প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বহুমুখী সেবা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে জানানো হয়েছে, আগামী মাসে এ কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জানানো হয়, প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবায় অগ্রাধিকার নিশ্চিত করাই এই কার্ড চালুর মূল লক্ষ্য।
প্রবাসী কার্ডে যেসব সুবিধা মিলবে:
১.দেশে ও বিদেশে এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহার এবং বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথ সুবিধা।
২.আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিনামূল্যে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ সেবা।
৩.বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়।
৪.গাড়ি বুকিংয়ে সুবিধা এবং নির্দিষ্ট কার্ডধারীদের জন্য এয়ারপোর্ট পিক অ্যান্ড ড্রপ সেবা।
৫.সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী সেবা বুথ ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় ছাড়।
৬.কার্ডধারীর মৃত্যু হলে বিনা খরচে মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা।
৭.প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসন ও বীমা সুবিধা।
৮.জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স ও বিনিয়োগে অগ্রাধিকার।
.রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড, ঋণ সুবিধা, ক্রেডিট স্কোরিং এবং সহজ অর্থ লেনদেন।
১০.এনআইডি, পাসপোর্ট, কনস্যুলার সেবা, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার।
বৈঠকে জানানো হয়, আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করা হবে। প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে। ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসীর হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে কার্ড-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
প্রবাসী বাংলাদেশিদের জন্য বহুমুখী সেবা নিশ্চিত করতে সরকার ‘প্রবাসী কার্ড’ চালুর উদ্যোগ নিয়েছে। প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এক বৈঠকে জানানো হয়েছে, আগামী মাসে এ কার্ডের পরীক্ষামূলক কার্যক্রম শুরু হবে।
শনিবার (১৮ জুলাই) প্রধানমন্ত্রীর কার্যালয়ের চামেলী হলে অনুষ্ঠিত বৈঠকে জানানো হয়, প্রবাসীদের সামাজিক মর্যাদা বৃদ্ধি, আর্থিক অন্তর্ভুক্তি, আন্তর্জাতিক লেনদেন সহজ করা এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সেবায় অগ্রাধিকার নিশ্চিত করাই এই কার্ড চালুর মূল লক্ষ্য।
প্রবাসী কার্ডে যেসব সুবিধা মিলবে:
১.দেশে ও বিদেশে এয়ারপোর্ট লাউঞ্জ ব্যবহার এবং বিশেষ ইমিগ্রেশন বুথ সুবিধা।
২.আন্তর্জাতিক বিমানবন্দরে বিনামূল্যে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট’ সেবা।
৩.বিমান টিকিট ও হোটেল বুকিংয়ে বিশেষ ছাড়।
৪.গাড়ি বুকিংয়ে সুবিধা এবং নির্দিষ্ট কার্ডধারীদের জন্য এয়ারপোর্ট পিক অ্যান্ড ড্রপ সেবা।
৫.সরকারি হাসপাতালে প্রবাসী সেবা বুথ ও বেসরকারি হাসপাতালে চিকিৎসায় ছাড়।
৬.কার্ডধারীর মৃত্যু হলে বিনা খরচে মরদেহ দেশে আনার ব্যবস্থা।
৭.প্রবাসফেরতদের পুনর্বাসন ও বীমা সুবিধা।
৮.জমি রেজিস্ট্রেশন, নামজারি, ইউটিলিটি সংযোগ, লাইসেন্স ও বিনিয়োগে অগ্রাধিকার।
.রেমিট্যান্স রিওয়ার্ড, ঋণ সুবিধা, ক্রেডিট স্কোরিং এবং সহজ অর্থ লেনদেন।
১০.এনআইডি, পাসপোর্ট, কনস্যুলার সেবা, ব্যাংকিংসহ বিভিন্ন সরকারি সেবায় অগ্রাধিকার।
বৈঠকে জানানো হয়, আগস্টের মাঝামাঝি সময়ে প্রবাসী কার্ডের পরীক্ষামূলক উদ্বোধন করা হবে। প্রথম ধাপে রাষ্ট্রায়ত্ত জনতা ব্যাংকের মাধ্যমে প্রবাসী ডেবিট কার্ড ইস্যু করা হবে। ডিসেম্বর ২০২৬-এর মধ্যে ৫০ হাজার এবং আগামী বছরের জুনের মধ্যে ২ লাখ প্রবাসীর হাতে এই কার্ড পৌঁছে দেওয়ার লক্ষ্য নির্ধারণ করা হয়েছে।
এ ছাড়া দ্বিতীয় ধাপে প্রবাসী কল্যাণ ব্যাংকের মাধ্যমে কার্ড-সংক্রান্ত সব কার্যক্রম পরিচালনার পরিকল্পনার কথা জানানো হয়।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন