চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে রাসায়নিক সার বিক্রি ও নির্ধারিত সীমার বাইরে সার মজুদের অভিযোগে এক ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্স নামের একটি সার বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ। অভিযানে দোকানের মালিক মো. নুর ইসলাম (৫০), পিতা মো. নুরফসালীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানকালে দোকানটিতে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ২৫৯ বস্তা ইউরিয়া, ১০৬ বস্তা ডিএপি এবং ৪৫ বস্তা টিএসপি সার পাওয়া যায়।
এ ছাড়া সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে রাসায়নিক সার বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দোকান মালিককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযানে জব্দ করা সারগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার করা সার যথাযথভাবে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দোকান মালিককে বুঝিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঝিলিম ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানকে।
অভিযানে সদর উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সদর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দেওয়া এবং অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২৪ আগস্ট ২০২৬
চাঁপাইনবাবগঞ্জ সদর উপজেলার ঝিলিম ইউনিয়নে সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে রাসায়নিক সার বিক্রি ও নির্ধারিত সীমার বাইরে সার মজুদের অভিযোগে এক ডিলারকে ১ লাখ টাকা জরিমানা করা হয়েছে।
সোমবার (২৪ আগস্ট) দুপুর সাড়ে ১টার দিকে ঝিলিম ইউনিয়নের হোসেনডাঙ্গা এলাকায় মেসার্স ইসলাম ট্রেডার্স নামের একটি সার বিক্রয়কেন্দ্রে অভিযান চালিয়ে এ জরিমানা করা হয়।
অভিযানে নেতৃত্ব দেন সদর উপজেলা সহকারী কমিশনার (ভূমি) মো. ইকরামুল হক নাহিদ। অভিযানে দোকানের মালিক মো. নুর ইসলাম (৫০), পিতা মো. নুরফসালীকে অর্থদণ্ড দেওয়া হয়।
অভিযানকালে দোকানটিতে অবৈধভাবে মজুদ রাখা ২৫৯ বস্তা ইউরিয়া, ১০৬ বস্তা ডিএপি এবং ৪৫ বস্তা টিএসপি সার পাওয়া যায়।
এ ছাড়া সরকার নির্ধারিত মূল্যের চেয়ে বেশি দামে রাসায়নিক সার বিক্রির অভিযোগও পাওয়া যায়। এসব অনিয়মের কারণে ভ্রাম্যমাণ আদালতের মাধ্যমে দোকান মালিককে ১ লাখ টাকা অর্থদণ্ড করা হয়।
অভিযানে জব্দ করা সারগুলো সরকার নির্ধারিত মূল্যে কৃষকদের কাছে বিক্রির ব্যবস্থা করা হয়েছে। উদ্ধার করা সার যথাযথভাবে বিক্রি করে প্রাপ্ত অর্থ দোকান মালিককে বুঝিয়ে দেওয়ার দায়িত্ব দেওয়া হয়েছে ঝিলিম ইউনিয়নের উপসহকারী কৃষি কর্মকর্তা মো. জিয়াউর রহমানকে।
অভিযানে সদর উপজেলা কৃষি বিভাগের কর্মকর্তা-কর্মচারী এবং সদর মডেল থানা পুলিশের সদস্যরা সহযোগিতা করেন।
কৃষকদের কাছে সরকার নির্ধারিত মূল্যে সার পৌঁছে দেওয়া এবং অবৈধ মজুদ ও অতিরিক্ত দামে সার বিক্রি বন্ধে এ ধরনের অভিযান অব্যাহত থাকবে বলে সংশ্লিষ্টরা জানিয়েছেন।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন