নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় পর্নোগ্রাফি-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি পরিবারের কয়েকজন সদস্যের ভিডিও ধারণ করে সেগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর ব্যাংক হিসাবের কিছু লেনদেন নিয়েও সন্দেহের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
আটক গিয়াস উদ্দিন গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার ঘোনাপাড়া এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে। পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা গোয়েন্দা ও পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গিয়াস উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে নরসিংদীর মাধবদী থানার ভগীরথপুর এলাকায় ইসলাম সিএনজি স্টেশনের পাশে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। ওই বাসায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ এবং সেগুলো অনলাইনে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ ঘটনায় অর্থ লেনদেনের বিষয়েও অনুসন্ধান চালানো হয়। এরই মধ্যে প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে পরিবারটি ভগীরথপুর এলাকা ছেড়ে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার পাইকসা এলাকায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করে বলে জানা গেছে।
পরে তাঁরা পাইকসা এলাকার মঞ্জুর মোর্শেদ লিটন নামের এক ব্যক্তির নবনির্মিত ভবনে বাসা পরিবর্তন করেন। গোপন সূত্রে স্থানান্তরের তথ্য পাওয়ার পর এনএসআইয়ের একটি দল তাঁদের মালামাল বহনকারী গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে পলাশ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গিয়াস উদ্দিনকে আটক করে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, ওই বাসা থেকে পর্নোগ্রাফি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
পরিবারের সদস্যদের দিয়ে ভিডিও তৈরি এবং সেগুলো অর্থের বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আসতে পারে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাঁকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তদন্ত শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও দায় নির্ধারিত হবে।
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৬ নভেম্বর ২০২৬
নরসিংদীর পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌর এলাকায় পর্নোগ্রাফি-সংশ্লিষ্ট কর্মকাণ্ডে জড়িত থাকার অভিযোগে গিয়াস উদ্দিন মিয়া (৪০) নামের এক ব্যক্তিকে আটক করেছে পুলিশ। জাতীয় নিরাপত্তা গোয়েন্দা সংস্থার (এনএসআই) দেওয়া তথ্যের ভিত্তিতে শুক্রবার (৬ নভেম্বর ২০২৬) অভিযান চালিয়ে তাঁকে আটক করা হয়।
পুলিশ ও গোয়েন্দা সূত্রের বরাতে জানা গেছে, আটক ব্যক্তি পরিবারের কয়েকজন সদস্যের ভিডিও ধারণ করে সেগুলো বিভিন্ন আন্তর্জাতিক পর্নোগ্রাফি ওয়েবসাইটে অর্থের বিনিময়ে বিক্রি করতেন বলে অভিযোগ রয়েছে। এ ছাড়া তাঁর ব্যাংক হিসাবের কিছু লেনদেন নিয়েও সন্দেহের কথা জানিয়েছে সংশ্লিষ্ট সূত্র।
আটক গিয়াস উদ্দিন গাজীপুর জেলার কালীগঞ্জ থানার ঘোনাপাড়া এলাকার বাবুল মিয়ার ছেলে। পলাশ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) শাহেদ আল মামুন আটকের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
জেলা গোয়েন্দা ও পুলিশ সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, গিয়াস উদ্দিন দীর্ঘদিন ধরে নরসিংদীর মাধবদী থানার ভগীরথপুর এলাকায় ইসলাম সিএনজি স্টেশনের পাশে একটি বাসা ভাড়া নিয়ে বসবাস করছিলেন। ওই বাসায় পরিবারের কয়েকজন সদস্যের আপত্তিকর ভিডিও ধারণ এবং সেগুলো অনলাইনে বিক্রির অভিযোগ পাওয়া যায়।
সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি, এ ঘটনায় অর্থ লেনদেনের বিষয়েও অনুসন্ধান চালানো হয়। এরই মধ্যে প্রশাসনের নজরদারি এড়াতে পরিবারটি ভগীরথপুর এলাকা ছেড়ে পলাশ উপজেলার ঘোড়াশাল পৌরসভার পাইকসা এলাকায় চলে যাওয়ার পরিকল্পনা করে বলে জানা গেছে।
পরে তাঁরা পাইকসা এলাকার মঞ্জুর মোর্শেদ লিটন নামের এক ব্যক্তির নবনির্মিত ভবনে বাসা পরিবর্তন করেন। গোপন সূত্রে স্থানান্তরের তথ্য পাওয়ার পর এনএসআইয়ের একটি দল তাঁদের মালামাল বহনকারী গাড়ির গতিবিধি পর্যবেক্ষণ করে। পরবর্তী সময়ে পলাশ থানা পুলিশ অভিযান চালিয়ে গিয়াস উদ্দিনকে আটক করে।
পলাশ থানার ওসি শাহেদ আল মামুন জানান, ওই বাসা থেকে পর্নোগ্রাফি-সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন আলামত পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় অন্য কেউ জড়িত থাকার তথ্য পাওয়া গেলে তাঁদেরও আইনের আওতায় আনা হবে।
তিনি আরও জানান, ঘটনাটির বিষয়ে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলছে।
পরিবারের সদস্যদের দিয়ে ভিডিও তৈরি এবং সেগুলো অর্থের বিনিময়ে বিক্রির অভিযোগের পাশাপাশি সন্দেহজনক আর্থিক লেনদেনের বিষয়টিও তদন্তের আওতায় আসতে পারে। তবে অভিযোগগুলোর সত্যতা এবং ঘটনায় অন্য কারও সংশ্লিষ্টতা তদন্তের মাধ্যমে নিশ্চিত হওয়া প্রয়োজন।
আটক ব্যক্তির বিরুদ্ধে অভিযোগ প্রমাণিত হওয়ার আগে তাঁকে দোষী হিসেবে বিবেচনা করা যাবে না। তদন্ত শেষে আইনানুগ প্রক্রিয়ায় ঘটনার প্রকৃত তথ্য ও দায় নির্ধারিত হবে।
সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন