প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফরকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফরকে নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
সফরের প্রস্তুতি নিয়ে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা কালেক্টরেটের সভাকক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সম্ভাব্য জনসমাগম, যানবাহন চলাচল, যোগাযোগব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্ব ও সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক খালিদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও জনজীবন যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে।
সফরের সম্ভাব্য কর্মসূচি সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল, প্রবেশপথ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং জনসমাগম ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর দায়িত্ব নির্ধারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সম্ভাব্য রুটে যানজট নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের তিনটি উপজেলায় সফর করবেন। এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা নিজ নিজ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য জনসমাগম, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অনুষ্ঠানস্থল এবং প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের রুটকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে।
সফর ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিকে সফল করতে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রস্তুতি ও প্রচার-প্রচারণা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের একটি স্থান থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সভায় শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা, আন্তঃদপ্তর সমন্বয় এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রশাসন আশা করছে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফর সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানের আগামী ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সফরকে সামনে রেখে জেলা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ব্যাপক প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে। সফরকে নির্বিঘ্ন, নিরাপদ ও সুশৃঙ্খল করতে প্রশাসন, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনী, জনপ্রতিনিধি এবং সংশ্লিষ্ট বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় জোরদার করা হয়েছে।
সফরের প্রস্তুতি নিয়ে শনিবার (৮ আগস্ট) বিকেলে কিশোরগঞ্জ জেলা কালেক্টরেটের সভাকক্ষে বিশেষ সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা প্রশাসনের আয়োজনে অনুষ্ঠিত এ সভায় নিরাপত্তা ব্যবস্থা, সম্ভাব্য জনসমাগম, যানবাহন চলাচল, যোগাযোগব্যবস্থা, আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি এবং বিভিন্ন সরকারি দপ্তরের দায়িত্ব ও সমন্বয় নিয়ে বিস্তারিত আলোচনা করা হয়।
জেলা প্রশাসক সোহানা নাসরিনের সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন কৃষি মন্ত্রণালয় এবং মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের মন্ত্রী আমিন উর রশীদ। বিশেষ অতিথি ছিলেন সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়ের সচিব দেলোয়ার হোসেন।
সভায় আরও উপস্থিত ছিলেন বস্ত্র ও পাট মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও কিশোরগঞ্জ-৬ আসনের সংসদ সদস্য শরীফুল আলম, কিশোরগঞ্জ-১ আসনের সংসদ সদস্য মাজহারুল ইসলাম, কিশোরগঞ্জ-২ আসনের সংসদ সদস্য অ্যাডভোকেট জালাল উদ্দিন এবং জেলা পরিষদের প্রশাসক খালিদ সাইফুল্লাহ সোহেল খান।
এ ছাড়া জেলা প্রশাসনের বিভিন্ন পর্যায়ের কর্মকর্তা, আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্য, রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরাও সভায় অংশ নেন।
সভায় বক্তারা বলেন, প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে বিপুলসংখ্যক মানুষের সমাগমের সম্ভাবনা রয়েছে। তাই নিরাপত্তাকে সর্বোচ্চ গুরুত্ব দেওয়ার পাশাপাশি সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক চলাচল ও জনজীবন যাতে ব্যাহত না হয়, সেদিকেও সতর্ক থাকতে হবে।
সফরের সম্ভাব্য কর্মসূচি সামনে রেখে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক, অনুষ্ঠানস্থল, প্রবেশপথ ও আশপাশের এলাকায় নিরাপত্তা জোরদার, যানবাহন নিয়ন্ত্রণ এবং জনসমাগম ব্যবস্থাপনা নিয়ে আলোচনা করা হয়। একই সঙ্গে সংশ্লিষ্ট সরকারি দপ্তরগুলোর দায়িত্ব নির্ধারণ এবং প্রয়োজন অনুযায়ী পারস্পরিক সমন্বয়ের মাধ্যমে কাজ করার ওপর গুরুত্ব দেওয়া হয়।
প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের সম্ভাব্য রুটে যানজট নিয়ন্ত্রণ, নিরাপদ যাতায়াত নিশ্চিত করা এবং সাধারণ মানুষের চলাচল স্বাভাবিক রাখতে আগাম ব্যবস্থা নেওয়ার বিষয়েও সভায় নির্দেশনা দেওয়া হয়।
জেলা প্রশাসন সূত্রে জানা গেছে, আগামী ১৬ আগস্ট প্রধানমন্ত্রী কিশোরগঞ্জের তিনটি উপজেলায় সফর করবেন। এ সফরকে কেন্দ্র করে জেলা ও উপজেলা পর্যায়ে প্রস্তুতিমূলক কার্যক্রম ইতোমধ্যে শুরু হয়েছে। সংশ্লিষ্ট উপজেলা প্রশাসন, পুলিশ প্রশাসন, জনপ্রতিনিধি এবং বিভিন্ন সরকারি-বেসরকারি সংস্থা নিজ নিজ পর্যায়ে প্রস্তুতি নিচ্ছে।
এদিকে প্রধানমন্ত্রীর সফরকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর পক্ষ থেকেও বিশেষ নিরাপত্তা পরিকল্পনা নেওয়া হচ্ছে। সম্ভাব্য জনসমাগম, গুরুত্বপূর্ণ স্থাপনা, অনুষ্ঠানস্থল এবং প্রধানমন্ত্রীর চলাচলের রুটকে বিশেষ গুরুত্ব দিয়ে নিরাপত্তা ব্যবস্থা সাজানো হচ্ছে।
সফর ঘিরে স্থানীয় রাজনৈতিক নেতাকর্মী ও সাধারণ মানুষের মধ্যেও উৎসাহ-উদ্দীপনা দেখা দিয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর কর্মসূচিকে সফল করতে বিভিন্ন পর্যায়ে প্রস্তুতি ও প্রচার-প্রচারণা চলছে।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৬ আগস্ট কিশোরগঞ্জ সদর উপজেলার লতিফাবাদ ইউনিয়নের একটি স্থান থেকে ‘ফ্যামিলি কার্ড’ কর্মসূচির দ্বিতীয় ধাপের আনুষ্ঠানিক উদ্বোধনের কথা রয়েছে। এ কর্মসূচিকে কেন্দ্র করেও প্রশাসনের পক্ষ থেকে প্রয়োজনীয় প্রস্তুতি নেওয়া হচ্ছে।
সভায় শেষ পর্যন্ত নিরাপত্তা, শৃঙ্খলা, আন্তঃদপ্তর সমন্বয় এবং সাধারণ মানুষের স্বাভাবিক জীবনযাত্রা নিশ্চিত করার ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। প্রশাসন আশা করছে, সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের সমন্বিত উদ্যোগে প্রধানমন্ত্রীর কিশোরগঞ্জ সফর সুষ্ঠু ও নির্বিঘ্নভাবে সম্পন্ন হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন