশি ঐতিহাসিক মসজিদগুলোতে নারীদের নামাজের স্থান ও নিরাপত্তা ব্যবস্থাপনার জন্য ১১৫ জন নারীকে মসজিদ পরিদর্শক ও নিরাপত্তাকর্মী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়েছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন