নওগাঁর পোরশা উপজেলায় চলতি বছরের গত সাত মাসে বিভিন্ন ঘটনায় ২০ জনের অপমৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটেছে আত্মহত্যার ঘটনা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
পোরশা থানার তথ্য অনুযায়ী, গত সাত মাসে আত্মহত্যা করেছেন ছয়জন। এ ছাড়া সাপের কামড়ে চারজন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চারজন, পানিতে ডুবে দুজন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যান্য ঘটনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা যায়, আত্মহত্যার ঘটনায় নিহতরা হলেন—তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের পলাশডাঙ্গা গ্রামের অতুল বর্মন (৬০), বড় রনাইল গ্রামের প্রশান্ত বর্মন (২৫), মশিদপুর ইউনিয়নের বালিচাঁদ গ্রামের জুয়েল মণ্ডল (৩৯), ঘাটনগর ইউনিয়নের তাঁতীপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী (৪৭) ও সুমাইয়া জান্নাত (১৮) এবং ছাওড় খাতিরপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলাম রাজু (১৮)।
সাপের কামড়ে মারা গেছেন সামিনুল ইসলাম শাহ (৫৫), শিশু আবদুল্লাহ (১০), রাকিবুল ইসলাম (১৭) ও ফাওজিয়া (৪৬)। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন তহুরুল ইসলাম (৩৬), সাইদুল ইসলাম (৪০), আব্দুল আজিজ (২৭) ও মাহবুর রহমান (২৮)।
পানিতে ডুবে মারা গেছে শিশু ফাতেমা (৬) ও মাহিম (৭)। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন হাফিজদ্দিন হাপি (৬৫) ও রামলাল কুজুর (৪০)। এ ছাড়া অন্যান্য ঘটনায় মর্জিনা খাতুন (২৬) নিহত হন এবং বুলু (৫৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, প্রতিটি ঘটনার পর থানায় অপমৃত্যু মামলা অথবা ঘটনার ধরন অনুযায়ী নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি অকাল ও অস্বাভাবিক মৃত্যু রোধে পারিবারিক বন্ধন জোরদার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা জরুরি।”
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের ভূমিকা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৮ আগস্ট ২০২৬
নওগাঁর পোরশা উপজেলায় চলতি বছরের গত সাত মাসে বিভিন্ন ঘটনায় ২০ জনের অপমৃত্যু হয়েছে। এর মধ্যে সবচেয়ে বেশি ঘটেছে আত্মহত্যার ঘটনা। পুলিশ ও স্থানীয় সূত্রে এসব তথ্য জানা গেছে।
পোরশা থানার তথ্য অনুযায়ী, গত সাত মাসে আত্মহত্যা করেছেন ছয়জন। এ ছাড়া সাপের কামড়ে চারজন, বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে চারজন, পানিতে ডুবে দুজন এবং সড়ক দুর্ঘটনায় দুজনের মৃত্যু হয়েছে। অন্যান্য ঘটনায় আরও দুজনের মৃত্যু হয়েছে।
থানা সূত্রে জানা যায়, আত্মহত্যার ঘটনায় নিহতরা হলেন—তেঁতুলিয়া ইউনিয়নের পলাশডাঙ্গা গ্রামের অতুল বর্মন (৬০), বড় রনাইল গ্রামের প্রশান্ত বর্মন (২৫), মশিদপুর ইউনিয়নের বালিচাঁদ গ্রামের জুয়েল মণ্ডল (৩৯), ঘাটনগর ইউনিয়নের তাঁতীপাড়া গ্রামের আইয়ুব আলী (৪৭) ও সুমাইয়া জান্নাত (১৮) এবং ছাওড় খাতিরপুর গ্রামের রাকিবুল ইসলাম রাজু (১৮)।
সাপের কামড়ে মারা গেছেন সামিনুল ইসলাম শাহ (৫৫), শিশু আবদুল্লাহ (১০), রাকিবুল ইসলাম (১৭) ও ফাওজিয়া (৪৬)। বিদ্যুৎস্পৃষ্ট হয়ে মারা গেছেন তহুরুল ইসলাম (৩৬), সাইদুল ইসলাম (৪০), আব্দুল আজিজ (২৭) ও মাহবুর রহমান (২৮)।
পানিতে ডুবে মারা গেছে শিশু ফাতেমা (৬) ও মাহিম (৭)। সড়ক দুর্ঘটনায় নিহত হয়েছেন হাফিজদ্দিন হাপি (৬৫) ও রামলাল কুজুর (৪০)। এ ছাড়া অন্যান্য ঘটনায় মর্জিনা খাতুন (২৬) নিহত হন এবং বুলু (৫৮) নামে এক ব্যক্তির মরদেহ উদ্ধার করা হয়।
পোরশা থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) জিয়াউর রহমান বলেন, প্রতিটি ঘটনার পর থানায় অপমৃত্যু মামলা অথবা ঘটনার ধরন অনুযায়ী নিয়মিত মামলা করা হয়েছে। আইন অনুযায়ী প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, “আইনি ব্যবস্থার পাশাপাশি অকাল ও অস্বাভাবিক মৃত্যু রোধে পারিবারিক বন্ধন জোরদার, সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি এবং জনসচেতনতামূলক কার্যক্রম আরও জোরদার করা জরুরি।”
স্থানীয় বাসিন্দারা মনে করছেন, আত্মহত্যা প্রতিরোধে পরিবার ও সমাজের ভূমিকা আরও বাড়ানো প্রয়োজন। সংকটে থাকা মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের কথা মনোযোগ দিয়ে শোনা এবং প্রয়োজনীয় সহায়তার ব্যবস্থা করার পাশাপাশি সামাজিক সচেতনতা বৃদ্ধি করা জরুরি।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন