পঞ্চগড় জেলা শহরের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লিভার পরীক্ষার রিপোর্টে বড় ধরনের অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন সাইদুজ্জামান রেজা নামে এক রোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট পঞ্চগড় মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতালে সাইদুজ্জামান রেজার এসজিপিটি পরীক্ষায় ১২৭ ইউ/এল পাওয়া যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে একই দিন তিনি মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পুনরায় পরীক্ষা করান। সেখানে এসজিপিটির ফল আসে ২৬.৭ ইউ/এল।
দুই প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টে ব্যাপক পার্থক্য থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে পরদিন ১০ আগস্ট পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে আবারও এসজিপিটি পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে ফল পাওয়া যায় ১২১ ইউ/এল।
তিন প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টের মধ্যে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে মঙ্গলবার সকালে রোগী সাইদুজ্জামান রেজা মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক সৈয়দা নাসরিন মিনু দাবি করেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের দেওয়া রিপোর্টে কোনো ভুল নেই।
অন্যদিকে, অভিযোগটি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই রোগীর তিনটি প্রতিষ্ঠানের এসজিপিটি পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে মেডিকেয়ারের রিপোর্টটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তবে রিপোর্টের এই পার্থক্যের প্রকৃত কারণ কী এবং পরীক্ষায় কোনো ত্রুটি হয়েছিল কি না, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১১ আগস্ট ২০২৬
পঞ্চগড় জেলা শহরের একটি বেসরকারি ডায়াগনস্টিক সেন্টারে লিভার পরীক্ষার রিপোর্টে বড় ধরনের অসঙ্গতির অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে জেলা সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেছেন সাইদুজ্জামান রেজা নামে এক রোগী।
অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ৯ আগস্ট পঞ্চগড় মকবুলার রহমান ডায়াবেটিক হাসপাতালে সাইদুজ্জামান রেজার এসজিপিটি পরীক্ষায় ১২৭ ইউ/এল পাওয়া যায়। চিকিৎসকের পরামর্শে একই দিন তিনি মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারে পুনরায় পরীক্ষা করান। সেখানে এসজিপিটির ফল আসে ২৬.৭ ইউ/এল।
দুই প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টে ব্যাপক পার্থক্য থাকায় সন্দেহ তৈরি হলে পরদিন ১০ আগস্ট পঞ্চগড় আধুনিক সদর হাসপাতালে আবারও এসজিপিটি পরীক্ষা করানো হয়। সেখানে ফল পাওয়া যায় ১২১ ইউ/এল।
তিন প্রতিষ্ঠানের রিপোর্টের মধ্যে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের রিপোর্টে বড় ধরনের পার্থক্য থাকায় বিষয়টি নিয়ে প্রশ্ন ওঠে। পরে মঙ্গলবার সকালে রোগী সাইদুজ্জামান রেজা মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের বিরুদ্ধে প্রতারণার অভিযোগ এনে পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জনের কাছে লিখিত অভিযোগ করেন।
অভিযোগের বিষয়ে মেডিকেয়ার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের পরিচালক সৈয়দা নাসরিন মিনু দাবি করেন, তাদের প্রতিষ্ঠানের দেওয়া রিপোর্টে কোনো ভুল নেই।
অন্যদিকে, অভিযোগটি পাওয়ার কথা নিশ্চিত করেছেন পঞ্চগড়ের সিভিল সার্জন ডা. মিজানুর রহমান। তিনি জানান, বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে। একই রোগীর তিনটি প্রতিষ্ঠানের এসজিপিটি পরীক্ষার ফলাফলের মধ্যে মেডিকেয়ারের রিপোর্টটি অসামঞ্জস্যপূর্ণ বলে প্রাথমিকভাবে মনে হচ্ছে বলেও জানান তিনি।
তবে রিপোর্টের এই পার্থক্যের প্রকৃত কারণ কী এবং পরীক্ষায় কোনো ত্রুটি হয়েছিল কি না, তা তদন্তের পরই নিশ্চিত হওয়া যাবে। অভিযোগের বিষয়ে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের তদন্ত ও পরবর্তী পদক্ষেপের দিকে নজর রয়েছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন