নওগাঁর সীমান্তবর্তী এলাকার কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে এক মাসব্যাপী মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ও রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণ শুরু করেছে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)।
রোববার (৯ আগস্ট) সাপাহার উপজেলার আইহাই ইউনিয়নের সীমান্ত টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে সীমান্তবর্তী এলাকার ২৭ জন কর্মপ্রত্যাশী যুবক অংশ নিয়েছেন।
থাকছে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ
এক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মোবাইল ফোনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ত্রুটি শনাক্তকরণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি হাতে-কলমে বিভিন্ন কারিগরি বিষয় শেখানো হবে।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কারিগরি দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।
অপরাধ থেকে দূরে রাখার উদ্যোগ
১৬ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকার যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের বৈধ কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করাও এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কর্মমুখী এমন প্রশিক্ষণ যুবকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে তাদের দূরে রাখতেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী যুবকরা অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মাধ্যমে নিজস্ব কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ পাবেন। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় বেকারত্ব কমানোর পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর সীমান্তবর্তী এলাকার কর্মপ্রত্যাশী যুবকদের দক্ষতা উন্নয়ন ও আত্মনির্ভরশীল করে গড়ে তুলতে এক মাসব্যাপী মোবাইল ফোন সার্ভিসিং ও রিপেয়ারিং প্রশিক্ষণ শুরু করেছে নওগাঁ ব্যাটালিয়ন (১৬ বিজিবি)।
রোববার (৯ আগস্ট) সাপাহার উপজেলার আইহাই ইউনিয়নের সীমান্ত টেকনিক্যাল ট্রেনিং সেন্টারে এ প্রশিক্ষণ কার্যক্রমের উদ্বোধন করা হয়। এতে সীমান্তবর্তী এলাকার ২৭ জন কর্মপ্রত্যাশী যুবক অংশ নিয়েছেন।
থাকছে তাত্ত্বিক ও ব্যবহারিক প্রশিক্ষণ
এক মাসব্যাপী প্রশিক্ষণে অংশগ্রহণকারীদের মোবাইল ফোনের বিভিন্ন হার্ডওয়্যার ও সফটওয়্যার ত্রুটি শনাক্তকরণ, মেরামত ও রক্ষণাবেক্ষণ বিষয়ে প্রশিক্ষণ দেওয়া হবে। পাশাপাশি হাতে-কলমে বিভিন্ন কারিগরি বিষয় শেখানো হবে।
প্রশিক্ষণের মাধ্যমে যুবকদের কারিগরি দক্ষতা বাড়ানোর পাশাপাশি ভবিষ্যতে চাকরি বা আত্মকর্মসংস্থানের সুযোগ তৈরির লক্ষ্য রয়েছে।
অপরাধ থেকে দূরে রাখার উদ্যোগ
১৬ বিজিবি সূত্রে জানা যায়, সীমান্তবর্তী এলাকার যুবকদের দক্ষ মানবসম্পদ হিসেবে গড়ে তোলার পাশাপাশি তাদের বৈধ কর্মসংস্থান ও আত্মকর্মসংস্থানের সঙ্গে যুক্ত করাও এ উদ্যোগের অন্যতম উদ্দেশ্য।
সংশ্লিষ্টরা মনে করছেন, কর্মমুখী এমন প্রশিক্ষণ যুবকদের অর্থনৈতিকভাবে স্বাবলম্বী হওয়ার সুযোগ তৈরি করবে। একই সঙ্গে চোরাচালানসহ বিভিন্ন অপরাধমূলক কর্মকাণ্ড থেকে তাদের দূরে রাখতেও এ ধরনের উদ্যোগ ইতিবাচক ভূমিকা রাখতে পারে।
আত্মনির্ভরশীল হওয়ার সুযোগ
প্রশিক্ষণ শেষে অংশগ্রহণকারী যুবকরা অর্জিত দক্ষতা কাজে লাগিয়ে মোবাইল সার্ভিসিংয়ের মাধ্যমে নিজস্ব কর্মসংস্থান তৈরির সুযোগ পাবেন। এতে সীমান্তবর্তী এলাকায় বেকারত্ব কমানোর পাশাপাশি দক্ষ জনশক্তি তৈরিতেও ভূমিকা রাখবে বলে সংশ্লিষ্টরা আশা করছেন।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন