যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে অন্তত ৩৮ জন নিহত এবং ৪০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী ও ১৮ বছরের কম বয়সী একজন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪৭ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ইরানের দাবি, হামলায় একাধিক বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সেতু, বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং চাবাহারের শহীদ কালান্তারি বন্দরের সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার। তবে বন্দরের মূল জেটি ও পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রমের অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, চাবাহারের নজরদারি টাওয়ারটি ইরানের সামুদ্রিক নজরদারি ব্যবস্থার অংশ হওয়ায় সেটিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এটি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বাণিজ্যিক জাহাজ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করত।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, হামলার পর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে পুনরায় পণ্য ওঠানো-নামার কার্যক্রম চালু করা হবে।
হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হরমোজগান প্রদেশ। সেখানে একাধিক সেতু, সড়ক যোগাযোগ ও রেলওয়ে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বুশেহর, খুজেস্তান ও লোরেস্তানসহ আরও কয়েকটি প্রদেশেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরান জানিয়েছে, তারা বাহরাইন, কুয়েত, সিরিয়া ও ওমানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৮ জুলাই ২০২৬
যুক্তরাষ্ট্রের সাম্প্রতিক হামলায় ইরানের বিভিন্ন প্রদেশে অন্তত ৩৮ জন নিহত এবং ৪০০ জনের বেশি আহত হয়েছেন বলে জানিয়েছে দেশটির স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়। নিহতদের মধ্যে তিনজন নারী ও ১৮ বছরের কম বয়সী একজন রয়েছেন। আহতদের মধ্যে ৪৭ জন এখনও হাসপাতালে চিকিৎসাধীন।
ইরানের দাবি, হামলায় একাধিক বেসামরিক স্থাপনা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। ক্ষতিগ্রস্ত স্থাপনাগুলোর মধ্যে রয়েছে সেতু, বিদ্যুৎ অবকাঠামো এবং চাবাহারের শহীদ কালান্তারি বন্দরের সামুদ্রিক নিয়ন্ত্রণ টাওয়ার। তবে বন্দরের মূল জেটি ও পণ্য ওঠানো-নামানোর কার্যক্রমের অবকাঠামো অক্ষত রয়েছে বলে জানানো হয়েছে।
অন্যদিকে যুক্তরাষ্ট্রের সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, চাবাহারের নজরদারি টাওয়ারটি ইরানের সামুদ্রিক নজরদারি ব্যবস্থার অংশ হওয়ায় সেটিকে লক্ষ্য করে অভিযান চালানো হয়েছে। তাদের দাবি, এটি ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি) বাণিজ্যিক জাহাজ পর্যবেক্ষণে ব্যবহার করত।
ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা ইরনা জানিয়েছে, হামলার পর ক্ষয়ক্ষতি নিরূপণ, নিরাপত্তা নিশ্চিতকরণ এবং বন্দর কার্যক্রম স্বাভাবিক করতে কাজ চলছে। নিরাপত্তা পরীক্ষা শেষে পুনরায় পণ্য ওঠানো-নামার কার্যক্রম চালু করা হবে।
হামলায় সবচেয়ে বেশি ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে হরমোজগান প্রদেশ। সেখানে একাধিক সেতু, সড়ক যোগাযোগ ও রেলওয়ে অবকাঠামো ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। এছাড়া বুশেহর, খুজেস্তান ও লোরেস্তানসহ আরও কয়েকটি প্রদেশেও হামলার খবর পাওয়া গেছে।
এদিকে উত্তেজনা আরও বাড়িয়ে ইরান জানিয়েছে, তারা বাহরাইন, কুয়েত, সিরিয়া ও ওমানে অবস্থিত যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক অবস্থান লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন