মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকালে জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসন চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
পরে জেলা প্রশাসনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমাম রাজী টুলুর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী মিঞা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষিত ও সচেতন সমাজ গঠনে সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু নাম লিখতে বা পড়তে পারার মধ্যেই সাক্ষরতার গুরুত্ব সীমাবদ্ধ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরিতেও সাক্ষরতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সর্বস্তরে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত) আরিফ আহমেদ, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দারসহ অনেকে।
বক্তারা সাক্ষরতার হার বাড়ানোর পাশাপাশি ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মৌলিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান ও বার্তা প্রদর্শন করেন। দিবসটির আয়োজনের মাধ্যমে পঞ্চগড়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মানুষ, পৃথিবী ও সমৃদ্ধির জন্য সাক্ষরতা’—এই প্রতিপাদ্যকে সামনে রেখে পঞ্চগড়ে আন্তর্জাতিক সাক্ষরতা দিবস-২০২৬ পালিত হয়েছে। দিবসটি উপলক্ষে মঙ্গলবার সকালে জেলা প্রশাসন ও উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা ব্যুরোর উদ্যোগে বর্ণাঢ্য শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভার আয়োজন করা হয়।
সকালে জেলা প্রশাসন চত্বর থেকে শোভাযাত্রাটি বের হয়ে শহরের বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়ক প্রদক্ষিণ করে পুনরায় জেলা প্রশাসন চত্বরে এসে শেষ হয়। এতে বিভিন্ন শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের শিক্ষক-শিক্ষার্থী, সরকারি-বেসরকারি দপ্তরের কর্মকর্তা-কর্মচারীসহ সংশ্লিষ্টরা অংশ নেন।
পরে জেলা প্রশাসনের সেমিনার কক্ষে অনুষ্ঠিত হয় আলোচনা সভা। সভায় সভাপতিত্ব করেন পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভীন। অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমাম রাজী টুলুর সঞ্চালনায় সভায় স্বাগত বক্তব্য দেন জেলা প্রাথমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোহাম্মদ ইয়াকুব আলী মিঞা।
আলোচনা সভায় বক্তারা বলেন, একটি শিক্ষিত ও সচেতন সমাজ গঠনে সাক্ষরতার গুরুত্ব অপরিসীম। শুধু নাম লিখতে বা পড়তে পারার মধ্যেই সাক্ষরতার গুরুত্ব সীমাবদ্ধ নয়; বরং দৈনন্দিন জীবন, কর্মক্ষেত্র ও সমাজে সঠিক সিদ্ধান্ত নেওয়ার সক্ষমতা তৈরিতেও সাক্ষরতা গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখে। দেশের উন্নয়ন ও সমৃদ্ধির জন্য সর্বস্তরে শিক্ষার সুযোগ নিশ্চিত করার ওপরও তারা গুরুত্বারোপ করেন।
সভায় আরও বক্তব্য দেন জেলা প্রাণিসম্পদ কর্মকর্তা ডা. মো. নূরুল ইসলাম, উপানুষ্ঠানিক শিক্ষা অধিদপ্তরের সহকারী পরিচালক (অতিরিক্ত) আরিফ আহমেদ, পঞ্চগড় প্রেসক্লাবের সাধারণ সম্পাদক সরকার হায়দারসহ অনেকে।
বক্তারা সাক্ষরতার হার বাড়ানোর পাশাপাশি ঝরে পড়া শিক্ষার্থীদের শিক্ষার মূলধারায় ফিরিয়ে আনা এবং প্রাপ্তবয়স্কদের মৌলিক শিক্ষার সুযোগ সম্প্রসারণের ওপর গুরুত্বারোপ করেন।
শোভাযাত্রা ও আলোচনা সভায় অংশগ্রহণকারীরা সাক্ষরতার গুরুত্ব তুলে ধরে বিভিন্ন স্লোগান ও বার্তা প্রদর্শন করেন। দিবসটির আয়োজনের মাধ্যমে পঞ্চগড়ে শিক্ষার আলো ছড়িয়ে দিতে জনসচেতনতা তৈরির ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন