সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় সরকারি খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা ভূমিহীন আমির হোসেন অভিযোগ করেছেন, প্রভাবশালী একটি চক্র বেআইনিভাবে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে সরকারি জমি বিক্রির দাবি তুলে জোরপূর্বক জমি দখল করে সেখানে আমন ধানের চারা রোপণ করেছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি ২০১৫ সাল থেকে সরকারি খাস জমিটি ভোগদখল করে আসছেন এবং ২০১৭ সালে নিয়ম অনুযায়ী জমি বন্দোবস্তের জন্য উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন প্রক্রিয়া চলমান থাকতেই কয়েকজন ব্যক্তি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে জমি কেনার দাবি তুলে সেখানে চাষাবাদ শুরু করেন।
এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আমির হোসেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি আদালতেও আইনি প্রতিকার চেয়েছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তারা স্থানীয়ভাবে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে জমি ক্রয় করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর স্ত্রী এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, তারা কোনো জমি বিক্রি করেননি এবং জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ওসি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জমির প্রকৃত মালিকানা ও বন্দোবস্তের বিষয়ে উপজেলা ভূমি প্রশাসনের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ বলেন, সরকারি খাস জমি ব্যক্তিগতভাবে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে বিক্রি বা দখল করা আইনসম্মত নয়। আবেদনকারী প্রকৃত ভূমিহীন হলে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
সুনামগঞ্জের দোয়ারাবাজার উপজেলার বাংলাবাজার ইউনিয়নের বাঁশতলা এলাকায় সরকারি খাস জমি দখলকে কেন্দ্র করে নতুন করে উত্তেজনা সৃষ্টি হয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে ভোগদখলে থাকা ভূমিহীন আমির হোসেন অভিযোগ করেছেন, প্রভাবশালী একটি চক্র বেআইনিভাবে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে সরকারি জমি বিক্রির দাবি তুলে জোরপূর্বক জমি দখল করে সেখানে আমন ধানের চারা রোপণ করেছে।
ভুক্তভোগীর দাবি, তিনি ২০১৫ সাল থেকে সরকারি খাস জমিটি ভোগদখল করে আসছেন এবং ২০১৭ সালে নিয়ম অনুযায়ী জমি বন্দোবস্তের জন্য উপজেলা ভূমি কার্যালয়ে আবেদন করেন। কিন্তু আবেদন প্রক্রিয়া চলমান থাকতেই কয়েকজন ব্যক্তি স্ট্যাম্পের মাধ্যমে জমি কেনার দাবি তুলে সেখানে চাষাবাদ শুরু করেন।
এ ঘটনায় বাধা দিতে গেলে তাকে ও তার পরিবারকে প্রাণনাশের হুমকি দেওয়া হয়েছে বলেও অভিযোগ করেন আমির হোসেন। বিষয়টি নিয়ে তিনি জেলা প্রশাসক, পুলিশ সুপার এবং সংশ্লিষ্ট প্রশাসনের কাছে লিখিত অভিযোগ দিয়েছেন। পাশাপাশি আদালতেও আইনি প্রতিকার চেয়েছেন।
অন্যদিকে অভিযুক্ত পক্ষের দাবি, তারা স্থানীয়ভাবে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে জমি ক্রয় করেছেন। তবে ভুক্তভোগীর স্ত্রী এই দাবি সম্পূর্ণ অস্বীকার করে বলেন, তারা কোনো জমি বিক্রি করেননি এবং জোরপূর্বক দখলের চেষ্টা চলছে।
এ বিষয়ে দোয়ারাবাজার থানার ওসি জানান, অভিযোগ পাওয়ার পর পুলিশ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেছে। জমির প্রকৃত মালিকানা ও বন্দোবস্তের বিষয়ে উপজেলা ভূমি প্রশাসনের তথ্য সংগ্রহ করে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা (ইউএনও) অরূপ রতন সিংহ বলেন, সরকারি খাস জমি ব্যক্তিগতভাবে স্ট্যাম্পের মাধ্যমে বিক্রি বা দখল করা আইনসম্মত নয়। আবেদনকারী প্রকৃত ভূমিহীন হলে সরকারি নীতিমালা অনুযায়ী তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন