চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নে মাটির নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পরিত্যক্ত একটি নির্মাণাধীন ঘর থেকে অভিযান চালিয়ে বালতিতে লুকানো অবস্থায় মোট ১১টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর ১২টার দিকে রানীহাটি ইউনিয়নের ঘোড়াস্ট্যান্ডসংলগ্ন জামতলা চৌধুরী মোড় এলাকায় অভিযান চালায় সদর মডেল থানা পুলিশ। সেখানে মো. জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন পরিত্যক্ত ঘরে তল্লাশি চালিয়ে মাটির নিচে পোঁতা একটি কালো বালতি থেকে লাল ও কালো স্কচটেপে মোড়ানো ৫টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। তবে উদ্ধারের সময়ে একটি ককটেল আকস্মিক বিস্ফোরিত হলেও এতে কোনো পুলিশ সদস্য বা স্থানীয় বাসিন্দা হতাহত হননি।
পরবর্তীতে বিকেল ৪টার দিকে একই স্থানে পুনরায় তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ মাটির নিচে পুঁতে রাখা আরেকটি লাল প্লাস্টিকের বালতি উদ্ধার করে। সেই বালতির ভেতর থেকে লাল ও কালো স্কচটেপে মোড়ানো আরও ৭টি ককটেল সদৃশ বস্তু পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মোট ১১টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নির্জন স্থানে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এই ককটেলগুলো মজুত করেছিল, তা খতিয়ে দেখতে জোর তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার রানীহাটি ইউনিয়নে মাটির নিচ থেকে বিপুল পরিমাণ ককটেল উদ্ধার করেছে পুলিশ। সোমবার (২১ সেপ্টেম্বর) পরিত্যক্ত একটি নির্মাণাধীন ঘর থেকে অভিযান চালিয়ে বালতিতে লুকানো অবস্থায় মোট ১১টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করা হয়।
পুলিশ সূত্রে জানা যায়, গোপন সংবাদের ভিত্তিতে দুপুর ১২টার দিকে রানীহাটি ইউনিয়নের ঘোড়াস্ট্যান্ডসংলগ্ন জামতলা চৌধুরী মোড় এলাকায় অভিযান চালায় সদর মডেল থানা পুলিশ। সেখানে মো. জাহাঙ্গীর নামে এক ব্যক্তির নির্মাণাধীন পরিত্যক্ত ঘরে তল্লাশি চালিয়ে মাটির নিচে পোঁতা একটি কালো বালতি থেকে লাল ও কালো স্কচটেপে মোড়ানো ৫টি ককটেল উদ্ধার করা হয়। তবে উদ্ধারের সময়ে একটি ককটেল আকস্মিক বিস্ফোরিত হলেও এতে কোনো পুলিশ সদস্য বা স্থানীয় বাসিন্দা হতাহত হননি।
পরবর্তীতে বিকেল ৪টার দিকে একই স্থানে পুনরায় তল্লাশি চালিয়ে পুলিশ মাটির নিচে পুঁতে রাখা আরেকটি লাল প্লাস্টিকের বালতি উদ্ধার করে। সেই বালতির ভেতর থেকে লাল ও কালো স্কচটেপে মোড়ানো আরও ৭টি ককটেল সদৃশ বস্তু পাওয়া যায়।
সব মিলিয়ে ঘটনাস্থল থেকে মোট ১১টি ককটেল সদৃশ বস্তু উদ্ধার করে পুলিশ হেফাজতে নেওয়া হয়েছে। নির্জন স্থানে কারা এবং কী উদ্দেশ্যে এই ককটেলগুলো মজুত করেছিল, তা খতিয়ে দেখতে জোর তদন্ত শুরু হয়েছে। এ ঘটনায় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণের প্রক্রিয়া চলমান রয়েছে বলে জানিয়েছে পুলিশ।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন