ঢাকার কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন-সংরক্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সিনিয়র সহকারী সচিব ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ উল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ঢাকা জেলা কার্যালয়ের খ-সার্কেলের সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযানকালে কেরানীগঞ্জের মনু বেপারীর ঢাল এলাকা থেকে হৃদয় (২২) ও রুবেল মিয়া (৩৬) নামের দুজনকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।
এ ছাড়া কদমতলী এলাকায় গাঁজা সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে ফয়সাল (২৬), সজীব (২৯) ও সোহেল মিয়া (৫০) নামের আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্তদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযানকালে ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। মাদক সেবন, বহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শাস্তির কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান, প্রচারাভিযান, সভা ও সেমিনারের পাশাপাশি টাস্কফোর্সের অভিযান কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। প্রশাসন, র্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করলে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, কেরানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
ঢাকার কেরানীগঞ্জে মাদকবিরোধী টাস্কফোর্সের পৃথক অভিযানে ইয়াবা ও গাঁজা সেবন-সংরক্ষণের অভিযোগে পাঁচজনকে আটক করা হয়েছে। পরে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সিনিয়র সহকারী সচিব ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস এবং সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাজিদ উল ইসলামের নেতৃত্বে এ অভিযান পরিচালনা করা হয়। অভিযানে পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তরের (ডিএনসি) ঢাকা জেলা কার্যালয়ের খ-সার্কেলের সদস্যরা অংশ নেন।
অভিযানকালে কেরানীগঞ্জের মনু বেপারীর ঢাল এলাকা থেকে হৃদয় (২২) ও রুবেল মিয়া (৩৬) নামের দুজনকে ইয়াবা ট্যাবলেটসহ আটক করা হয়।
এ ছাড়া কদমতলী এলাকায় গাঁজা সেবন ও সংরক্ষণের অভিযোগে ফয়সাল (২৬), সজীব (২৯) ও সোহেল মিয়া (৫০) নামের আরও তিনজনকে আটক করা হয়।
অভিযান শেষে আটক ব্যক্তিদের ভ্রাম্যমাণ আদালতে হাজির করা হলে এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস তাদের বিভিন্ন মেয়াদে কারাদণ্ড ও অর্থদণ্ড দেন। পরে দণ্ডপ্রাপ্তদের ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারে পাঠানো হয়।
অভিযানকালে ম্যাজিস্ট্রেট মিল্টন বিশ্বাস বলেন, মাদকের বিরুদ্ধে প্রশাসনের ‘জিরো টলারেন্স’ নীতি অব্যাহত রয়েছে। মাদক নির্মূলে অভিযান আরও জোরদার করা হবে। মাদক সেবন, বহন ও বিক্রির সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়ার পাশাপাশি ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে তাৎক্ষণিক শাস্তির কার্যক্রমও চালানো হচ্ছে।
কেরানীগঞ্জ উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা মো. উমর ফারুক বলেন, মাদকবিরোধী অভিযান, প্রচারাভিযান, সভা ও সেমিনারের পাশাপাশি টাস্কফোর্সের অভিযান কার্যক্রমকে আরও গতিশীল করবে। প্রশাসন, র্যাব, পুলিশ ও মাদকদ্রব্য নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর সমন্বিতভাবে কাজ করলে মাদক ব্যবসায়ী ও সেবীদের দ্রুত আইনের আওতায় আনা সম্ভব হবে।
তিনি জানান, কেরানীগঞ্জে টাস্কফোর্সের মাদকবিরোধী অভিযান নিয়মিতভাবে অব্যাহত থাকবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন