দেশে হামের সংক্রমণ এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ৭৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
শুক্রবার প্রকাশিত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু না হলেও উপসর্গ নিয়ে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬৮৫ শিশু এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৫ জন। সব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮০।
একই সময়ে নতুন করে ১৪০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৪৪ জন।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭৩ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ১১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৮ হাজার ৬০০ জন। তাদের মধ্যে ৯৫ হাজার ৩১ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
দেশে হামের সংক্রমণ এখনো উদ্বেগজনক পর্যায়ে রয়েছে। গত ২৪ ঘণ্টায় হামের উপসর্গ নিয়ে আরও এক শিশুর মৃত্যু হয়েছে। এর ফলে চলতি বছরের ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হাম ও এর উপসর্গে মোট ৭৮০ শিশুর মৃত্যু হয়েছে বলে জানিয়েছে স্বাস্থ্য অধিদপ্তর।
শুক্রবার প্রকাশিত নিয়মিত সংবাদ বিজ্ঞপ্তিতে জানানো হয়, সর্বশেষ ২৪ ঘণ্টায় নিশ্চিতভাবে হামে আক্রান্ত হয়ে কোনো মৃত্যু না হলেও উপসর্গ নিয়ে একজন শিশুর মৃত্যু হয়েছে।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের তথ্য অনুযায়ী, ১৫ মার্চ থেকে এ পর্যন্ত হামের উপসর্গ নিয়ে মারা গেছে ৬৮৫ শিশু এবং পরীক্ষায় নিশ্চিত হামে আক্রান্ত হয়ে মারা গেছে আরও ৯৫ জন। সব মিলিয়ে মোট মৃত্যুর সংখ্যা দাঁড়িয়েছে ৭৮০।
একই সময়ে নতুন করে ১৪০ জনের শরীরে হাম শনাক্ত হয়েছে। ফলে মোট শনাক্ত রোগীর সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ১৪ হাজার ২৪৪ জন।
এ ছাড়া গত ২৪ ঘণ্টায় আরও ৮৭৩ জনের মধ্যে হামের উপসর্গ দেখা গেছে। ১৫ মার্চ থেকে এখন পর্যন্ত উপসর্গ নিয়ে আক্রান্তের সংখ্যা বেড়ে হয়েছে ১ লাখ ১৬ হাজার ১১ জন।
স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের হিসাবে, এ সময়ের মধ্যে হামের উপসর্গ নিয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন ৯৮ হাজার ৬০০ জন। তাদের মধ্যে ৯৫ হাজার ৩১ জন চিকিৎসা শেষে সুস্থ হয়ে বাড়ি ফিরেছেন।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন