কেরানীগঞ্জের কালিন্দি ইউনিয়নের গদারবাগ এলাকায় অবৈধ সার কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অনুমোদন ছাড়াই টিএসপি, ডিএপি সহ বিভিন্ন ধরনের সার উৎপাদন ও বাজারজাত করার অভিযোগে কারখানার মালিক মো. জামালকে আটক করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতি ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এসব সার উৎপাদন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করতেন তিনি। এসব সার কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হতো।
অভিযোগ রয়েছে, বাজারে প্রতি বস্তা সার প্রায় ১ হাজার ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হলেও ওই কারখানা থেকে তা মাত্র ৪৫০ টাকায় বিক্রি করা হতো।
পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে সার (ব্যবস্থাপনা) সংশোধন আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কারখানার মালিক মো. জামালকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঞা।
একইসঙ্গে অবৈধ সার কারখানা ও সেখানে থাকা মালামাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ, র্যাব-১০ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষক ও মৎস্যজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
কেরানীগঞ্জের কালিন্দি ইউনিয়নের গদারবাগ এলাকায় অবৈধ সার কারখানায় অভিযান চালিয়েছে উপজেলা প্রশাসন।
মঙ্গলবার (৮ সেপ্টেম্বর) সন্ধ্যা ৮টা থেকে রাত ১১টা পর্যন্ত এ অভিযান পরিচালনা করা হয়।
অভিযানে অনুমোদন ছাড়াই টিএসপি, ডিএপি সহ বিভিন্ন ধরনের সার উৎপাদন ও বাজারজাত করার অভিযোগে কারখানার মালিক মো. জামালকে আটক করা হয়।
অভিযান সংশ্লিষ্টদের তথ্য অনুযায়ী, কোনো ধরনের নিয়ম-নীতি ও যথাযথ প্রক্রিয়া অনুসরণ না করেই এসব সার উৎপাদন করে দেশের বিভিন্ন স্থানে বাজারজাত করতেন তিনি। এসব সার কৃষি ও মৎস্য খাতে ব্যবহারের জন্য বিক্রি করা হতো।
অভিযোগ রয়েছে, বাজারে প্রতি বস্তা সার প্রায় ১ হাজার ৩৫০ টাকা দামে বিক্রি হলেও ওই কারখানা থেকে তা মাত্র ৪৫০ টাকায় বিক্রি করা হতো।
পরে উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার প্রসিকিউশনের ভিত্তিতে সার (ব্যবস্থাপনা) সংশোধন আইন, ২০১৮-এর সংশ্লিষ্ট ধারায় কারখানার মালিক মো. জামালকে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড প্রদান করেন সহকারী কমিশনার (ভূমি) ও এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট সাইফুল ইসলাম ভূঞা।
একইসঙ্গে অবৈধ সার কারখানা ও সেখানে থাকা মালামাল উপজেলা কৃষি কর্মকর্তার জিম্মায় দেওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়।
অভিযানে কেরানীগঞ্জ মডেল থানা পুলিশ, র্যাব-১০ এবং গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যরা সার্বিক সহযোগিতা করেন।
প্রশাসনের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, কৃষক ও মৎস্যজীবীদের স্বার্থ রক্ষায় এ ধরনের অবৈধ কার্যক্রমের বিরুদ্ধে অভিযান অব্যাহত থাকবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন