কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব কমাতে মশক নিধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জিনজিরা ইউনিয়ন শাখা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ২ নম্বর ওয়ার্ডের মডেল টাউন, ইসলামাবাদ ও বারঘোরতলাসহ বিভিন্ন গলি ও আশপাশের এলাকায় ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা জেলা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী মাস্টার মোহাম্মদ সুমন মিয়া। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জিনজিরা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি সোহরাফ হোসেন, সেক্রেটারি মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, ২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুর রহমান এবং সেক্রেটারি মো. আরিফসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচি সম্পর্কে মাস্টার মোহাম্মদ সুমন মিয়া বলেন, বর্তমানে মশার উপদ্রব স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে নিজেদের অর্থায়নে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মশক নিধনে ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় তারা ভোগান্তিতে রয়েছেন। এ অবস্থায় মশক নিধনে নেওয়া উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।
তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধু ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন নয়, মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা এবং নিয়মিতভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কেরানীগঞ্জের জিনজিরা ইউনিয়নের ২ নম্বর ওয়ার্ডে মশার উপদ্রব কমাতে মশক নিধন কর্মসূচি পালন করেছে ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ জিনজিরা ইউনিয়ন শাখা।
শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) ২ নম্বর ওয়ার্ডের মডেল টাউন, ইসলামাবাদ ও বারঘোরতলাসহ বিভিন্ন গলি ও আশপাশের এলাকায় ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনা করা হয়।
কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন ইসলামী আন্দোলন বাংলাদেশ ঢাকা জেলা দক্ষিণের সাংগঠনিক সম্পাদক ও জিনজিরা ইউনিয়ন পরিষদ চেয়ারম্যান প্রার্থী মাস্টার মোহাম্মদ সুমন মিয়া। এ সময় আরও উপস্থিত ছিলেন জিনজিরা ইউনিয়ন শাখার সভাপতি সোহরাফ হোসেন, সেক্রেটারি মুহাম্মদ জিয়া উদ্দিন, ২ নম্বর ওয়ার্ড সভাপতি আব্দুর রহমান এবং সেক্রেটারি মো. আরিফসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা।
কর্মসূচি সম্পর্কে মাস্টার মোহাম্মদ সুমন মিয়া বলেন, বর্তমানে মশার উপদ্রব স্থানীয় বাসিন্দাদের জন্য বড় ধরনের সমস্যা হয়ে দাঁড়িয়েছে। জনসাধারণের স্বাস্থ্যঝুঁকি কমাতে নিজেদের অর্থায়নে এ কার্যক্রম পরিচালনা করা হচ্ছে। পাশাপাশি মশক নিধনে ইউনিয়ন পরিষদের সহযোগিতাও কামনা করেন তিনি।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, সম্প্রতি এলাকায় মশার উপদ্রব বেড়ে যাওয়ায় তারা ভোগান্তিতে রয়েছেন। এ অবস্থায় মশক নিধনে নেওয়া উদ্যোগকে তারা স্বাগত জানিয়েছেন।
তবে স্থানীয়দের দাবি, শুধু ফগার মেশিনের মাধ্যমে মশক নিধন নয়, মশার প্রজননস্থল চিহ্নিত করে ধ্বংস করা এবং নিয়মিতভাবে মশক নিধন কার্যক্রম পরিচালনায় সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে কার্যকর পদক্ষেপ নিতে হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন