জামালপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার লাহাড়িকান্দা এলাকায় জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—জামালপুর সদর উপজেলার বাইটকামারী এলাকার মৃত ইউনুস আলীর ছেলে জালাল উদ্দিন (৬০), তুলসীপুর এলাকার মৃত আতাহার আলীর ছেলে মকবুল হোসেন (৬৫), জামালপুর শহরের বজ্রাপুর এলাকার রুবেল মিয়া (৪৩) এবং বাইটকামারী এলাকার সাদ্দাম হোসেন (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামালপুর পৌর শহর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া রাজীব পরিবহণের একটি বাস রাত ৮টার দিকে লাহাড়িকান্দা এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের পর বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের ওপর উল্টে যায় এবং অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার দুই যাত্রী ও বাসের দুইজন নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে বাসের নিচ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
দুর্ঘটনার পর সড়কের ওপর বাসটি উল্টে থাকায় জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজীব পরিবহণের বাসের বেপরোয়া গতির কারণে এ এলাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বারবার দুর্ঘটনা রোধ এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
পরে রাত ১০টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন, দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
জামালপুরে যাত্রীবাহী বাস ও ব্যাটারিচালিত অটোরিকশার মুখোমুখি সংঘর্ষে চারজন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আহত হয়েছেন আরও অন্তত ১০ জন। আহতদের কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
সোমবার (৩১ আগস্ট) রাত ৮টার দিকে জামালপুর সদর উপজেলার লাহাড়িকান্দা এলাকায় জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে এ দুর্ঘটনা ঘটে।
নিহতরা হলেন—জামালপুর সদর উপজেলার বাইটকামারী এলাকার মৃত ইউনুস আলীর ছেলে জালাল উদ্দিন (৬০), তুলসীপুর এলাকার মৃত আতাহার আলীর ছেলে মকবুল হোসেন (৬৫), জামালপুর শহরের বজ্রাপুর এলাকার রুবেল মিয়া (৪৩) এবং বাইটকামারী এলাকার সাদ্দাম হোসেন (৩০)।
পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, জামালপুর পৌর শহর থেকে ঢাকার উদ্দেশে ছেড়ে যাওয়া রাজীব পরিবহণের একটি বাস রাত ৮টার দিকে লাহাড়িকান্দা এলাকায় পৌঁছায়। এ সময় বিপরীত দিক থেকে আসা ব্যাটারিচালিত একটি অটোরিকশার সঙ্গে বাসটির সংঘর্ষ হয়।
সংঘর্ষের পর বাসের চালক নিয়ন্ত্রণ হারালে বাসটি সড়কের ওপর উল্টে যায় এবং অটোরিকশাটিকে চাপা দেয়। এতে ঘটনাস্থলেই অটোরিকশার দুই যাত্রী ও বাসের দুইজন নিহত হন। আহত হন আরও কয়েকজন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিসের কর্মীরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান চালান। পরে বাসের নিচ থেকে চারজনের মরদেহ উদ্ধার করে জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়।
দুর্ঘটনার পর সড়কের ওপর বাসটি উল্টে থাকায় জামালপুর-ময়মনসিংহ মহাসড়কে যান চলাচল বন্ধ হয়ে যায়। এতে মহাসড়কের দুই পাশে দীর্ঘ যানজটের সৃষ্টি হয়।
স্থানীয়দের অভিযোগ, রাজীব পরিবহণের বাসের বেপরোয়া গতির কারণে এ এলাকায় প্রায়ই দুর্ঘটনা ঘটে। দুর্ঘটনার পর ক্ষুব্ধ এলাকাবাসী বারবার দুর্ঘটনা রোধ এবং দায়ীদের শাস্তির দাবিতে মহাসড়ক অবরোধ করেন।
পরে রাত ১০টার দিকে দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সড়ক থেকে সরিয়ে নেওয়া হলে যান চলাচল স্বাভাবিক হয়।
জামালপুর সদর থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) নাজমুস সাকিব বলেন, দুর্ঘটনায় চারজন নিহত হয়েছেন এবং কয়েকজন আহত হয়েছেন। নিহতদের মরদেহ জামালপুর জেনারেল হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। এ ঘটনায় অভিযোগ পাওয়া গেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন