ভারতের রাজধানী দিল্লিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সংসদ ভবনের উদ্দেশে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (২০ জুলাই) গভীর রাতে দেওয়া এক বক্তব্যে অভিজিৎ দিপকে বলেন, মঙ্গলবারও ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি পালিত হবে এবং আন্দোলনকারীরা যন্তর মন্তরের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরে যাবেন না।
এর আগে সোমবার দিনভর যন্তর মন্তর ও সংসদ ভবনের আশপাশে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সকালেই পুলিশ আন্দোলনকারীদের তৈরি করা মঞ্চ সরিয়ে দিলে সিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা নতুন করে তাঁবু ও অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি, ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। একই দাবিতে এর আগে শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন শুরু করেছিলেন। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সোমবার বৃষ্টির মধ্যেও আন্দোলন থেমে থাকেনি। বিক্ষোভকারীরা মানবশৃঙ্খল গড়ে স্লোগান দেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। সিজেপির নেতারা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিন ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে হাজারো মানুষ অংশ নেন। সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের দাবি, কিছু বিক্ষোভকারী পাথর নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া ও লাঠিচার্জ করা হয়। তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ অযৌক্তিকভাবে বলপ্রয়োগ করেছে।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে তাদের ১১৮ জনের বেশি সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একাধিক এফআইআর দায়েরের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও পরীক্ষা করে তদন্ত চলছে।
এদিকে আন্দোলন ঘিরে সরকারের পক্ষ থেকেও আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার সিজেপির প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা তিন দফা দাবি সম্বলিত একটি লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন।
মঙ্গলবারের পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। যন্তর মন্তর ও সংসদ ভবন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি প্রয়োজনে নতুন ব্যারিকেড স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
অভিজিৎ দিপকের নতুন কর্মসূচির ঘোষণার পর রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে প্রশাসন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ জুলাই ২০২৬
ভারতের রাজধানী দিল্লিতে টানা দ্বিতীয় দিনের মতো সংসদ ভবনের উদ্দেশে পদযাত্রার ঘোষণা দিয়েছে ককরোচ জনতা পার্টি (সিজেপি)। দলটির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দিপকে জানিয়েছেন, দাবি আদায় না হওয়া পর্যন্ত আন্দোলন ও যন্তর মন্তরে অবস্থান কর্মসূচি অব্যাহত থাকবে।
সোমবার (২০ জুলাই) গভীর রাতে দেওয়া এক বক্তব্যে অভিজিৎ দিপকে বলেন, মঙ্গলবারও ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচি পালিত হবে এবং আন্দোলনকারীরা যন্তর মন্তরের অবস্থান কর্মসূচি থেকে সরে যাবেন না।
এর আগে সোমবার দিনভর যন্তর মন্তর ও সংসদ ভবনের আশপাশে বিক্ষোভকারীদের সঙ্গে দিল্লি পুলিশের দফায় দফায় সংঘর্ষ হয়। সকালেই পুলিশ আন্দোলনকারীদের তৈরি করা মঞ্চ সরিয়ে দিলে সিজেপির কর্মী-সমর্থকেরা নতুন করে তাঁবু ও অস্থায়ী মঞ্চ নির্মাণ করে বিক্ষোভ চালিয়ে যান।
আন্দোলনকারীদের প্রধান দাবি, ভারতের কেন্দ্রীয় শিক্ষামন্ত্রী ধর্মেন্দ্র প্রধানের পদত্যাগ। একই দাবিতে এর আগে শিক্ষাবিদ ও সমাজকর্মী সোনম ওয়াংচুক অনশন শুরু করেছিলেন। পরে তাকে পুলিশ হেফাজতে নিয়ে সফদরজং হাসপাতালে ভর্তি করা হয়।
সোমবার বৃষ্টির মধ্যেও আন্দোলন থেমে থাকেনি। বিক্ষোভকারীরা মানবশৃঙ্খল গড়ে স্লোগান দেন এবং আন্দোলন চালিয়ে যাওয়ার ঘোষণা দেন। সিজেপির নেতারা বলেন, শিক্ষামন্ত্রী পদত্যাগ না করা পর্যন্ত আন্দোলন অব্যাহত থাকবে।
সংসদের বর্ষাকালীন অধিবেশনের প্রথম দিন ‘সংসদ চলো’ কর্মসূচিতে হাজারো মানুষ অংশ নেন। সংসদ ভবনের দিকে অগ্রসর হওয়ার চেষ্টা করলে পুলিশের সঙ্গে সংঘর্ষ বাধে। পুলিশের দাবি, কিছু বিক্ষোভকারী পাথর নিক্ষেপ করলে পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে কাঁদানে গ্যাস ছোড়া ও লাঠিচার্জ করা হয়। তবে আন্দোলনকারীদের অভিযোগ, পুলিশ অযৌক্তিকভাবে বলপ্রয়োগ করেছে।
দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, সংঘর্ষে তাদের ১১৮ জনের বেশি সদস্য আহত হয়েছেন। এ ঘটনায় একাধিক এফআইআর দায়েরের পাশাপাশি সিসিটিভি ফুটেজ ও বিভিন্ন ভিডিও পরীক্ষা করে তদন্ত চলছে।
এদিকে আন্দোলন ঘিরে সরকারের পক্ষ থেকেও আলোচনার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। সোমবার সিজেপির প্রতিনিধিরা কেন্দ্রীয় স্বাস্থ্যমন্ত্রী জেপি নাড্ডার সঙ্গে দুই দফা বৈঠক করেন। বৈঠকে তারা তিন দফা দাবি সম্বলিত একটি লিখিত স্মারকলিপি জমা দেন।
মঙ্গলবারের পদযাত্রাকে কেন্দ্র করে দিল্লিজুড়ে নিরাপত্তা আরও জোরদার করা হয়েছে। যন্তর মন্তর ও সংসদ ভবন এলাকায় অতিরিক্ত পুলিশ মোতায়েনের পাশাপাশি প্রয়োজনে নতুন ব্যারিকেড স্থাপনের প্রস্তুতি নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে দিল্লি পুলিশ।
অভিজিৎ দিপকের নতুন কর্মসূচির ঘোষণার পর রাজধানী দিল্লির পরিস্থিতি কোন দিকে মোড় নেয়, সেদিকে নজর রয়েছে প্রশাসন ও রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন