সোহাগ হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত চকবাজার থানা ছাত্রদলের সদস্যসচিব অপু দাস আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। তবে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন অপু দাস। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠান।
এদিকে, এ মামলায় অপু দাসকে রিমান্ডে না নিয়ে সরাসরি কারাগারে পাঠানোয় প্রশ্ন তুলেছে বাদীপক্ষ। বাদীপক্ষের আইনজীবীর দাবি, মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে—এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অপু দাসের কাছে রয়েছে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সোহাগ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
এ ছাড়া অপু দাসের বিরুদ্ধে এলাকায় নীরবে চাঁদাবাজি, দোকান দখল, ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের ধরে নিয়ে অর্থ আদায়ের মতো বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোহাগ হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন বাদীপক্ষ।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অপু দাসের আইনজীবীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ অক্টোবর ২০২৬
সোহাগ হত্যা মামলার অন্যতম প্রধান পরিকল্পনাকারী হিসেবে অভিযুক্ত বহিষ্কৃত চকবাজার থানা ছাত্রদলের সদস্যসচিব অপু দাস আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিন আবেদন করেছেন। তবে আদালত তাঁর জামিন আবেদন নামঞ্জুর করে কারাগারে পাঠানোর নির্দেশ দেন।
গত ১৩ অক্টোবর ২০২৬ তারিখে মহানগর দায়রা জজ আদালতে আত্মসমর্পণ করে জামিনের আবেদন করেন অপু দাস। আদালত জামিন না মঞ্জুর করে তাঁকে কারাগারে পাঠান।
এদিকে, এ মামলায় অপু দাসকে রিমান্ডে না নিয়ে সরাসরি কারাগারে পাঠানোয় প্রশ্ন তুলেছে বাদীপক্ষ। বাদীপক্ষের আইনজীবীর দাবি, মামলার তদন্ত ও বিচারিক কার্যক্রমে সহায়তা করতে পারে—এমন গুরুত্বপূর্ণ তথ্য অপু দাসের কাছে রয়েছে। তাই তাঁকে জিজ্ঞাসাবাদ করা হলে সোহাগ হত্যাকাণ্ডের পরিকল্পনা ও এর সঙ্গে সংশ্লিষ্ট অন্যদের বিষয়ে আরও তথ্য পাওয়া যেতে পারে বলে মনে করছেন তাঁরা।
এ ছাড়া অপু দাসের বিরুদ্ধে এলাকায় নীরবে চাঁদাবাজি, দোকান দখল, ফুটপাতের নিয়ন্ত্রণ প্রতিষ্ঠা এবং আওয়ামী লীগের কর্মীদের ধরে নিয়ে অর্থ আদায়ের মতো বিভিন্ন অভিযোগ রয়েছে বলে জানা গেছে। তবে এসব অভিযোগের বিষয়ে স্বাধীনভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সোহাগ হত্যা মামলার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটন, জড়িতদের শনাক্ত এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কার্যকর পদক্ষেপ প্রত্যাশা করছেন বাদীপক্ষ।
এ বিষয়ে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী ও অপু দাসের আইনজীবীর বক্তব্য পাওয়া গেলে তা প্রতিবেদনে যুক্ত করা হবে।
সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন