নওগাঁর ১১টি উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট বাড়ছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য, সেচ কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে রাতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এতে নওগাঁর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে।
দ্রুত শিডিউল প্রকাশের দাবি
এ পরিস্থিতিতে নওগাঁ পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জেলার ১১টি উপজেলার জন্য নিয়মিত ও সহজবোধ্য লোডশেডিংয়ের সময়সূচি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের মতে, কোনো এলাকায় কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে—এ তথ্য আগেই জানানো হলে সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রয়োজনীয় কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী করতে পারবেন। একই সঙ্গে জরুরি সেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিকাজ পরিচালনাতেও কিছুটা প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য প্রকাশের আহ্বান
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার করে লোডশেডিংয়ের তথ্য দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
তাদের দাবি, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ বা এসএমএসের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্ভাব্য সময় জানানো হলে গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমতে পারে।
নওগাঁবাসীর প্রত্যাশা, বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি কোনো কারণে লোডশেডিং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সময়সূচি প্রকাশ করবে এবং বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী তা নিয়মিত হালনাগাদ করবে।
বিদ্যুতের ঘন ঘন বিভ্রাটে জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর ১১টি উপজেলায় ঘন ঘন লোডশেডিংয়ে জনজীবনে দুর্ভোগ বেড়েছে। দিনের পাশাপাশি রাতেও বারবার বিদ্যুৎ চলে যাওয়ায় শিক্ষার্থী, ব্যবসায়ী, কৃষকসহ বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ ভোগান্তিতে পড়ছেন।
স্থানীয়দের অভিযোগ, অনেক সময় দীর্ঘক্ষণ বিদ্যুৎ না থাকায় গরমে শিশু ও বয়স্কদের কষ্ট বাড়ছে। পাশাপাশি বিদ্যুৎনির্ভর ব্যবসা-বাণিজ্য, সেচ কার্যক্রম, শিক্ষার্থীদের পড়াশোনা ও দৈনন্দিন কাজ ব্যাহত হচ্ছে।
বিশেষ করে রাতে ঘন ঘন বিদ্যুৎ বিভ্রাটের কারণে স্বাভাবিক জীবনযাত্রায় বিঘ্ন ঘটছে বলে জানিয়েছেন ভুক্তভোগীরা। এতে নওগাঁর বিভিন্ন এলাকায় বিদ্যুৎ সরবরাহ নিয়ে মানুষের মধ্যে অসন্তোষ তৈরি হচ্ছে।
দ্রুত শিডিউল প্রকাশের দাবি
এ পরিস্থিতিতে নওগাঁ পল্লি বিদ্যুৎ সমিতির সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের কাছে জেলার ১১টি উপজেলার জন্য নিয়মিত ও সহজবোধ্য লোডশেডিংয়ের সময়সূচি প্রকাশের দাবি জানিয়েছেন স্থানীয়রা।
তাদের মতে, কোনো এলাকায় কখন বিদ্যুৎ সরবরাহ বন্ধ থাকবে—এ তথ্য আগেই জানানো হলে সাধারণ মানুষ নিজেদের প্রয়োজনীয় কাজ পরিকল্পনা অনুযায়ী করতে পারবেন। একই সঙ্গে জরুরি সেবা, ব্যবসা-বাণিজ্য ও কৃষিকাজ পরিচালনাতেও কিছুটা প্রস্তুতি নেওয়া সম্ভব হবে।
প্রযুক্তিনির্ভর তথ্য প্রকাশের আহ্বান
বর্তমান সময়ে প্রযুক্তির ব্যবহার করে লোডশেডিংয়ের তথ্য দ্রুত ও স্বচ্ছভাবে জনগণের কাছে পৌঁছে দেওয়ার ব্যবস্থা করা যেতে পারে বলে মনে করছেন সচেতন নাগরিকরা।
তাদের দাবি, ওয়েবসাইট, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম, মোবাইল অ্যাপ বা এসএমএসের মাধ্যমে এলাকাভিত্তিক বিদ্যুৎ বিভ্রাটের সম্ভাব্য সময় জানানো হলে গ্রাহকদের ভোগান্তি অনেকটাই কমতে পারে।
নওগাঁবাসীর প্রত্যাশা, বিদ্যুৎ সরবরাহ পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখার পাশাপাশি কোনো কারণে লোডশেডিং প্রয়োজন হলে সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষ দ্রুত সময়সূচি প্রকাশ করবে এবং বাস্তব পরিস্থিতি অনুযায়ী তা নিয়মিত হালনাগাদ করবে।
বিদ্যুতের ঘন ঘন বিভ্রাটে জনদুর্ভোগ কমাতে দ্রুত কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার দাবি জানিয়েছেন জেলার বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার মানুষ।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন