গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখনো চূড়ান্ত চুক্তি না হলেও খুব শিগগিরই দুই দেশ একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্টে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যকার আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। আমরা আশা করছি দ্রুতই একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।” ওমানের মধ্যস্থতায় এই সংবেদনশীল নৌপথে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।
রুবিও জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইতোমধ্যে কিছু বাণিজ্যিক ও তেলের জাহাজ নিরাপদে যাতায়াত করছে। প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধ নয়, তবে নিরাপদ চলাচল বাড়াতেই এই চুক্তি প্রয়োজন।
হরমুজ প্রণালিতে আগের মতো স্বাভাবিক গতি ফেরাতে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় একটি খসড়া রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে। পাকিস্তান সরকার এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানসহ আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে জোর কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।
সংবাদ সম্মেলনে হরমুজের পাশাপাশি লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তার বিষয়েও উদ্বেগ জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের বন্দর সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলার হুমকি দেওয়ায় এই আন্তর্জাতিক রুটটি নিয়েও তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আসল মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ও স্থায়ীভাবে বন্ধে একটি বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আসা।
অন্যদিকে, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে খুব দ্রুত বা মঙ্গল-বুধবারের মধ্যেই উভয় দেশের মধ্যে এই চুক্তি সই সম্পন্ন হতে পারে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
গুরুত্বপূর্ণ কৌশলগত নৌপথ হরমুজ প্রণালি নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের মধ্যে আলোচনার উল্লেখযোগ্য অগ্রগতি হয়েছে। এখনো চূড়ান্ত চুক্তি না হলেও খুব শিগগিরই দুই দেশ একটি সমঝোতায় পৌঁছাবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী মার্কো রুবিও।
মঙ্গলবার (৪ আগস্ট) ওয়াশিংটনে স্টেট ডিপার্টমেন্টে সাংবাদিকদের সাথে আলাপকালে তিনি এসব তথ্য জানান।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী বলেন, “হরমুজ প্রণালি ইস্যুতে দুই পক্ষের মধ্যকার আলোচনায় ইতিবাচক অগ্রগতি হয়েছে। আমরা আশা করছি দ্রুতই একটি চূড়ান্ত সিদ্ধান্তে পৌঁছানো সম্ভব হবে।” ওমানের মধ্যস্থতায় এই সংবেদনশীল নৌপথে নিরাপদ জাহাজ চলাচলের বিষয়টি নিয়ে ওয়াশিংটন ও তেহরানের মধ্যে কূটনৈতিক আলোচনা চলছে।
রুবিও জানান, হরমুজ প্রণালি দিয়ে ইতোমধ্যে কিছু বাণিজ্যিক ও তেলের জাহাজ নিরাপদে যাতায়াত করছে। প্রণালিটি পুরোপুরি বন্ধ নয়, তবে নিরাপদ চলাচল বাড়াতেই এই চুক্তি প্রয়োজন।
হরমুজ প্রণালিতে আগের মতো স্বাভাবিক গতি ফেরাতে পাকিস্তান ও কাতারের মধ্যস্থতায় একটি খসড়া রূপরেখা তৈরির কাজ চলছে। পাকিস্তান সরকার এ বিষয়ে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানসহ আঞ্চলিক অংশীদারদের সঙ্গে জোর কূটনৈতিক যোগাযোগ বজায় রাখছে।
সংবাদ সম্মেলনে হরমুজের পাশাপাশি লোহিত সাগরের বাব আল-মান্দেব প্রণালির নিরাপত্তার বিষয়েও উদ্বেগ জানান মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী। ইয়েমেনের হুথি গোষ্ঠী সৌদি আরবের বন্দর সংশ্লিষ্ট জাহাজে হামলার হুমকি দেওয়ায় এই আন্তর্জাতিক রুটটি নিয়েও তৈরি হয়েছে শঙ্কা।
মার্কিন পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করেছেন, হরমুজ প্রণালি নিয়ে চুক্তির পাশাপাশি যুক্তরাষ্ট্রের আসল মূল লক্ষ্য হলো ইরানের পারমাণবিক কর্মসূচি পুরোপুরি ও স্থায়ীভাবে বন্ধে একটি বড় ধরনের দীর্ঘমেয়াদি চুক্তিতে আসা।
অন্যদিকে, মার্কিন অর্থমন্ত্রী স্কট বেসেন্ট ইঙ্গিত দিয়েছেন যে খুব দ্রুত বা মঙ্গল-বুধবারের মধ্যেই উভয় দেশের মধ্যে এই চুক্তি সই সম্পন্ন হতে পারে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন