নওগাঁর সাপাহার উপজেলার সীমান্তবর্তী মরাডাঙ্গা ও গোপালপুর এলাকায় পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই গ্রামীণ সড়কে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এতে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত সড়কসহ আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের পাশে অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি সড়কের ওপর জমে দীর্ঘসময় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ার পাশাপাশি পথচারী ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগও বাড়ছে।
বিশেষ করে উপজেলার সোনাডাঙ্গা ও সুন্দরইল বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের অন্যতম এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক, পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। জলাবদ্ধতার কারণে বর্ষা মৌসুমে তাদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে।
গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান শিরন্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দীন ও খঞ্জনপুর বিজিবি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সড়কের পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুম এলেই প্রতিবছর একই সমস্যার সৃষ্টি হয়। সাময়িকভাবে পানি সরানোর ব্যবস্থা করা হলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ না থাকায় বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাদের দাবি, দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে সড়কের পাশে পরিকল্পিত ড্রেন, কালভার্ট ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নির্মাণ করা হোক।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা গেলে সড়কটি দিয়ে জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও আরও উন্নত হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ২২ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর সাপাহার উপজেলার সীমান্তবর্তী মরাডাঙ্গা ও গোপালপুর এলাকায় পরিকল্পিত ড্রেনেজ ব্যবস্থা না থাকায় সামান্য বৃষ্টিতেই গ্রামীণ সড়কে সৃষ্টি হচ্ছে জলাবদ্ধতা। এতে গুরুত্বপূর্ণ সীমান্ত সড়কসহ আশপাশের এলাকার মানুষের চলাচলে চরম দুর্ভোগ দেখা দিয়েছে।
স্থানীয়দের অভিযোগ, সড়কের পাশে অপরিকল্পিতভাবে বাড়িঘর নির্মাণের কারণে পানি নিষ্কাশনের স্বাভাবিক পথ অনেকটাই বন্ধ হয়ে গেছে। ফলে বৃষ্টির পানি সড়কের ওপর জমে দীর্ঘসময় জলাবদ্ধতার সৃষ্টি হচ্ছে। এতে সড়কের বিভিন্ন অংশ ক্ষতিগ্রস্ত হয়ে পড়ার পাশাপাশি পথচারী ও যানবাহন চালকদের দুর্ভোগও বাড়ছে।
বিশেষ করে উপজেলার সোনাডাঙ্গা ও সুন্দরইল বিজিবি ক্যাম্পসংলগ্ন গুরুত্বপূর্ণ সড়কটিতে পানি নিষ্কাশনের পর্যাপ্ত ব্যবস্থা না থাকায় পরিস্থিতি আরও জটিল হয়ে উঠেছে। সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগের অন্যতম এই সড়কটি দিয়ে প্রতিদিন স্থানীয় বাসিন্দা, কৃষক, পথচারী ও বিভিন্ন যানবাহন চলাচল করে। জলাবদ্ধতার কারণে বর্ষা মৌসুমে তাদের ভোগান্তি চরমে পৌঁছে।
গত ২০ আগস্ট অনুষ্ঠিত উপজেলা আইনশৃঙ্খলা কমিটির সভায় বিষয়টি গুরুত্বের সঙ্গে তুলে ধরে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণের দাবি জানান শিরন্টি ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান বোরহান উদ্দীন ও খঞ্জনপুর বিজিবি ক্যাম্পের ক্যাম্প কমান্ডার। তারা সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণ করে দ্রুত জলাবদ্ধতা নিরসন এবং সড়কের পানি নিষ্কাশনের কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণের আহ্বান জানান।
স্থানীয় বাসিন্দারা জানান, বর্ষা মৌসুম এলেই প্রতিবছর একই সমস্যার সৃষ্টি হয়। সাময়িকভাবে পানি সরানোর ব্যবস্থা করা হলেও স্থায়ী সমাধানের উদ্যোগ না থাকায় বছরের পর বছর দুর্ভোগ পোহাতে হচ্ছে। তাদের দাবি, দ্রুত সরেজমিন পরিদর্শন করে সড়কের পাশে পরিকল্পিত ড্রেন, কালভার্ট ও পানি নিষ্কাশনের ব্যবস্থা নির্মাণ করা হোক।
স্থানীয়দের মতে, সীমান্ত এলাকার গুরুত্বপূর্ণ যোগাযোগ ব্যবস্থা সচল রাখতে দ্রুত কার্যকর উদ্যোগ নেওয়া জরুরি। সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের সমন্বিত পদক্ষেপের মাধ্যমে জলাবদ্ধতার স্থায়ী সমাধান করা গেলে সড়কটি দিয়ে জনসাধারণের চলাচল স্বাভাবিক হওয়ার পাশাপাশি সীমান্ত এলাকার যোগাযোগ ব্যবস্থাও আরও উন্নত হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন