আটোয়ারী উপজেলার বড়দাঁপ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর ছাড়পত্র (টিসি) নিতে নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারী জাহিদুল ইসলাম জানান, তার ছেলে আলামিন বড়দাঁপ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অন্য একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর উদ্দেশ্যে ছেলের ছাড়পত্র নিতে তিনি ওই বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষক পরিমল তার কাছে ১ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, পরে বিভিন্ন জায়গা থেকে ৯২০ টাকা সংগ্রহ করে প্রধান শিক্ষকের হাতে দেন। তবে ওই টাকা দেওয়ার পরও প্রধান শিক্ষক জানান, এ টাকায় হবে না। পরে অনুরোধের পর ৯২০ টাকা গ্রহণ করে ছেলের ছাড়পত্র দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবকের অভিযোগ, ‘উন্নয়ন ফি’ ও ‘ফাইল চার্জ’সহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, একটি ছাড়পত্র নিতে অতিরিক্ত অর্থের চাপ সৃষ্টি হলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিভাবকদের জন্য তা বাড়তি আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, “সামান্য একটি কাগজের জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। অনেক অভিভাবক বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে টিসি নিচ্ছেন।”
তবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বড়দাঁপ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিমল। মুঠোফোনে তিনি বলেন, “আমরা কোনো অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছি না।”
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সৃষ্ট অসন্তোষের নিরসন হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

শনিবার, ০৩ অক্টোবর ২০২৬
প্রকাশের তারিখ : ০৫ আগস্ট ২০২৬
আটোয়ারী উপজেলার বড়দাঁপ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ে শিক্ষার্থীর ছাড়পত্র (টিসি) নিতে নির্ধারিত ফি’র চেয়ে অতিরিক্ত টাকা চাওয়ার অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে।
অভিযোগকারী জাহিদুল ইসলাম জানান, তার ছেলে আলামিন বড়দাঁপ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের ষষ্ঠ শ্রেণির শিক্ষার্থী ছিল। অন্য একটি বিদ্যালয়ে ভর্তি করানোর উদ্দেশ্যে ছেলের ছাড়পত্র নিতে তিনি ওই বিদ্যালয়ে গেলে প্রধান শিক্ষক পরিমল তার কাছে ১ হাজার ৫০০ টাকা দাবি করেন বলে অভিযোগ করেন তিনি।
জাহিদুল ইসলাম বলেন, পরে বিভিন্ন জায়গা থেকে ৯২০ টাকা সংগ্রহ করে প্রধান শিক্ষকের হাতে দেন। তবে ওই টাকা দেওয়ার পরও প্রধান শিক্ষক জানান, এ টাকায় হবে না। পরে অনুরোধের পর ৯২০ টাকা গ্রহণ করে ছেলের ছাড়পত্র দেওয়া হয় বলে দাবি করেন তিনি।
এদিকে, স্থানীয় কয়েকজন অভিভাবকের অভিযোগ, ‘উন্নয়ন ফি’ ও ‘ফাইল চার্জ’সহ বিভিন্ন কারণ দেখিয়ে শিক্ষার্থীদের কাছ থেকে অতিরিক্ত টাকা নেওয়া হচ্ছে। তাদের দাবি, একটি ছাড়পত্র নিতে অতিরিক্ত অর্থের চাপ সৃষ্টি হলে নিম্ন ও মধ্যবিত্ত পরিবারের অভিভাবকদের জন্য তা বাড়তি আর্থিক বোঝা হয়ে দাঁড়ায়।
নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক অভিভাবক বলেন, “সামান্য একটি কাগজের জন্য অতিরিক্ত টাকা দিতে হচ্ছে। অনেক অভিভাবক বাধ্য হয়েই টাকা দিয়ে টিসি নিচ্ছেন।”
তবে অতিরিক্ত টাকা নেওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছেন বড়দাঁপ আদর্শ উচ্চ বিদ্যালয়ের প্রধান শিক্ষক পরিমল। মুঠোফোনে তিনি বলেন, “আমরা কোনো অতিরিক্ত টাকা নিচ্ছি না।”
অভিযোগের বিষয়ে স্থানীয় অভিভাবকদের মধ্যে বিষয়টি নিয়ে নানা আলোচনা ও অসন্তোষ তৈরি হয়েছে। তারা বিষয়টি তদন্ত করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নিতে সংশ্লিষ্ট শিক্ষা কর্মকর্তাদের হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।
অভিযোগের সত্যতা যাচাই করে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হলে শিক্ষার্থী ও অভিভাবকদের মধ্যে সৃষ্ট অসন্তোষের নিরসন হবে বলে মনে করছেন স্থানীয়রা।

সম্পাদক : মাসুদ রানা
আপনার মতামত লিখুন