নওগাঁর পোরশায় রাতের আঁধারে শরিকানা একটি পুকুরে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরে চাষ করা বিভিন্ন প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছ মারা গিয়ে পানির ওপর ভেসে ওঠে। এ ঘটনায় পুকুরের মালিক ও শরিকদের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়নের সরাইগাছি কাতিপুর গ্রামে।
দাদার আমল থেকে পুকুরে মাছ চাষ
ক্ষতিগ্রস্ত নুর হোসেন, পিতা—মৃত আক্তার হোসেন জানান, তাঁদের প্রায় ৪০ শতাংশ পৈতৃক সম্পত্তির ওপর থাকা ওই শরিকানা পুকুরে দাদার আমল থেকে পারিবারিকভাবে মাছ চাষ করে আসছেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটি শরিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
সোমবার সকালে বাড়ির পাশে থাকা পুকুরটিতে গেলে হঠাৎ তাঁর চোখে পড়ে পানির ওপর অসংখ্য মাছ মরে ভেসে রয়েছে। পরে পুকুরের বিভিন্ন অংশে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা গেছে। পুকুরের পানিতে বিষাক্ত কোনো পদার্থ প্রয়োগের কারণে মাছগুলো মারা যেতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
পূর্বশত্রুতার জেরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ
নুর হোসেনের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জের ধরে কে বা কারা রাতের কোনো একসময় পরিকল্পিতভাবে পুকুরে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করেছে। রাতের আঁধারে এ ঘটনা ঘটানোয় তারা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সকালে পুকুরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখে বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করে পুকুরে মাছ চাষ করা হয়েছিল। মাছগুলো বড় হয়ে বিক্রির উপযোগী হওয়ার সময় এমন ঘটনায় তারা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে তাঁদের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি
ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
নুর হোসেন জানান, এ ঘটনায় পোরশা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের পর পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং পুকুরে বিষ প্রয়োগের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ৩১ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশায় রাতের আঁধারে শরিকানা একটি পুকুরে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করে মাছ নিধনের অভিযোগ উঠেছে। এতে পুকুরে চাষ করা বিভিন্ন প্রজাতির বিপুল পরিমাণ মাছ মারা গিয়ে পানির ওপর ভেসে ওঠে। এ ঘটনায় পুকুরের মালিক ও শরিকদের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে বলে দাবি করেছেন ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার।
ঘটনাটি ঘটেছে সোমবার (৩১ আগস্ট) সকালে উপজেলার গাঙ্গুরিয়া ইউনিয়নের সরাইগাছি কাতিপুর গ্রামে।
দাদার আমল থেকে পুকুরে মাছ চাষ
ক্ষতিগ্রস্ত নুর হোসেন, পিতা—মৃত আক্তার হোসেন জানান, তাঁদের প্রায় ৪০ শতাংশ পৈতৃক সম্পত্তির ওপর থাকা ওই শরিকানা পুকুরে দাদার আমল থেকে পারিবারিকভাবে মাছ চাষ করে আসছেন তারা। দীর্ঘদিন ধরে পুকুরটি শরিকদের মধ্যে পারস্পরিক সমঝোতার ভিত্তিতে ব্যবহৃত হয়ে আসছিল।
সোমবার সকালে বাড়ির পাশে থাকা পুকুরটিতে গেলে হঠাৎ তাঁর চোখে পড়ে পানির ওপর অসংখ্য মাছ মরে ভেসে রয়েছে। পরে পুকুরের বিভিন্ন অংশে খোঁজ নিয়ে দেখা যায়, রুই, কাতলা, মৃগেলসহ বিভিন্ন প্রজাতির মাছ মারা গেছে। পুকুরের পানিতে বিষাক্ত কোনো পদার্থ প্রয়োগের কারণে মাছগুলো মারা যেতে পারে বলে ধারণা করছেন তারা।
পূর্বশত্রুতার জেরে বিষ প্রয়োগের অভিযোগ
নুর হোসেনের অভিযোগ, পূর্বশত্রুতার জের ধরে কে বা কারা রাতের কোনো একসময় পরিকল্পিতভাবে পুকুরে বিষাক্ত কীটনাশক প্রয়োগ করেছে। রাতের আঁধারে এ ঘটনা ঘটানোয় তারা বিষয়টি বুঝতে পারেননি। সকালে পুকুরে গিয়ে বিপুল পরিমাণ মাছ মরে ভেসে উঠতে দেখে বিষয়টি তাঁদের নজরে আসে।
তিনি বলেন, দীর্ঘদিনের পরিশ্রম ও অর্থ ব্যয় করে পুকুরে মাছ চাষ করা হয়েছিল। মাছগুলো বড় হয়ে বিক্রির উপযোগী হওয়ার সময় এমন ঘটনায় তারা আর্থিকভাবে মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়েছেন। এতে তাঁদের প্রায় লক্ষাধিক টাকার ক্ষতি হয়েছে।
থানায় অভিযোগের প্রস্তুতি
ঘটনার পর বিষয়টি স্থানীয়ভাবে জানাজানি হলে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়। ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার ঘটনার সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনের আওতায় আনার দাবি জানিয়েছে।
নুর হোসেন জানান, এ ঘটনায় পোরশা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়েরের প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। অভিযোগের পর পুলিশ তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং পুকুরে বিষ প্রয়োগের সঙ্গে জড়িতদের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবে—এমন প্রত্যাশা করছেন ভুক্তভোগী পরিবার।
এ ঘটনায় ক্ষতিগ্রস্ত পরিবার দ্রুত তদন্তের মাধ্যমে দোষীদের শনাক্ত করে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তি এবং ক্ষতিপূরণের দাবি জানিয়েছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন