জামালপুরের মেলান্দহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতি ও তাঁদের সাত মাস বয়সী কন্যাশিশু। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ মহাসড়কের মেলান্দহ উপজেলার পশ্চিম বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন হাফেজ মোরশেদুল আলম (২৫), তাঁর স্ত্রী হাফেজা ইকরামা খাতুন (২০) এবং তাঁদের সাত মাস বয়সী মেয়ে ইফরা খাতুন। তাঁরা বর্তমানে মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চরমাহমুদপুর গ্রামে বসবাস করতেন। মোরশেদুল আলম ইসলামপুর উপজেলার সাপধরি ইউনিয়নের ইল্লামারী গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে। তিনি জামালপুরের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নিহত হাফেজা ইকরামা খাতুনের মা হাবিবা সুলতানা জানান, রাতের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে সকালে জামালপুর থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন তাঁর মেয়ে, জামাতা ও নাতনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল কদ্দুসের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টার দিকে জামালপুর থেকে মেলান্দহগামী একটি অটোরিকশার সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় জামালপুরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক পেছন থেকে অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় আহত তিনজন হলেন মেলান্দহ উপজেলার দেওলাবাড়ি গ্রামের নূরে আলম সিদ্দিকীর ছেলে শাকিল আহমেদ (১৬), শিহাটা গ্রামের রঞ্জন আলীর ছেলে হযরত আলী (৪২) এবং শাহাজাতপুর এলাকার বরকত আলী মেম্বারের ছেলে শওকত আলী লিখন (৫২)।
মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসান হাবিব জানান, স্থানীয়রা হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের মধ্যে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর ও ময়মনসিংহের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি শনাক্ত এবং ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ নভেম্বর ২০২৬
জামালপুরের মেলান্দহে সড়ক দুর্ঘটনায় একই পরিবারের তিনজন নিহত হয়েছেন। নিহতদের মধ্যে রয়েছেন এক দম্পতি ও তাঁদের সাত মাস বয়সী কন্যাশিশু। এ ঘটনায় আরও তিনজন আহত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (৭ নভেম্বর) সকাল ৯টার দিকে জামালপুর-দেওয়ানগঞ্জ মহাসড়কের মেলান্দহ উপজেলার পশ্চিম বুরুঙ্গা এলাকায় এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন হাফেজ মোরশেদুল আলম (২৫), তাঁর স্ত্রী হাফেজা ইকরামা খাতুন (২০) এবং তাঁদের সাত মাস বয়সী মেয়ে ইফরা খাতুন। তাঁরা বর্তমানে মেলান্দহ উপজেলার মাহমুদপুর ইউনিয়নের চরমাহমুদপুর গ্রামে বসবাস করতেন। মোরশেদুল আলম ইসলামপুর উপজেলার সাপধরি ইউনিয়নের ইল্লামারী গ্রামের আবুল হাশেমের ছেলে। তিনি জামালপুরের একটি মাদ্রাসায় শিক্ষকতা করতেন বলে পরিবারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।
নিহত হাফেজা ইকরামা খাতুনের মা হাবিবা সুলতানা জানান, রাতের একটি ধর্মীয় অনুষ্ঠান শেষে সকালে জামালপুর থেকে বাড়ির উদ্দেশে রওনা হয়েছিলেন তাঁর মেয়ে, জামাতা ও নাতনি।
প্রত্যক্ষদর্শী ও ফায়ার সার্ভিসের সাব-স্টেশন কর্মকর্তা আব্দুল কদ্দুসের ভাষ্য অনুযায়ী, সকাল ৯টার দিকে জামালপুর থেকে মেলান্দহগামী একটি অটোরিকশার সঙ্গে একটি মোটরসাইকেলের মুখোমুখি সংঘর্ষ হয়। এ সময় জামালপুরের দিক থেকে আসা একটি ট্রাক পেছন থেকে অটোরিকশাটিকে ধাক্কা দিলে সেটি দুমড়েমুচড়ে যায়। এতে ঘটনাস্থলেই তিনজনের মৃত্যু হয়। দুর্ঘটনার পর ট্রাকটি পালিয়ে যায় বলে জানা গেছে।
এ ঘটনায় আহত তিনজন হলেন মেলান্দহ উপজেলার দেওলাবাড়ি গ্রামের নূরে আলম সিদ্দিকীর ছেলে শাকিল আহমেদ (১৬), শিহাটা গ্রামের রঞ্জন আলীর ছেলে হযরত আলী (৪২) এবং শাহাজাতপুর এলাকার বরকত আলী মেম্বারের ছেলে শওকত আলী লিখন (৫২)।
মেলান্দহ উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডা. আহসান হাবিব জানান, স্থানীয়রা হতাহতদের হাসপাতালে নিয়ে আসেন। সেখানে তিনজনকে মৃত ঘোষণা করা হয়। আহতদের মধ্যে তিনজনকে আশঙ্কাজনক অবস্থায় উন্নত চিকিৎসার জন্য জামালপুর ও ময়মনসিংহের হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে।
একই পরিবারের তিন সদস্যের মৃত্যুতে এলাকায় শোকের ছায়া নেমে এসেছে। দুর্ঘটনায় জড়িত ট্রাকটি শনাক্ত এবং ঘটনার বিস্তারিত কারণ জানতে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের পদক্ষেপের বিষয়টি গুরুত্বপূর্ণ হয়ে উঠেছে।
সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন