বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের বগুড়ার এরুলিয়া এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস বগুড়ার এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বেপরোয়া গতিতে চলা বাসটি মহাসড়কের পাশে কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও স্থানীয় বাজারে থাকা লোকজনের ওপর উঠে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, মুহূর্তের মধ্যে বাসটি কয়েকজন শ্রমিক ও বাজারে থাকা লোকজনকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজন কৃষিশ্রমিক নিহত হন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে।
বর্তমানে আহত ২০ থেকে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
এদিকে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণসহ দুর্ঘটনার সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজও চলছে।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৭ আগস্ট ২০২৬
বগুড়া-নওগাঁ আঞ্চলিক মহাসড়কের বগুড়ার এরুলিয়া এলাকায় ভয়াবহ সড়ক দুর্ঘটনায় অন্তত ৬ জন নিহত হয়েছেন। এ ঘটনায় আরও ২০ থেকে ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহতদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে জানা গেছে।
শুক্রবার (৭ আগস্ট) ভোর আনুমানিক ৫টার দিকে ঢাকা থেকে নওগাঁগামী শাহ ফতেহ আলী পরিবহনের একটি শীতাতপ নিয়ন্ত্রিত (এসি) বাস বগুড়ার এরুলিয়া এলাকায় পৌঁছালে চালক নিয়ন্ত্রণ হারান। এ সময় বেপরোয়া গতিতে চলা বাসটি মহাসড়কের পাশে কৃষিকাজে নিয়োজিত শ্রমিক ও স্থানীয় বাজারে থাকা লোকজনের ওপর উঠে যায়।
প্রত্যক্ষদর্শীদের বরাত দিয়ে জানা যায়, মুহূর্তের মধ্যে বাসটি কয়েকজন শ্রমিক ও বাজারে থাকা লোকজনকে চাপা দিলে ঘটনাস্থলেই তিনজন কৃষিশ্রমিক নিহত হন। এতে এলাকায় আতঙ্ক ছড়িয়ে পড়ে। স্থানীয়রা দ্রুত উদ্ধার কাজে এগিয়ে আসেন।
খবর পেয়ে ফায়ার সার্ভিস ও পুলিশ ঘটনাস্থলে পৌঁছে উদ্ধার অভিযান শুরু করে। আহতদের উদ্ধার করে বগুড়ার শহীদ জিয়াউর রহমান মেডিকেল কলেজ (শজিমেক) হাসপাতালে পাঠানো হয়। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় আরও তিনজনের মৃত্যু হয়। এ নিয়ে এ দুর্ঘটনায় নিহতের সংখ্যা বেড়ে দাঁড়িয়েছে ছয়জনে।
বর্তমানে আহত ২০ থেকে ২৫ জন হাসপাতালে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। তাদের মধ্যে কয়েকজনের অবস্থা আশঙ্কাজনক বলে হাসপাতাল সূত্রে জানা গেছে।
দুর্ঘটনার পর ফায়ার সার্ভিস ও আইনশৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীর সদস্যরা দুর্ঘটনাকবলিত বাসটি সরিয়ে মহাসড়কে যান চলাচল স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছেন।
এদিকে দুর্ঘটনার সঠিক কারণ তাৎক্ষণিকভাবে নিশ্চিত হওয়া যায়নি। চালক নিয়ন্ত্রণ হারানোর কারণসহ দুর্ঘটনার সার্বিক বিষয় খতিয়ে দেখছে পুলিশ। একই সঙ্গে নিহতদের পরিচয় শনাক্তের কাজও চলছে।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন