রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকার শাহ আলী কাঁচাবাজারে অভিযান চালিয়ে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ জেলি মেশানো ৪০ কেজি চিংড়ি জব্দ ও ধ্বংস করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই অভিযানে অসুস্থ খাসির কলিজাও জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিএফএসএর নেতৃত্বে পরিচালিত এ সমন্বিত অভিযানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে মাছ, মাংস, মুরগি, শাক-সবজি ও মুদি দোকান পরিদর্শন করা হয়। এ সময় কয়েকটি দোকানে চিংড়ির ওজন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ক্ষতিকর জেলি পুশ করে বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ৪০ কেজি চিংড়ি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া একটি দোকানে বিক্রির জন্য রাখা অসুস্থ খাসির কলিজা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে শনাক্ত হলে সেটিও জব্দ করে নষ্ট করা হয়।
অভিযানে আরও দেখা যায়, অধিকাংশ মাছ, মাংস ও সবজির দোকানে পণ্যের মূল্যতালিকা টানানো হয়নি। পাশাপাশি কয়েকটি মাছ ও মাংসের দোকানে লাল রঙের আলো ব্যবহার করা হচ্ছিল, যা ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করতে পারে। এসব লাইট তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাজারের মালিক সমিতিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব অনিয়ম সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী অভিযানে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক বি. এম. রুহুল আমিন রিমন। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ সময় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ জুলাই ২০২৬
রাজধানীর মিরপুর-১ এলাকার শাহ আলী কাঁচাবাজারে অভিযান চালিয়ে মানবস্বাস্থ্যের জন্য ঝুঁকিপূর্ণ জেলি মেশানো ৪০ কেজি চিংড়ি জব্দ ও ধ্বংস করেছে বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষ (বিএফএসএ)। একই অভিযানে অসুস্থ খাসির কলিজাও জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
মঙ্গলবার (২৮ জুলাই) বিএফএসএর নেতৃত্বে পরিচালিত এ সমন্বিত অভিযানে কৃষি বিপণন অধিদপ্তর, ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন, কৃষি সম্প্রসারণ অধিদপ্তর, মৎস্য অধিদপ্তর এবং প্রাণিসম্পদ অধিদপ্তরের কর্মকর্তারা অংশ নেন।
অভিযান চলাকালে মাছ, মাংস, মুরগি, শাক-সবজি ও মুদি দোকান পরিদর্শন করা হয়। এ সময় কয়েকটি দোকানে চিংড়ির ওজন বাড়ানোর উদ্দেশ্যে ক্ষতিকর জেলি পুশ করে বিক্রির প্রমাণ পাওয়া যায়। পরে ৪০ কেজি চিংড়ি তাৎক্ষণিকভাবে জব্দ করে ধ্বংস করা হয়।
এছাড়া একটি দোকানে বিক্রির জন্য রাখা অসুস্থ খাসির কলিজা পরীক্ষা-নিরীক্ষার মাধ্যমে অস্বাস্থ্যকর হিসেবে শনাক্ত হলে সেটিও জব্দ করে নষ্ট করা হয়।
অভিযানে আরও দেখা যায়, অধিকাংশ মাছ, মাংস ও সবজির দোকানে পণ্যের মূল্যতালিকা টানানো হয়নি। পাশাপাশি কয়েকটি মাছ ও মাংসের দোকানে লাল রঙের আলো ব্যবহার করা হচ্ছিল, যা ক্রেতাদের বিভ্রান্ত করতে পারে। এসব লাইট তাৎক্ষণিকভাবে অপসারণের নির্দেশ দেওয়া হয়।
বাজারের মালিক সমিতিকে আগামী ৩০ দিনের মধ্যে এসব অনিয়ম সংশোধনের নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে নির্দেশনা বাস্তবায়ন না হলে পরবর্তী অভিযানে সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী কঠোর ব্যবস্থা নেওয়া হবে বলেও সতর্ক করা হয়েছে।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের উপপরিচালক বি. এম. রুহুল আমিন রিমন। তিনি বলেন, জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় বিভিন্ন সরকারি সংস্থার সমন্বয়ে নিয়মিত এ ধরনের অভিযান পরিচালনা করা হচ্ছে এবং ভবিষ্যতেও এ কার্যক্রম অব্যাহত থাকবে।
এ সময় বাংলাদেশ নিরাপদ খাদ্য কর্তৃপক্ষের এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট অনুপম দাস অনুপসহ সংশ্লিষ্ট দপ্তরের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন