ঝিনাইদহে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা দায়েরের ঘটনায় মামলার বাদী বিউটি খাতুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন বিউটি খাতুন। মামলাটি আদালতে গড়ালে অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়।
পরবর্তীতে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ভিত্তি না পাওয়ায় আদালত ধর্ষণের চেষ্টা সংক্রান্ত মামলাটি খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মামলার বাদী বিউটি খাতুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের এ সিদ্ধান্তের পর স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। জমি-জমা বা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে গুরুতর অভিযোগে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা ও প্রমাণ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মামলা ব্যবহার করা হলে তার আইনগত পরিণতি হতে পারে। তবে মামলার সব পক্ষের বক্তব্য ও আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ পর্যালোচনা করেই ঘটনার চূড়ান্ত আইনি মূল্যায়ন করা উচিত।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
ঝিনাইদহে জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধের জেরে এক যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টা মামলা দায়েরের ঘটনায় মামলার বাদী বিউটি খাতুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দিয়েছেন আদালত।
আদালত সূত্রে জানা গেছে, জমি-জমা সংক্রান্ত বিরোধকে কেন্দ্র করে ওই যুবকের বিরুদ্ধে ধর্ষণের চেষ্টার অভিযোগ এনে মামলা দায়ের করেন বিউটি খাতুন। মামলাটি আদালতে গড়ালে অভিযোগের পক্ষে উপস্থাপিত তথ্য-প্রমাণ পর্যালোচনা করা হয়।
পরবর্তীতে অভিযোগের পক্ষে পর্যাপ্ত ভিত্তি না পাওয়ায় আদালত ধর্ষণের চেষ্টা সংক্রান্ত মামলাটি খারিজ করে দেন। একই সঙ্গে মিথ্যা মামলা দায়েরের অভিযোগে মামলার বাদী বিউটি খাতুনকে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেওয়া হয়।
আদালতের এ সিদ্ধান্তের পর স্থানীয় পর্যায়ে বিষয়টি নিয়ে ব্যাপক আলোচনা সৃষ্টি হয়েছে। জমি-জমা বা ব্যক্তিগত বিরোধের জেরে গুরুতর অভিযোগে মামলা দায়েরের ক্ষেত্রে অভিযোগের সত্যতা ও প্রমাণ যাচাইয়ের প্রয়োজনীয়তার বিষয়টি নতুন করে সামনে এসেছে।
স্থানীয়দের ভাষ্য, কোনো নিরপরাধ ব্যক্তিকে হয়রানি করার উদ্দেশ্যে মামলা ব্যবহার করা হলে তার আইনগত পরিণতি হতে পারে। তবে মামলার সব পক্ষের বক্তব্য ও আদালতের পূর্ণাঙ্গ আদেশ পর্যালোচনা করেই ঘটনার চূড়ান্ত আইনি মূল্যায়ন করা উচিত।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন