অক্টোবরে নয়, এক মাস পিছিয়ে নভেম্বরে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কিছু পৌরসভাকেও প্রথম ধাপে রাখা হতে পারে, তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কে ভোট আয়োজনের জন্য তুলনামূলকভাবে উপযোগী মনে করছে কমিশন। তবে দুর্গাপূজা, রমজান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আবহাওয়া ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোটের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, ভোটের অন্তত ৪৫ দিন আগে তপশিল ঘোষণা করা হবে। এর আগে অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রস্তুতি চললেও বর্তমানে নভেম্বরকে ভোট শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ স্তরের নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে। এসব নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাজেটে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছে ইসি। মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ভোটের তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশনই। তবে আবহাওয়া, বন্যা, পূজা, পাবলিক পরীক্ষা ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের বিষয়সহ সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আইন ও বিধিমালা সংশোধনের বিষয়গুলো ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রায় সব প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি ভোটার তালিকাও চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৩২৬টি পৌরসভা, ৫০০ উপজেলা, ৬১টি জেলা পরিষদ এবং ১৩টি সিটি করপোরেশন রয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৬ আগস্ট ২০২৬
অক্টোবরে নয়, এক মাস পিছিয়ে নভেম্বরে শুরু হতে পারে স্থানীয় সরকার নির্বাচন। নির্বাচন কমিশনের (ইসি) নতুন পরিকল্পনা অনুযায়ী, ধাপে ধাপে অনুষ্ঠিত হতে যাওয়া এ নির্বাচনের প্রথম ধাপে ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) ভোট আয়োজনের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। একই সঙ্গে কিছু পৌরসভাকেও প্রথম ধাপে রাখা হতে পারে, তবে এ বিষয়ে এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি।
নির্বাচন কমিশনার আব্দুর রহমানেল মাছউদ জানিয়েছেন, নভেম্বর থেকে ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত সময়কে ভোট আয়োজনের জন্য তুলনামূলকভাবে উপযোগী মনে করছে কমিশন। তবে দুর্গাপূজা, রমজান, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের পরীক্ষা, আবহাওয়া ও অন্যান্য বিষয় বিবেচনায় নিয়ে ভোটের সময়সূচি চূড়ান্ত করা হবে।
ইসি সূত্র জানিয়েছে, ভোটের অন্তত ৪৫ দিন আগে তপশিল ঘোষণা করা হবে। এর আগে অক্টোবরকে সামনে রেখে প্রস্তুতি চললেও বর্তমানে নভেম্বরকে ভোট শুরুর সম্ভাব্য সময় হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে।
স্থানীয় সরকার মন্ত্রণালয়ও জানিয়েছে, চলতি অর্থবছরের মধ্যেই ইউনিয়ন পরিষদ, উপজেলা পরিষদ, জেলা পরিষদ, পৌরসভা ও সিটি করপোরেশন—এই পাঁচ স্তরের নির্বাচন আয়োজনের লক্ষ্য রয়েছে। এসব নির্বাচন পরিচালনার জন্য বাজেটে প্রায় ৬ হাজার কোটি টাকা বরাদ্দ রাখা হয়েছে।
এদিকে স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রস্তুতি নিয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর শীর্ষ কর্মকর্তাদের সঙ্গেও বৈঠক করেছে ইসি। মাঠপর্যায়ের নিরাপত্তা পরিস্থিতি, ভোটকেন্দ্র ও প্রয়োজনীয় জনবল নিয়ে প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
প্রধান নির্বাচন কমিশনার এ এম এম নাসির উদ্দিন জানিয়েছেন, ভোটের তারিখ নির্ধারণ করবে নির্বাচন কমিশনই। তবে আবহাওয়া, বন্যা, পূজা, পাবলিক পরীক্ষা ও ভোটগ্রহণ কর্মকর্তাদের বিষয়সহ সামগ্রিক পরিস্থিতি বিবেচনায় নেওয়া হবে।
ইসি কর্মকর্তারা জানান, আইন ও বিধিমালা সংশোধনের বিষয়গুলো ছাড়া স্থানীয় সরকার নির্বাচনের প্রায় সব প্রস্তুতি এগিয়ে নেওয়া হয়েছে। সম্ভাব্য ভোটকেন্দ্রের তালিকা প্রকাশের পাশাপাশি ভোটার তালিকাও চূড়ান্ত করার কাজ চলছে।
দেশে বর্তমানে ৪ হাজার ৫৭৩টি ইউনিয়ন পরিষদ, ৩২৬টি পৌরসভা, ৫০০ উপজেলা, ৬১টি জেলা পরিষদ এবং ১৩টি সিটি করপোরেশন রয়েছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন