নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী রজাকপুর টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মোস্তাফিজুর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে নওগাঁর রজাকপুর তুলসীগঙ্গা ব্রিজ সংলগ্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস না হওয়া, শিক্ষকদের অনুপস্থিতি, উপবৃত্তির টাকা না পাওয়া এবং প্রশাসনিক নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত সময়ে শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হন না। দিনে মাত্র কয়েকটি ক্লাস সম্পন্ন করে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া নিয়মিত উপবৃত্তির টাকা না পাওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।
কর্মসূচিতে আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ তোলা হয়। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষককে শারীরিক লাঞ্ছনা করে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। বক্তারা দ্রুত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা জোরদার এবং বিতর্কিত সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মোস্তাফিজুর রহমানের অবিলম্বে পদত্যাগের জোর দাবি জানান।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মোস্তাফিজুর রহমান। একে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চক্রান্ত দাবি করে তিনি বলেন, "আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক স্থবিরতা তৈরির জন্য একটি চক্র এই ষড়যন্ত্র করছে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হবে।"
এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির দ্রুত সমাধানে শিক্ষা প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন স্থানীয় মহল।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৮ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর ঐতিহ্যবাহী রজাকপুর টেক্সটাইল ভোকেশনাল ইনস্টিটিউটের সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মোস্তাফিজুর রহমানের পদত্যাগের দাবিতে মানববন্ধন ও প্রতিবাদ কর্মসূচি পালন করেছেন প্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থী, অভিভাবক ও স্থানীয় বাসিন্দারা। বৃহস্পতিবার (২৭ আগস্ট) সকালে নওগাঁর রজাকপুর তুলসীগঙ্গা ব্রিজ সংলগ্ন প্রতিষ্ঠানের সামনে এ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।
মানববন্ধনে অংশ নেওয়া আন্দোলনকারীরা প্রতিষ্ঠানে নিয়মিত ক্লাস না হওয়া, শিক্ষকদের অনুপস্থিতি, উপবৃত্তির টাকা না পাওয়া এবং প্রশাসনিক নানা অনিয়মের কথা তুলে ধরেন। শিক্ষার্থীরা অভিযোগ করে বলেন, দীর্ঘদিন ধরে নির্ধারিত সময়ে শিক্ষকরা শ্রেণিকক্ষে উপস্থিত হন না। দিনে মাত্র কয়েকটি ক্লাস সম্পন্ন করে ছুটি দিয়ে দেওয়া হয়, যার ফলে তাদের শিক্ষা কার্যক্রম মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে। এ ছাড়া নিয়মিত উপবৃত্তির টাকা না পাওয়ার বিষয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেন শিক্ষার্থীদের একটি অংশ।
কর্মসূচিতে আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ তোলা হয়। আন্দোলনকারীরা দাবি করেন, সম্প্রতি প্রতিষ্ঠানের একজন শিক্ষককে শারীরিক লাঞ্ছনা করে জোরপূর্বক সাদা কাগজে স্বাক্ষর নেওয়া হয়েছে, যা সাধারণ শিক্ষার্থীদের মাঝে তীব্র অসন্তোষের জন্ম দিয়েছে। বক্তারা দ্রুত প্রতিষ্ঠানে শিক্ষার সুষ্ঠু পরিবেশ ফিরিয়ে আনা, প্রশাসনিক স্বচ্ছতা জোরদার এবং বিতর্কিত সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মোস্তাফিজুর রহমানের অবিলম্বে পদত্যাগের জোর দাবি জানান।
তবে নিজের বিরুদ্ধে আনা যাবতীয় অভিযোগ ভিত্তিহীন বলে উড়িয়ে দিয়েছেন সুপারিনটেনডেন্ট কাজী মোস্তাফিজুর রহমান। একে উদ্দেশ্যপ্রণোদিত চক্রান্ত দাবি করে তিনি বলেন, "আমাকে হেয় প্রতিপন্ন করা এবং প্রতিষ্ঠানের স্বাভাবিক স্থবিরতা তৈরির জন্য একটি চক্র এই ষড়যন্ত্র করছে। অভিযোগগুলোর নিরপেক্ষ তদন্ত করা হলে প্রকৃত সত্য উন্মোচিত হবে।"
এদিকে শিক্ষা কার্যক্রম সচল রাখতে এবং উদ্ভূত পরিস্থিতির দ্রুত সমাধানে শিক্ষা প্রশাসনকে দ্রুত ব্যবস্থা নেওয়ার আকুল আবেদন জানিয়েছেন অভিভাবক ও সচেতন স্থানীয় মহল।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন