বহুল আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হতে যাচ্ছে হাইকোর্টে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই দিনের কার্যতালিকায় মামলাটি ২২ নম্বরে রাখা হয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, ফেনীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি এবং মাগুরার শিমু আছিয়া হত্যা মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর রামিসা হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হতে পারে।
এর আগে একই বেঞ্চ মামলার দুই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে গত ২৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা এবং তাকে সহযোগিতার অভিযোগে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
মামলার বিচার শেষে ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল দুজনকেই মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ের পর থেকে তারা কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন। একই সঙ্গে দণ্ডের বিরুদ্ধে তারা জেল আপিলও করেছেন।
এখন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৪ আগস্ট ২০২৬
বহুল আলোচিত শিশু রামিসা ধর্ষণ ও হত্যা মামলার ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানি শুরু হতে যাচ্ছে হাইকোর্টে। প্রধান বিচারপতির নির্দেশে মামলাটি শুনানির জন্য বিশেষ বেঞ্চে পাঠানো হয়েছে।
বিচারপতি ভীষ্মদেব চক্রবর্তী ও বিচারপতি কেএম রাশেদুজ্জামান রাজার সমন্বয়ে গঠিত হাইকোর্টের দ্বৈত বেঞ্চে আগামী রোববার (১৬ আগস্ট) মামলাটির শুনানি হওয়ার কথা রয়েছে। ওই দিনের কার্যতালিকায় মামলাটি ২২ নম্বরে রাখা হয়েছে।
অ্যাটর্নি জেনারেল রুহুল কুদ্দুস কাজল জানিয়েছেন, ফেনীর আলোচিত নুসরাত জাহান রাফি এবং মাগুরার শিমু আছিয়া হত্যা মামলার শুনানি শেষ হওয়ার পর রামিসা হত্যা মামলার আনুষ্ঠানিক শুনানি শুরু হতে পারে।
এর আগে একই বেঞ্চ মামলার দুই মৃত্যুদণ্ডপ্রাপ্ত আসামির পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী নিয়োগের জন্য সলিসিটরকে নির্দেশ দিয়েছিলেন। পরে গত ২৫ জুন সুপ্রিম কোর্টের আইনজীবী হাফিজুর রহমান খানকে সোহেল রানা ও তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারের পক্ষে রাষ্ট্রনিযুক্ত আইনজীবী হিসেবে নিয়োগ দেওয়া হয়।
মামলার নথি অনুযায়ী, গত ১৯ মে শিশু রামিসাকে ধর্ষণের পর হত্যা করা হয়। এ ঘটনায় প্রধান অভিযুক্ত সোহেল রানা এবং তাকে সহযোগিতার অভিযোগে তার স্ত্রী স্বপ্না আক্তারকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়।
মামলার বিচার শেষে ঢাকার শিশু অপরাধ দমন ট্রাইব্যুনাল দুজনকেই মৃত্যুদণ্ড দেন। রায়ের পর থেকে তারা কারাগারের কনডেম সেলে রয়েছেন। একই সঙ্গে দণ্ডের বিরুদ্ধে তারা জেল আপিলও করেছেন।
এখন হাইকোর্টের বিশেষ বেঞ্চে ডেথ রেফারেন্স ও আপিলের শুনানির দিকে নজর রয়েছে সংশ্লিষ্টদের।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন