ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একটি বিতর্কিত বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে খোলা কফিনে শায়িত অবস্থায় দেখানো হয়েছে এবং সেখানে ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় হুমকিমূলক স্লোগান লেখা রয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলবোর্ডে কালো রঙের একটি খোলা কফিনে ট্রাম্পের প্রতীকী ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। কফিনের গায়ে ইংরেজিতে “We Will Kill Trump” এবং একই বক্তব্যের ফারসি অনুবাদ লেখা রয়েছে।
বিলবোর্ডটির পাশেই রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতীকী মুষ্টিবদ্ধ হাতের একটি বিশাল ভাস্কর্য। এটি সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহতদের স্মরণ এবং প্রতিশোধের বার্তা বহন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যুদ্ধ, শহীদদের স্মরণ এবং রাজনৈতিক বার্তা সম্বলিত অসংখ্য বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে ট্রাম্পকে নিয়ে আরও কয়েকটি প্রতীকী বিলবোর্ড দেখা গেলেও এবারের বার্তাকে আগের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের রক্ষণশীল মহলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির একটি রক্ষণশীল সংবাদপত্রে সম্ভাব্য প্রতিশোধের লক্ষ্য হিসেবে কয়েকজন বিদেশি নেতার নাম প্রকাশ করা হয়, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও কিয়ার স্টারমারের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৭ জুলাই ২০২৬
ইরানের রাজধানী তেহরানের কেন্দ্রস্থলে মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পকে লক্ষ্য করে একটি বিতর্কিত বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। বিলবোর্ডে ট্রাম্পকে খোলা কফিনে শায়িত অবস্থায় দেখানো হয়েছে এবং সেখানে ইংরেজি ও ফারসি ভাষায় হুমকিমূলক স্লোগান লেখা রয়েছে। বিষয়টি আন্তর্জাতিক অঙ্গনে ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে।
মার্কিন সংবাদমাধ্যম নিউইয়র্ক টাইমস-এর প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, বিলবোর্ডে কালো রঙের একটি খোলা কফিনে ট্রাম্পের প্রতীকী ছবি ব্যবহার করা হয়েছে। কফিনের গায়ে ইংরেজিতে “We Will Kill Trump” এবং একই বক্তব্যের ফারসি অনুবাদ লেখা রয়েছে।
বিলবোর্ডটির পাশেই রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আলী খামেনির প্রতীকী মুষ্টিবদ্ধ হাতের একটি বিশাল ভাস্কর্য। এটি সাম্প্রতিক সংঘাতে নিহতদের স্মরণ এবং প্রতিশোধের বার্তা বহন করছে বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়েছে।
প্রতিবেদনে আরও বলা হয়, সাম্প্রতিক যুদ্ধের পর তেহরানের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কে যুদ্ধ, শহীদদের স্মরণ এবং রাজনৈতিক বার্তা সম্বলিত অসংখ্য বিলবোর্ড স্থাপন করা হয়েছে। এর আগে ট্রাম্পকে নিয়ে আরও কয়েকটি প্রতীকী বিলবোর্ড দেখা গেলেও এবারের বার্তাকে আগের তুলনায় বেশি আক্রমণাত্মক বলে মনে করা হচ্ছে।
এদিকে ইরানের রক্ষণশীল মহলে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের বিরুদ্ধে প্রতিশোধের দাবি আরও জোরালো হয়েছে। সম্প্রতি দেশটির একটি রক্ষণশীল সংবাদপত্রে সম্ভাব্য প্রতিশোধের লক্ষ্য হিসেবে কয়েকজন বিদেশি নেতার নাম প্রকাশ করা হয়, যেখানে ডোনাল্ড ট্রাম্প, বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু ও কিয়ার স্টারমারের নামও অন্তর্ভুক্ত ছিল।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন