দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হকের কুমিল্লায় থাকা ১৮টি জমি ও দুটি টয়োটা গাড়ি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহার করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. মুজিবুল হক ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে ও অসৎ উদ্দেশ্যে ৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৫১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দুদক জানায়, মামলার তদন্তকালে নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামির নামে থাকা এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাতের চেষ্টা করার বিষয়টি সামনে এসেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মামলা নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা হলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সম্পদগুলো জব্দ ও ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ রাখার আবেদন করা হয়।
আদালত শুনানি শেষে দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে সংশ্লিষ্ট সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৩ সেপ্টেম্বর ২০২৬
দুর্নীতির অভিযোগে সাবেক রেলমন্ত্রী মো. মুজিবুল হকের কুমিল্লায় থাকা ১৮টি জমি ও দুটি টয়োটা গাড়ি জব্দের আদেশ দিয়েছেন আদালত। একই সঙ্গে তার নামে থাকা ছয়টি ব্যাংক হিসাব অবরুদ্ধ (ফ্রিজ) করার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
বৃহস্পতিবার ঢাকার মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ মো. শাহজাহান কবিরের আদালত দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) সহকারী পরিচালক পাপন কুমার সাহার করা আবেদনের পরিপ্রেক্ষিতে এ আদেশ দেন।
দুদকের আবেদনে বলা হয়, রেলপথ মন্ত্রণালয়ের সাবেক মন্ত্রী ও সংসদ সদস্য হিসেবে দায়িত্ব পালনকালে মো. মুজিবুল হক ক্ষমতার অপব্যবহার করে পরস্পর যোগসাজশে ও অসৎ উদ্দেশ্যে ৭ কোটি ৩৯ লাখ ৪১ হাজার ৩৫১ টাকার জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জন করে ভোগদখলে রেখেছেন বলে অভিযোগ রয়েছে।
এ অভিযোগে তার বিরুদ্ধে দুর্নীতি দমন কমিশন আইন, ২০০৪-এর ২৭(১) ধারা এবং দুর্নীতি প্রতিরোধ আইন, ১৯৪৭-এর ৫(২) ধারায় মামলা করা হয়েছে বলে আবেদনে উল্লেখ করা হয়।
দুদক জানায়, মামলার তদন্তকালে নথিপত্র পর্যালোচনায় আসামির নামে থাকা এবং তার স্বার্থসংশ্লিষ্ট স্থাবর-অস্থাবর সম্পদ অন্যত্র হস্তান্তর, স্থানান্তর বা বেহাতের চেষ্টা করার বিষয়টি সামনে এসেছে।
আবেদনে আরও বলা হয়, মামলা নিষ্পত্তির আগে এসব সম্পদ হস্তান্তর বা স্থানান্তর করা হলে রাষ্ট্রের আর্থিক ক্ষতির আশঙ্কা রয়েছে। এ কারণে সম্পদগুলো জব্দ ও ব্যাংক হিসাবগুলো অবরুদ্ধ রাখার আবেদন করা হয়।
আদালত শুনানি শেষে দুদকের আবেদন মঞ্জুর করে সংশ্লিষ্ট সম্পদ ও ব্যাংক হিসাবের বিষয়ে প্রয়োজনীয় আদেশ দেন।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন