দীর্ঘ ৪৪ বছর ধরে প্যাডেলচালিত রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়ে আসছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার যতনপুকুরী মরিচবাড়ি এলাকার বৃদ্ধ রফিকুল ইসলাম। বয়সের ভারে প্যাডেল মেরে রিকশা চালাতে কষ্ট হলেও অর্থের অভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা কেনার সামর্থ্য ছিল না তার।
রফিকুল ইসলামের দুর্ভোগের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা নজরে আসে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভিনের। পরে তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসক।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রফিকুল ইসলামের হাতে একটি নতুন ব্যাটারিচালিত রিকশা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এতে দীর্ঘদিনের কষ্ট কিছুটা কমবে এবং বয়সের কারণে প্যাডেল মেরে রিকশা চালানোর চাপ থেকে তিনি স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রিকশা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, তার তিন ছেলে-মেয়ে রয়েছে। বয়স বেড়ে যাওয়ায় পা দিয়ে প্যাডেল মেরে রিকশা চালানো খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসক তাকে ব্যাটারিচালিত রিকশা উপহার দেবেন, তা তিনি ভাবতেও পারেননি।
জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভিন বলেন, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়েই তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। রফিকুল ইসলামের কষ্টের বিষয়টি জানতে পেরে তার দুর্ভোগ কিছুটা কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমাম রাজী টুলুসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
দীর্ঘ ৪৪ বছর ধরে প্যাডেলচালিত রিকশা চালিয়ে সংসার চালিয়ে আসছেন পঞ্চগড় সদর উপজেলার যতনপুকুরী মরিচবাড়ি এলাকার বৃদ্ধ রফিকুল ইসলাম। বয়সের ভারে প্যাডেল মেরে রিকশা চালাতে কষ্ট হলেও অর্থের অভাবে ব্যাটারিচালিত রিকশা কেনার সামর্থ্য ছিল না তার।
রফিকুল ইসলামের দুর্ভোগের বিষয়টি গণমাধ্যমে প্রকাশিত হওয়ার পর তা নজরে আসে পঞ্চগড়ের জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভিনের। পরে তার পাশে দাঁড়ানোর উদ্যোগ নেন জেলা প্রশাসক।
সোমবার (১০ আগস্ট) দুপুরে রফিকুল ইসলামের হাতে একটি নতুন ব্যাটারিচালিত রিকশা তুলে দেন জেলা প্রশাসক। এতে দীর্ঘদিনের কষ্ট কিছুটা কমবে এবং বয়সের কারণে প্যাডেল মেরে রিকশা চালানোর চাপ থেকে তিনি স্বস্তি পাবেন বলে আশা করা হচ্ছে।
রিকশা পেয়ে আনন্দ প্রকাশ করে রফিকুল ইসলাম বলেন, তার তিন ছেলে-মেয়ে রয়েছে। বয়স বেড়ে যাওয়ায় পা দিয়ে প্যাডেল মেরে রিকশা চালানো খুবই কষ্টকর হয়ে পড়েছে। জেলা প্রশাসক তাকে ব্যাটারিচালিত রিকশা উপহার দেবেন, তা তিনি ভাবতেও পারেননি।
জেলা প্রশাসক মোসা. শুকরিয়া পারভিন বলেন, মানুষের পাশে থাকার অঙ্গীকার নিয়েই তিনি দায়িত্ব পালন করছেন। রফিকুল ইসলামের কষ্টের বিষয়টি জানতে পেরে তার দুর্ভোগ কিছুটা কমাতে এই উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ সময় অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক ইমাম রাজী টুলুসহ জেলা প্রশাসনের কর্মকর্তারা উপস্থিত ছিলেন।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন