নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক ব্যক্তিকে অপহরণ, মারধর, জোরপূর্বক ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা মাহফুজুর রহমান খোরশেদ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫) রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত মাহফুজুর রহমান খোরশেদ রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রফিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে ভুলতা বাজারের উদ্দেশে বের হন। সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ভুলতা বাজারের সামনে পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জেরে মাহফুজুর রহমান খোরশেদ, আল-আমিন ভূঁইয়া, সৈয়দ রায়হান মোস্তাকসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজন তাঁর পথরোধ করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের হাতে দা, লোহার রড ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। ঘটনার কারণ জানতে চাইলে তাঁকে জোর করে একটি অটোরিকশায় তুলে গোলাকান্দাইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি দোকানে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাঁকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলে অভিযোগ করেন রফিকুল ইসলাম।
তাঁর আরও অভিযোগ, এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক তাঁর কাছ থেকে নয়টি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। পরে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করা এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করার কারণে থানায় অভিযোগ দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার ও আইনি সহায়তা দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহফুজুর রহমান খোরশেদ বলেন, “যে ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাঁর কাছে আমি টাকা পাই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
শনিবার, ০৭ নভেম্বর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ অক্টোবর ২০২৬
নারায়ণগঞ্জের রূপগঞ্জে এক ব্যক্তিকে অপহরণ, মারধর, জোরপূর্বক ফাঁকা নন-জুডিশিয়াল স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেওয়া এবং প্রাণনাশের হুমকি দেওয়ার অভিযোগ উঠেছে স্থানীয় যুবদল নেতা মাহফুজুর রহমান খোরশেদ ও তাঁর সহযোগীদের বিরুদ্ধে। এ ঘটনায় ভুক্তভোগী মো. রফিকুল ইসলাম (৫৫) রূপগঞ্জ থানায় লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন।
অভিযুক্ত মাহফুজুর রহমান খোরশেদ রূপগঞ্জ উপজেলা যুবদলের আহ্বায়ক কমিটির সদস্য এবং গোলাকান্দাইল ইউনিয়ন যুবদলের সহসভাপতি।
ভুক্তভোগীর অভিযোগ সূত্রে জানা যায়, গত ২১ অক্টোবর সকাল সাড়ে ১০টার দিকে রফিকুল ইসলাম বাড়ি থেকে ভুলতা বাজারের উদ্দেশে বের হন। সকাল আনুমানিক ১১টার দিকে ভুলতা বাজারের সামনে পৌঁছালে পূর্বশত্রুতার জেরে মাহফুজুর রহমান খোরশেদ, আল-আমিন ভূঁইয়া, সৈয়দ রায়হান মোস্তাকসহ অজ্ঞাতনামা আরও তিন থেকে চারজন তাঁর পথরোধ করেন।
অভিযোগে বলা হয়েছে, অভিযুক্তদের হাতে দা, লোহার রড ও লাঠিসহ দেশীয় অস্ত্র ছিল। ঘটনার কারণ জানতে চাইলে তাঁকে জোর করে একটি অটোরিকশায় তুলে গোলাকান্দাইল প্রাথমিক বিদ্যালয়ের পাশে একটি দোকানে নিয়ে আটকে রাখা হয়। সেখানে তাঁকে মারধর করে শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম করা হয় বলে অভিযোগ করেন রফিকুল ইসলাম।
তাঁর আরও অভিযোগ, এ সময় আশপাশের লোকজন এগিয়ে আসতে থাকলে অভিযুক্তরা জোরপূর্বক তাঁর কাছ থেকে নয়টি নন-জুডিশিয়াল ফাঁকা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নেন। পরে তাঁকে ও তাঁর পরিবারের সদস্যদের প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয় বলেও অভিযোগে উল্লেখ করা হয়েছে।
ভুক্তভোগী রফিকুল ইসলাম জানান, এলাকার গণ্যমান্য ব্যক্তিদের অবহিত করা এবং আত্মীয়স্বজনের সঙ্গে আলোচনা করার কারণে থানায় অভিযোগ দিতে কিছুটা বিলম্ব হয়েছে। তিনি ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত, বিচার ও আইনি সহায়তা দাবি করেছেন।
অভিযোগের বিষয়ে অভিযুক্ত মাহফুজুর রহমান খোরশেদ বলেন, “যে ব্যক্তি আমার বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন, তাঁর কাছে আমি টাকা পাই। আমার বিরুদ্ধে আনা অভিযোগ সম্পূর্ণ মিথ্যা।”
এ বিষয়ে রূপগঞ্জ থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) এএইচএম সালাউদ্দিন বলেন, “লিখিত অভিযোগ পেয়েছি। তদন্ত সাপেক্ষে ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।”
তবে অভিযোগের বিষয়ে তদন্তের ফলাফল এবং উত্থাপিত অভিযোগগুলোর সত্যতা এখনো নিশ্চিত হওয়া যায়নি।
সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন