ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতজুড়ে দেশটির দক্ষিণ উপকূল এবং কৌশলগত বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার, কোনারাক ও রাস্কসহ একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সঙ্গে খোররামাবাদ এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানী তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আন্দিমেস্ক এলাকায় একটি মার্কিন এমকিউ–৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে বন্দর আব্বাসসহ বিভিন্ন স্থানে ইরানের কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর আগে গ্রেটার টুনব দ্বীপেও পৃথক সামরিক অভিযান চালানোর তথ্য দিয়েছে তারা।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বৃহস্পতিবার বাহরাইন ও কুয়েতে বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেনও বাজানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান হামলা-পাল্টা হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়ছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনার প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও পড়তে শুরু করেছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৬ জুলাই ২০২৬
ইরানের দক্ষিণাঞ্চলে আবারও ব্যাপক বিমান হামলা চালিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র। বুধবার রাতজুড়ে দেশটির দক্ষিণ উপকূল এবং কৌশলগত বিভিন্ন স্থাপনায় হামলার পাশাপাশি হরমুজ প্রণালির বিভিন্ন এলাকায় একের পর এক বিস্ফোরণের ঘটনা ঘটেছে। এতে পুরো অঞ্চলে নতুন করে উত্তেজনা ছড়িয়ে পড়েছে।
ইরানি সংবাদমাধ্যমগুলোর তথ্য অনুযায়ী, হরমুজ প্রণালির কেশম দ্বীপ, বন্দর আব্বাস, সিরিক, চাবাহার, কোনারাক ও রাস্কসহ একাধিক এলাকায় বিস্ফোরণের শব্দ শোনা গেছে। একই সঙ্গে খোররামাবাদ এলাকাতেও বিস্ফোরণের খবর পাওয়া গেছে। পরিস্থিতির পরিপ্রেক্ষিতে রাজধানী তেহরানে আকাশ প্রতিরক্ষাব্যবস্থা সক্রিয় করা হয়েছে।
ইরানের ইসলামি বিপ্লবী গার্ড বাহিনী (আইআরজিসি) দাবি করেছে, দক্ষিণ-পশ্চিমাঞ্চলের আন্দিমেস্ক এলাকায় একটি মার্কিন এমকিউ–৯ ড্রোন ভূপাতিত করা হয়েছে।
অন্যদিকে, মার্কিন সেন্ট্রাল কমান্ড (সেন্টকম) জানিয়েছে, সর্বশেষ অভিযানে বন্দর আব্বাসসহ বিভিন্ন স্থানে ইরানের কমান্ড সেন্টার, আকাশ প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা, ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন সক্ষমতা এবং উপকূলীয় নজরদারি স্থাপনাগুলোকে লক্ষ্যবস্তু করা হয়েছে। এর আগে গ্রেটার টুনব দ্বীপেও পৃথক সামরিক অভিযান চালানোর তথ্য দিয়েছে তারা।
ইরানের স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের তথ্যমতে, গত কয়েক দিনের মার্কিন হামলায় অন্তত ৩৫ জন নিহত এবং তিন শতাধিক মানুষ আহত হয়েছেন।
এদিকে মার্কিন হামলার জবাবে উপসাগরীয় অঞ্চলে থাকা যুক্তরাষ্ট্রের বিভিন্ন সামরিক ঘাঁটিকে লক্ষ্য করে পাল্টা হামলা চালিয়ে যাচ্ছে ইরান। বৃহস্পতিবার বাহরাইন ও কুয়েতে বিমান হামলার সতর্কতা সাইরেনও বাজানো হয়েছে।
বিশ্লেষকদের মতে, চলমান হামলা-পাল্টা হামলার কারণে মধ্যপ্রাচ্যে অস্থিতিশীলতা আরও বাড়ছে। একই সঙ্গে হরমুজ প্রণালিকে ঘিরে উত্তেজনার প্রভাব বিশ্ব জ্বালানি বাজারেও পড়তে শুরু করেছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন