মেয়ের আইনজীবী জামাই, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনজীবী হাসান সারওয়ার হেনরীর বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখল, হয়রানিমূলক মামলা দায়ের এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন শশুর
খায়রুল আলম(৮২) । এসব অভিযোগের প্রতিবাদে আজ রোববার(৯ আগষ্ট) দুপুরে পঞ্চগড় আদালত চত্তরের সামনে পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া মহাসড়কে এ মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। মানববন্ধন থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেন তিনি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মানববন্ধনে শশুর খায়রুল আলম বলেন, তিনি তার স্ত্রী বেগম মমতাজ জাহান, তৃতীয় কন্যা নাজমা ইয়াসমিন ও চতুর্থ কন্যা ডা. নাফিয়া ইয়াসমিন এবং পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে হাসান সারওয়ার হেনরীর বিভিন্ন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৮ সালে হাসান সারওয়ার হেনরী পঞ্চগড় আইনজীবী সমিতির সদস্য থাকাকালে তার দ্বিতীয় মেয়ে নাসিমা ইয়াসমিন সুমির সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নাসিমা ইয়াসমিন সুমি ভালোবাসার সম্পর্কের কারণে গোপনে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ২০০৮ সাল পর্যন্ত তাদের স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় থাকলেও পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধ তৈরি হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই বিরোধের জেরে হাসান সারওয়ার হেনরী পরিবারের স্থাবর সম্পত্তির প্রায় প্রতিটি ক্ষতিয়ানে ভুয়া ওয়ারিশ সাজিয়ে আদালতে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি গত ১৫ বছর ধরে পরিবারের সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে প্রায় প্রতিমাসে মামলার অজুহাতে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, গত ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে সম্পত্তি বিক্রির বায়না দলিলের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হলে মোবাইল ফোনে হাসান সারওয়ার হেনরী হয়রানিমূলক মামলা ও শারীরিক নির্যাতনের হুমকি দেন। এ ঘটনায় গত ৭ জুলাই পঞ্চগড় সদর সিভিল জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।
এ ছাড়া গত ১২ জুলাই আদালতকে না জানিয়ে বিবাদীর বিরুদ্ধে অস্থায়ী ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারির অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে পঞ্চগড়ের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আবেদন করা হয়।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানান খায়রুল আলম। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান শশুর খায়রুল আলম ও পরিবারের সদসরা ।
এ বিষয়ে জামাই হাসান সারওয়ার হেনরী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সুনাম খুন্ন করার জন্য এমন অভিযোগ করেছেন ওই ব্যক্তি। অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে জমিজমা সক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।। এসব অপরাধ ঢাকানোর জন্য বিভিন্ন ষঢ়যন্ত করে যাচ্ছেন তিনি।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
মেয়ের আইনজীবী জামাই, সাবেক আওয়ামী লীগ নেতা ও আইনজীবী হাসান সারওয়ার হেনরীর বিরুদ্ধে সম্পত্তি দখল, হয়রানিমূলক মামলা দায়ের এবং শারীরিক ও মানসিক নির্যাতনের অভিযোগ করেছেন শশুর
খায়রুল আলম(৮২) । এসব অভিযোগের প্রতিবাদে আজ রোববার(৯ আগষ্ট) দুপুরে পঞ্চগড় আদালত চত্তরের সামনে পঞ্চগড়-তেঁতুলিয়া মহাসড়কে এ মানববন্ধন করেন ভুক্তভোগী পরিবার। মানববন্ধন থেকে একটি প্রেস বিজ্ঞপ্তি সাংবাদিকদের হাতে তুলে দেন তিনি।
প্রেস বিজ্ঞপ্তি ও মানববন্ধনে শশুর খায়রুল আলম বলেন, তিনি তার স্ত্রী বেগম মমতাজ জাহান, তৃতীয় কন্যা নাজমা ইয়াসমিন ও চতুর্থ কন্যা ডা. নাফিয়া ইয়াসমিন এবং পরিবারের সদস্যরা দীর্ঘদিন ধরে হাসান সারওয়ার হেনরীর বিভিন্ন হয়রানি ও নির্যাতনের শিকার হয়ে আসছেন।
লিখিত বক্তব্যে বলা হয়, ১৯৯৮ সালে হাসান সারওয়ার হেনরী পঞ্চগড় আইনজীবী সমিতির সদস্য থাকাকালে তার দ্বিতীয় মেয়ে নাসিমা ইয়াসমিন সুমির সম্পত্তি সংক্রান্ত বিষয়ে হস্তক্ষেপ করেন। অভিযোগ অনুযায়ী, নাসিমা ইয়াসমিন সুমি ভালোবাসার সম্পর্কের কারণে গোপনে পালিয়ে গিয়ে বিয়ে করেন। বিষয়টি জানাজানি হওয়ার পর ২০০৮ সাল পর্যন্ত তাদের স্বাভাবিক সম্পর্ক বজায় থাকলেও পরবর্তীতে পারিবারিক বিরোধ তৈরি হয়।
অভিযোগে আরও বলা হয়, ওই বিরোধের জেরে হাসান সারওয়ার হেনরী পরিবারের স্থাবর সম্পত্তির প্রায় প্রতিটি ক্ষতিয়ানে ভুয়া ওয়ারিশ সাজিয়ে আদালতে বিভিন্ন হয়রানিমূলক মামলা দায়ের করেন। পাশাপাশি গত ১৫ বছর ধরে পরিবারের সদস্যদের শারীরিক ও মানসিক নির্যাতন করে প্রায় প্রতিমাসে মামলার অজুহাতে মোটা অঙ্কের টাকা হাতিয়ে নেওয়ার অভিযোগও করেন ।
প্রেস বিজ্ঞপ্তিতে দাবি করা হয়, গত ২ জুলাই ২০২৬ তারিখে সম্পত্তি বিক্রির বায়না দলিলের দিনক্ষণ নির্ধারণ করা হলে মোবাইল ফোনে হাসান সারওয়ার হেনরী হয়রানিমূলক মামলা ও শারীরিক নির্যাতনের হুমকি দেন। এ ঘটনায় গত ৭ জুলাই পঞ্চগড় সদর সিভিল জজ আদালতে মামলা দায়ের করা হয়।
এ ছাড়া গত ১২ জুলাই আদালতকে না জানিয়ে বিবাদীর বিরুদ্ধে অস্থায়ী ও অন্তর্বর্তীকালীন নিষেধাজ্ঞার আদেশ জারির অভিযোগ করা হয়েছে। পরবর্তীতে পঞ্চগড়ের জেলা ও দায়রা জজ আদালতে জমি সংক্রান্ত বিষয়ে আবেদন করা হয়।
এ বিষয়ে পঞ্চগড় সদর থানায় দুটি সাধারণ ডায়েরি (জিডি) করা হয়েছে বলে জানান খায়রুল আলম। অভিযোগগুলো তদন্ত করে প্রকৃত ঘটনা উদঘাটন এবং ন্যায়বিচারের দাবি জানান শশুর খায়রুল আলম ও পরিবারের সদসরা ।
এ বিষয়ে জামাই হাসান সারওয়ার হেনরী সব অভিযোগ অস্বীকার করে বলেন, আমার সুনাম খুন্ন করার জন্য এমন অভিযোগ করেছেন ওই ব্যক্তি। অভিযোগকারীর বিরুদ্ধে জমিজমা সক্রান্ত একাধিক মামলা রয়েছে।। এসব অপরাধ ঢাকানোর জন্য বিভিন্ন ষঢ়যন্ত করে যাচ্ছেন তিনি।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন