রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল অটোমেশন পদ্ধতি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জেলা পরিষদের অর্থায়নে নতুন এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অটোমেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হারুনুর রশীদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, অটোমেশন চালু হলে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে। রোগীদের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকায় চিকিৎসকরা প্রয়োজনে আগের চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য সহজেই দেখতে পারবেন। এতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি রোগীদের কাগজপত্র বহনের ঝামেলাও কমবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রেও অটোমেশন ব্যবস্থার কারণে জটিলতা কমে আসবে।
হারুনুর রশীদ জানান, হাসপাতালটি ২৫০ শয্যার হলেও বর্তমানে ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতি পূরণে সরকার কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন, বিএমএ ও ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহা. ময়েজ উদ্দীন এবং জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত।
স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতালের আরএমও ডা. মাহবুব হাসান।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন অটোমেশন ব্যবস্থার আওতায় ফার্মেসি, টিকিট কাউন্টার, ওষুধ বিতরণ, ওষুধের মজুত এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে রোগীদের সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৫ আগস্ট ২০২৬
রোগীদের চিকিৎসাসেবা আরও দ্রুত, স্বচ্ছ ও আধুনিক করতে ২৫০ শয্যাবিশিষ্ট চাঁপাইনবাবগঞ্জ জেলা হাসপাতালে চালু করা হয়েছে ডিজিটাল অটোমেশন পদ্ধতি।
মঙ্গলবার (২৫ আগস্ট) সকাল ১১টায় হাসপাতাল প্রাঙ্গণে জেলা পরিষদের অর্থায়নে নতুন এ কার্যক্রমের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধন করা হয়। প্রধান অতিথি হিসেবে অটোমেশন কার্যক্রমের উদ্বোধন করেন জেলা পরিষদ প্রশাসক মো. হারুনুর রশীদ।
উদ্বোধনী অনুষ্ঠানে জেলা পরিষদ প্রশাসক বলেন, অটোমেশন চালু হলে হাসপাতালের বিভিন্ন সমস্যা অনেকটাই কমে আসবে। রোগীদের তথ্য ডিজিটালভাবে সংরক্ষিত থাকায় চিকিৎসকরা প্রয়োজনে আগের চিকিৎসাসংক্রান্ত তথ্য সহজেই দেখতে পারবেন। এতে দ্রুত চিকিৎসাসেবা দেওয়ার পাশাপাশি রোগীদের কাগজপত্র বহনের ঝামেলাও কমবে।
তিনি আরও বলেন, পরীক্ষা-নিরীক্ষা ও হাসপাতালে ভর্তি সংক্রান্ত অর্থ পরিশোধের ক্ষেত্রেও অটোমেশন ব্যবস্থার কারণে জটিলতা কমে আসবে।
হারুনুর রশীদ জানান, হাসপাতালটি ২৫০ শয্যার হলেও বর্তমানে ১০০ শয্যার জনবল দিয়ে কার্যক্রম পরিচালিত হচ্ছে। চিকিৎসক ও প্রয়োজনীয় জনবলের ঘাটতি পূরণে সরকার কাজ করবে বলে তিনি আশাবাদ ব্যক্ত করেন।
হাসপাতালের তত্ত্বাবধায়ক ডা. জমির মো. হাসিবুস সাত্তারের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন সিভিল সার্জন ডা. এ কে এম শাহাব উদ্দিন, বিএমএ ও ড্যাবের জেলা সভাপতি ডা. মোহা. ময়েজ উদ্দীন এবং জেলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা আবু সালেহ মোহাম্মদ হাসনাত।
স্বাগত বক্তব্য দেন হাসপাতালের আরএমও ডা. মাহবুব হাসান।
হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ জানায়, নতুন অটোমেশন ব্যবস্থার আওতায় ফার্মেসি, টিকিট কাউন্টার, ওষুধ বিতরণ, ওষুধের মজুত এবং সরবরাহ ব্যবস্থাপনাসহ বিভিন্ন কার্যক্রম ডিজিটাল পদ্ধতির আওতায় আনা হয়েছে। এর ফলে রোগীদের সেবা গ্রহণের প্রক্রিয়া আরও সহজ, দ্রুত ও স্বচ্ছ হবে বলে আশা করছে কর্তৃপক্ষ।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন