পঞ্চগড় সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির এক কিশোরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত কিশোর ও ভুক্তভোগী ছাত্রী একই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। কিশোরটি ষষ্ঠ শ্রেণির এবং ছাত্রীটি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রায় দুই বছর আগে মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে অভিযুক্ত কিশোর ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৭ মে রাতে অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগীর বাড়ির শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন পরিবারের সদস্যরা। এতে তাদের সন্দেহ হলে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে তাকে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পঞ্চগড় শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসা পরীক্ষায় ওই ছাত্রী ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই দিন রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযানে নামে। পরে শনিবার রাতে অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করা হয়। পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর ভাইয়ের দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার পর অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি আইন অনুযায়ী তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ সেপ্টেম্বর ২০২৬
পঞ্চগড় সদর উপজেলার একটি মাদ্রাসার নবম শ্রেণির এক ছাত্রীকে দীর্ঘদিন প্রেমের সম্পর্কের প্রলোভন দেখিয়ে ধর্ষণ করে অন্তঃসত্ত্বা করার অভিযোগ উঠেছে একই মাদ্রাসার ষষ্ঠ শ্রেণির এক কিশোরের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগীর ভাইয়ের দায়ের করা মামলার ভিত্তিতে অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করেছে পুলিশ।
শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) রাতে অভিযান চালিয়ে তাকে আটক করা হয়। পরে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়েছে। রবিবার (৬ সেপ্টেম্বর) বিকেলে পঞ্চগড় জেলা পুলিশের পক্ষ থেকে দেওয়া এক প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে এসব তথ্য জানানো হয়।
মামলার এজাহার ও পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্ত কিশোর ও ভুক্তভোগী ছাত্রী একই মাদ্রাসায় পড়াশোনা করত। কিশোরটি ষষ্ঠ শ্রেণির এবং ছাত্রীটি নবম শ্রেণির শিক্ষার্থী। প্রায় দুই বছর আগে মাদ্রাসায় যাতায়াতের পথে অভিযুক্ত কিশোর ওই ছাত্রীকে প্রেমের প্রস্তাব দিয়ে বিভিন্নভাবে উত্ত্যক্ত করত বলে অভিযোগ করা হয়েছে। একপর্যায়ে তাদের মধ্যে সম্পর্ক গড়ে ওঠে।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই সম্পর্কের সুযোগ নিয়ে অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগীকে বিয়ের প্রতিশ্রুতি দেয়। পরে বিয়ের প্রলোভন দেখিয়ে একাধিকবার তার সঙ্গে শারীরিক সম্পর্ক স্থাপন করে বলে মামলায় উল্লেখ করা হয়েছে।
মামলার বিবরণ অনুযায়ী, গত ৭ মে রাতে অভিযুক্ত কিশোর ভুক্তভোগীর বাড়ির শয়নকক্ষে প্রবেশ করে তাকে জোরপূর্বক ধর্ষণ করে বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
ঘটনার পর কয়েক মাস পেরিয়ে গেলে ভুক্তভোগী ছাত্রীর শারীরিক পরিবর্তন লক্ষ্য করেন পরিবারের সদস্যরা। এতে তাদের সন্দেহ হলে বিষয়টি সম্পর্কে জানতে তাকে শনিবার (৫ সেপ্টেম্বর) পঞ্চগড় শহরের একটি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে নেওয়া হয়। সেখানে আল্ট্রাসনোগ্রাম পরীক্ষা করানো হলে চিকিৎসা পরীক্ষায় ওই ছাত্রী ১৭ সপ্তাহের অন্তঃসত্ত্বা বলে জানা যায়।
বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর স্থানীয় এলাকায় ব্যাপক চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। পরে পরিবারের পক্ষ থেকে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হয়। একই দিন রাতে ভুক্তভোগী ছাত্রীর ভাই বাদী হয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় মামলা দায়ের করেন।
মামলা দায়েরের পর পুলিশ অভিযানে নামে। পরে শনিবার রাতে অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করা হয়। পুলিশি প্রক্রিয়া শেষে তাকে আদালতে সোপর্দ করা হলে আদালতের নির্দেশে কিশোর সংশোধনাগারে পাঠানো হয়।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) মোখলেছুর রহমান বলেন, ভুক্তভোগীর ভাইয়ের দেওয়া এজাহারের ভিত্তিতে নারী ও শিশু নির্যাতন দমন আইনে নিয়মিত মামলা রেকর্ড করা হয়েছে। মামলার পর অভিযুক্ত কিশোরকে আটক করে আদালতে সোপর্দ করা হয়েছে।
পুলিশ জানিয়েছে, অভিযোগের বিষয়টি আইন অনুযায়ী তদন্ত করে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন