নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিজ বাড়িতে ঢুকে যুবদলের সাবেক এক নেতাকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. সোহাগ ওরফে সোহেল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, কয়েক দিন আগে আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় রসুলপুর গ্রামের যুবদল কর্মী সুমনকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদ করায় সোহেলের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরোধ তৈরি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে কয়েকজন সোহেলের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে গুলি করেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করেন, এলাকায় জামায়াতের রাজনীতির বিরোধিতা করলে বসবাস করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। তার দাবি, সোহেলকে গুলি করে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবু তাহের। তিনি দাবি করেন, এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান জানান, এলজি ছররা গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। তার আঘাত গুরুতর নয়। প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ১০ আগস্ট ২০২৬
নোয়াখালীর বেগমগঞ্জে নিজ বাড়িতে ঢুকে যুবদলের সাবেক এক নেতাকে গুলি করার অভিযোগ উঠেছে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরুদ্ধে। রোববার (৯ আগস্ট) সন্ধ্যায় উপজেলার রসুলপুর গ্রামে এ ঘটনা ঘটে।
আহত মো. সোহাগ ওরফে সোহেল গোপালপুর ইউনিয়নের ৮ নম্বর ওয়ার্ড যুবদলের সাবেক সভাপতি। গুলিবিদ্ধ অবস্থায় স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে নোয়াখালী জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করেন।
স্থানীয় সূত্রের দাবি, কয়েক দিন আগে আমানউল্যাহপুর ইউনিয়নের জনকল্যাণ এলাকায় রসুলপুর গ্রামের যুবদল কর্মী সুমনকে মারধরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে বিরোধের সৃষ্টি হয়। ওই ঘটনার প্রতিবাদ করায় সোহেলের সঙ্গে জামায়াত-শিবিরের নেতাকর্মীদের বিরোধ তৈরি হয় বলে অভিযোগ করা হয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় ছেনি আলম, নাছির, জহির ও চশমা জাবেদের নেতৃত্বে কয়েকজন সোহেলের বাড়িতে প্রবেশ করে তাকে গুলি করেন বলে অভিযোগ করেছেন স্থানীয় বিএনপি নেতারা।
গোপালপুর ইউনিয়ন বিএনপির সাবেক সভাপতি হাবীবুর রহমান হাবীব অভিযোগ করেন, এলাকায় জামায়াতের রাজনীতির বিরোধিতা করলে বসবাস করাই কঠিন হয়ে পড়েছে। তার দাবি, সোহেলকে গুলি করে অভিযুক্তরা ঘটনাস্থল থেকে পালিয়ে যায়।
তবে এসব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন গোপালপুর ইউনিয়ন জামায়াতের আমীর আবু তাহের। তিনি দাবি করেন, এ ঘটনার সঙ্গে জামায়াতের কোনো নেতাকর্মী জড়িত নন।
বেগমগঞ্জ থানার পরিদর্শক (তদন্ত) মো. হাবীবুর রহমান জানান, এলজি ছররা গুলিতে একজন আহত হয়েছেন। তার আঘাত গুরুতর নয়। প্রাথমিকভাবে রাজনৈতিক বিরোধের জেরেই ঘটনাটি ঘটেছে বলে ধারণা করছে পুলিশ। ঘটনাস্থলে পুলিশ রয়েছে। লিখিত অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন