নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মাকলাহাট-দীঘা আঞ্চলিক সড়কের খালের ওপর থাকা জোড় ব্রিজের সংযোগ সড়কের মাটি ধসে পড়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া ব্রিজ ও সড়কটি দ্রুত সংস্কার না হওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও নিয়মিত যাতায়াতকারী যানবাহনের চালকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটির একপাশের সংযোগ সড়কের মাটি সরে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে বড় ধরনের যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসীসহ রহনপুর থেকে মহাদেবপুর ও নওগাঁগামী বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা।
স্থানীয়রা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়ক ও ব্রিজ নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ব্যক্তি উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে ব্রিজের সংযোগ সড়কের ভাঙন রোধে খালের মধ্যে বালু ও মাটি ভর্তি প্লাস্টিকের বস্তা এবং বাঁশের খুঁটি দিয়ে সাময়িকভাবে প্রতিরোধ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের অস্থায়ী ব্যবস্থা যেকোনো সময় ভেঙে গিয়ে আরও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাকলাহাট গ্রামের মো. তারেক আহমেদ দুলাল তাঁর কোচিংয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাসযোগে পিকনিকে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু সড়কের গর্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে বাস চলাচল করতে পারবে না—এমন পরিস্থিতিতে তিনি নিজ উদ্যোগে সাময়িকভাবে রাস্তা মেরামতের কাজ করেন।
মো. তারেক আহমেদ দুলাল বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাসে পিকনিকে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাস্তার এমন বেহাল অবস্থা যে বড় বাস চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে সাময়িকভাবে রাস্তা সংস্কারের চেষ্টা করেছি।
এলাকাবাসী জানান, পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর থেকে মহাদেবপুর হয়ে নওগাঁ যাওয়ার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শত শত মানুষ এবং হালকা থেকে ভারী বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে।
তাঁরা আরও বলেন, ব্রিজের গোড়ার মাটি যেভাবে সরে গেছে, তাতে যেকোনো সময় বড় ধরনের ধস নামতে পারে। বিশেষ করে রাতে যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেশি। বস্তা ও বাঁশ দিয়ে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
এলাকাবাসীর দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা প্রাণহানি ঘটার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ ও সংযোগ সড়কটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংযোগ সড়কে একটি টেকসই ও বড় ব্রিজ নির্মাণ করে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৯ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর নিয়ামতপুর উপজেলার মাকলাহাট-দীঘা আঞ্চলিক সড়কের খালের ওপর থাকা জোড় ব্রিজের সংযোগ সড়কের মাটি ধসে পড়ায় বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়া ব্রিজ ও সড়কটি দ্রুত সংস্কার না হওয়ায় আতঙ্কে দিন কাটাচ্ছেন স্থানীয় বাসিন্দারা ও নিয়মিত যাতায়াতকারী যানবাহনের চালকরা।
স্থানীয়দের অভিযোগ, ব্রিজটির একপাশের সংযোগ সড়কের মাটি সরে গিয়ে বড় গর্তের সৃষ্টি হয়েছে। এ কারণে বড় ধরনের যানবাহন চলাচল প্রায় বন্ধ রয়েছে। এতে দুর্ভোগে পড়েছেন এলাকাবাসীসহ রহনপুর থেকে মহাদেবপুর ও নওগাঁগামী বিভিন্ন যানবাহনের যাত্রীরা।
স্থানীয়রা জানান, ঝুঁকিপূর্ণ এই সড়ক ও ব্রিজ নিয়ে একাধিকবার সংবাদ প্রকাশিত হয়েছে। এমনকি বিষয়টি উপজেলা প্রশাসনকেও অবহিত করা হয়েছে। কিন্তু এখন পর্যন্ত স্থায়ী কোনো ব্যবস্থা নেওয়া হয়নি। প্রশাসনের এমন উদাসীনতায় ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন এলাকাবাসী।
সরেজমিনে দেখা যায়, গত বৃহস্পতিবার (৬ আগস্ট) ব্যক্তি উদ্যোগে জরুরি ভিত্তিতে ব্রিজের সংযোগ সড়কের ভাঙন রোধে খালের মধ্যে বালু ও মাটি ভর্তি প্লাস্টিকের বস্তা এবং বাঁশের খুঁটি দিয়ে সাময়িকভাবে প্রতিরোধ তৈরির চেষ্টা করা হচ্ছে। তবে স্থানীয়দের দাবি, এ ধরনের অস্থায়ী ব্যবস্থা যেকোনো সময় ভেঙে গিয়ে আরও বড় বিপদ তৈরি করতে পারে।
স্থানীয় সূত্রে জানা যায়, মাকলাহাট গ্রামের মো. তারেক আহমেদ দুলাল তাঁর কোচিংয়ের শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাসযোগে পিকনিকে যাওয়ার উদ্যোগ নেন। কিন্তু সড়কের গর্ত ও ঝুঁকিপূর্ণ অবস্থার কারণে বাস চলাচল করতে পারবে না—এমন পরিস্থিতিতে তিনি নিজ উদ্যোগে সাময়িকভাবে রাস্তা মেরামতের কাজ করেন।
মো. তারেক আহমেদ দুলাল বলেন, শিক্ষার্থীদের নিয়ে বাসে পিকনিকে যাওয়ার কথা ছিল। কিন্তু রাস্তার এমন বেহাল অবস্থা যে বড় বাস চলাচল করা ঝুঁকিপূর্ণ। তাই বাধ্য হয়ে নিজ উদ্যোগে সাময়িকভাবে রাস্তা সংস্কারের চেষ্টা করেছি।
এলাকাবাসী জানান, পার্শ্ববর্তী চাঁপাইনবাবগঞ্জের গোমস্তাপুর উপজেলার রহনপুর থেকে মহাদেবপুর হয়ে নওগাঁ যাওয়ার জন্য এটি একটি গুরুত্বপূর্ণ ও সহজ সড়ক। প্রতিদিন এই সড়ক দিয়ে শত শত মানুষ এবং হালকা থেকে ভারী বিভিন্ন ধরনের যানবাহন চলাচল করে।
তাঁরা আরও বলেন, ব্রিজের গোড়ার মাটি যেভাবে সরে গেছে, তাতে যেকোনো সময় বড় ধরনের ধস নামতে পারে। বিশেষ করে রাতে যানবাহন চলাচলের সময় দুর্ঘটনার ঝুঁকি আরও বেশি। বস্তা ও বাঁশ দিয়ে সাময়িকভাবে ভাঙন ঠেকানোর চেষ্টা করা হলেও এটি কোনো স্থায়ী সমাধান নয়।
এলাকাবাসীর দাবি, বড় কোনো দুর্ঘটনা প্রাণহানি ঘটার আগেই সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষকে দ্রুত ঝুঁকিপূর্ণ ব্রিজ ও সংযোগ সড়কটি পরিদর্শন করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে হবে। একই সঙ্গে সংযোগ সড়কে একটি টেকসই ও বড় ব্রিজ নির্মাণ করে দীর্ঘদিনের দুর্ভোগের স্থায়ী সমাধানের দাবি জানিয়েছেন তাঁরা।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন