নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই ছোট যমুনা নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। দিন-রাত প্রকাশ্যে ও রাতের আঁধারে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে বালু তোলার কারণে নদীর তীরবর্তী এলাকা ভাঙনের মুখে পড়েছে। এতে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পের প্রায় ৮০টি পরিবার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বদলগাছী উপজেলার নালুবাড়ী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল ছোট যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। নদীর বুক থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ভাঙন। এরই মধ্যে নদীঘেঁষা নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পের বসতঘরগুলো নদীর একেবারে কাছাকাছি চলে এসেছে। এ অবস্থায় বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিলে আবাসন প্রকল্পের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু পরিবহনের কারণে আশপাশের এলাকায় ধুলাবালির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। একই সঙ্গে বালুবাহী যানবাহনের অবাধ চলাচলে এলাকার কাঁচা-পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গেলে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নানা ধরনের চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা বলেন, নদী থেকে এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে। এতে শুধু আবাসন প্রকল্পের ঘরবাড়িই নয়, এখানকার ৮০টি পরিবারের বসতিও হুমকির মুখে পড়বে।
ভুক্তভোগীরা নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পটি রক্ষায় দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ না হলে নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পসহ নদীর তীরবর্তী এলাকার বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বড় ধরনের ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৯ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর বদলগাছী উপজেলায় কোনো নিয়ম-নীতির তোয়াক্কা না করেই ছোট যমুনা নদী থেকে অবাধে বালু উত্তোলনের অভিযোগ উঠেছে। দিন-রাত প্রকাশ্যে ও রাতের আঁধারে নদীর বিভিন্ন স্থান থেকে বালু তোলার কারণে নদীর তীরবর্তী এলাকা ভাঙনের মুখে পড়েছে। এতে চরম ঝুঁকিতে রয়েছে নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পের প্রায় ৮০টি পরিবার।
স্থানীয়দের অভিযোগ, বদলগাছী উপজেলার নালুবাড়ী এলাকায় দীর্ঘদিন ধরে একটি প্রভাবশালী মহল ছোট যমুনা নদী থেকে অবৈধভাবে বালু উত্তোলন করে আসছে। নদীর বুক থেকে নিয়মিত বালু উত্তোলনের ফলে নদীর তীরে সৃষ্টি হয়েছে তীব্র ভাঙন। এরই মধ্যে নদীঘেঁষা নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পের বসতঘরগুলো নদীর একেবারে কাছাকাছি চলে এসেছে। এ অবস্থায় বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিলে আবাসন প্রকল্পের ঘরবাড়ি নদীগর্ভে বিলীন হওয়ার আশঙ্কা করছেন স্থানীয় বাসিন্দারা।
আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা জানান, প্রতিদিন দীর্ঘ সময় ধরে নদী থেকে বালু উত্তোলন করা হচ্ছে। বালু পরিবহনের কারণে আশপাশের এলাকায় ধুলাবালির সৃষ্টি হচ্ছে। এতে স্থানীয়দের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা ব্যাহত হওয়ার পাশাপাশি স্বাস্থ্যঝুঁকিও বাড়ছে। একই সঙ্গে বালুবাহী যানবাহনের অবাধ চলাচলে এলাকার কাঁচা-পাকা সড়ক ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ছে।
স্থানীয়দের আরও অভিযোগ, বালু উত্তোলনে বাধা দিতে গেলে প্রভাবশালী ব্যক্তিদের পক্ষ থেকে নানা ধরনের চাপ ও হুমকির মুখে পড়তে হয়। ফলে ক্ষতিগ্রস্ত হলেও অনেকেই প্রকাশ্যে প্রতিবাদ করতে সাহস পাচ্ছেন না।
নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পের বাসিন্দারা বলেন, নদী থেকে এভাবে বালু উত্তোলন অব্যাহত থাকলে যেকোনো সময় বড় ধরনের ভাঙন দেখা দিতে পারে। এতে শুধু আবাসন প্রকল্পের ঘরবাড়িই নয়, এখানকার ৮০টি পরিবারের বসতিও হুমকির মুখে পড়বে।
ভুক্তভোগীরা নদীর স্বাভাবিক গতিপথ ও পরিবেশ রক্ষার পাশাপাশি নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পটি রক্ষায় দ্রুত অবৈধ বালু উত্তোলন বন্ধের দাবি জানিয়েছেন। একই সঙ্গে অবৈধভাবে বালু উত্তোলনের সঙ্গে জড়িতদের শনাক্ত করে আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ এবং ক্ষতিগ্রস্ত এলাকা সরেজমিনে পরিদর্শনের জন্য জেলা ও উপজেলা প্রশাসনের জরুরি হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন তারা।
এ বিষয়ে প্রশাসনের দ্রুত পদক্ষেপ না হলে নালুবাড়ী সরকারি আবাসন প্রকল্পসহ নদীর তীরবর্তী এলাকার বসতবাড়ি ও গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা বড় ধরনের ভাঙনের ঝুঁকিতে পড়তে পারে বলে আশঙ্কা করছেন স্থানীয়রা।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন