বিচার বিভাগে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতি কিংবা নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের অভাবকেই সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে দেখছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রয়াত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোক ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ নিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি একেক রকম। কারও কাছে দুর্নীতি ও দালালচক্র বড় সমস্যা, আবার কেউ মনে করেন প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতিই প্রধান সংকট। তবে তার দৃষ্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বিচারকদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের চেতনা থাকা।
তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি যখন বিচারকের পেশায় আসেন, তখন এটিকে অন্য সাধারণ চাকরির সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। বিচারকের দায়িত্ব হলো মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নিজের দায়িত্বের প্রতি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও নৈতিকতা বজায় রাখা।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বিচারকরা যদি তাদের দায়িত্বকে বিশেষ মর্যাদা ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন এবং নিরপেক্ষভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন, তাহলে দেশে একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও বক্তব্য
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, তিনি দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চলমান প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি বলেন, আইনের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী। ব্যক্তির ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা থাকলেও আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কাজ করে। তাই দেশে ফিরলে তাকে আইনের পথেই চলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন যারা
প্রয়াত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কুদ্দুস সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহম্মদ আশিস বিন হাছান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রয়াত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের কর্ম ও অবদানের কথা স্মরণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
বিচার বিভাগে অবকাঠামোগত সীমাবদ্ধতা, দুর্নীতি কিংবা নানা অনিয়মের অভিযোগ থাকলেও মানবিক মূল্যবোধসম্পন্ন বিচারকের অভাবকেই সবচেয়ে বড় সংকট হিসেবে দেখছেন আইনমন্ত্রী মো. আসাদুজ্জামান।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) বেলা ১১টার দিকে ঝিনাইদহের শৈলকুপা উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে প্রয়াত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণে আয়োজিত নাগরিক শোক ও স্মরণসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।
আইনমন্ত্রী বলেন, বিচার বিভাগ নিয়ে মানুষের দৃষ্টিভঙ্গি একেক রকম। কারও কাছে দুর্নীতি ও দালালচক্র বড় সমস্যা, আবার কেউ মনে করেন প্রয়োজনীয় অবকাঠামোর ঘাটতিই প্রধান সংকট। তবে তার দৃষ্টিতে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ বিষয় হলো—বিচারকদের মধ্যে মানবিক মূল্যবোধ ও ন্যায়বিচারের চেতনা থাকা।
তিনি বলেন, একজন ব্যক্তি যখন বিচারকের পেশায় আসেন, তখন এটিকে অন্য সাধারণ চাকরির সঙ্গে তুলনা করা উচিত নয়। বিচারকের দায়িত্ব হলো মানুষের প্রতি ন্যায়বিচার নিশ্চিত করা এবং নিজের দায়িত্বের প্রতি সর্বোচ্চ নিষ্ঠা ও নৈতিকতা বজায় রাখা।
আইনমন্ত্রী আরও বলেন, বিচারকরা যদি তাদের দায়িত্বকে বিশেষ মর্যাদা ও নৈতিক দায়িত্ব হিসেবে গ্রহণ করেন এবং নিরপেক্ষভাবে বিচারকার্য পরিচালনা করেন, তাহলে দেশে একটি শক্তিশালী ও ন্যায়ভিত্তিক বিচারব্যবস্থা প্রতিষ্ঠা করা সম্ভব।
শেখ হাসিনার দেশে ফেরার প্রসঙ্গেও বক্তব্য
অনুষ্ঠানে আওয়ামী লীগের সভাপতি শেখ হাসিনার আগামী ডিসেম্বরে দেশে ফেরার প্রসঙ্গও উঠে আসে। এ বিষয়ে আইনমন্ত্রী বলেন, তিনি দেশে ফিরলে আইন অনুযায়ী তার বিরুদ্ধে চলমান প্রক্রিয়ার মুখোমুখি হতে হবে।
তিনি বলেন, আইনের ক্ষমতা দীর্ঘস্থায়ী। ব্যক্তির ক্ষমতার সীমাবদ্ধতা থাকলেও আইন তার নিজস্ব প্রক্রিয়ায় কাজ করে। তাই দেশে ফিরলে তাকে আইনের পথেই চলতে হবে বলে মন্তব্য করেন তিনি।
স্মরণসভায় উপস্থিত ছিলেন যারা
প্রয়াত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের স্মরণে আয়োজিত অনুষ্ঠানে বীর মুক্তিযোদ্ধা গোলাম কুদ্দুস সভাপতিত্ব করেন।
এ সময় ঝিনাইদহের জেলা প্রশাসক মো. নোমান হোসেন, পুলিশ সুপার মিয়া মোহম্মদ আশিস বিন হাছান, স্থানীয় রাজনৈতিক নেতৃবৃন্দ, সরকারি বিভিন্ন দপ্তরের কর্মকর্তা এবং বিভিন্ন শ্রেণি-পেশার প্রতিনিধিরা উপস্থিত ছিলেন।
অনুষ্ঠানে প্রয়াত শিল্পী মুস্তাফা মনোয়ারের কর্ম ও অবদানের কথা স্মরণ করে তার প্রতি শ্রদ্ধা জানানো হয়।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন